For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে ৪২ হাজার কৃষককে ১৪১ কোটি টাকার ঋণ

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে উত্তরবঙ্গের ৪টি জেলার ৪২ হাজার কৃষককে ১৪১ কোটি টাকা ঋণ দিতে চলেছে জলপাইগুড়ির ব্যাঙ্ক।
01:39 PM Jan 05, 2024 IST | Koushik Dey Sarkar
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে ৪২ হাজার কৃষককে ১৪১ কোটি টাকার ঋণ
Courtesy - Facebook and Google
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: উত্তরবঙ্গের(North Bengal) ২টি জেলা ও ২টি মহকুমার ৪২ হাজার কৃষককে(Farmers) মোট ১৪১ কোটি টাকার ঋণ(Loan) দিতে চলেছে Jalpaiguri Central Co-operative Bank। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) নির্দেশেই এই ঋণ প্রদান করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান সৌরভ চক্রবর্তী। তিনি এটাও জানিয়েছেন, যে সব কৃষকরা ঋণ পাবেন তা তাঁদের বার্ষিক ৪ থেকে ৭ শতাংশ সুদে মেটাতে পারবেন। বিনামূল্যে প্রত্যেক কৃষককের শস্য বিমা করে দেওয়া হবে ব্যাঙ্কের তরফে। এর পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, ঋণ খেলাপি সদস্য এবং নিষ্ক্রিয় Primary Credit Co-operative Society-গুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি রাজ্যের সমবায়মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারকে জানানো হয়েছে। মূলত সোসাইটিগুলির সম্পত্তি ‘ক্রোক’ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে কৃষকদের ক্ষেত্রে এখনই সম্পত্তি ক্রোক করা পথে হাঁটা হচ্ছে না।

Advertisement

Jalpaiguri Central Co-operative Bank তৈরি হয়েছিল অবিভক্ত জলপাইগুড়ি জেলার আমলে। সেই কারণেই এখনকার জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার, দুই জেলাতেই তার ব্যপ্তি রয়েছে। এর পাশাপাশি পরবর্তীকালে শিলিগুড়ি মহকুমা এবং মেখলিগঞ্জ মহকুমাতেও এর বিস্তার ঘটানো হয়। গতবছর এই ২ জেলা ও ২ মহকুমা এলাকার কৃষকদের ঋণ বাবদ প্রদান করা হয় ১২৬ কোটি টাকা। এবার ঋণ প্রদানের টার্গেট বাড়ানো হয়েছে। ১২৬ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪১ কোটি টাকা করা হয়েছে।

Advertisement

রবি মরশুম শুরুর পরও উত্তরবঙ্গের কৃষকরা এখনও কৃষিঋণ পাননি। যার জেরে বহু কৃষক চাষাবাদ শুরু করতে পারেননি। মূলত Re-finance জনিত সমস্যার কারণেই রবি মরশুম শুরুর পরও কৃষকদের ঋণ প্রদান করা সম্ভব হয়নি। এই কথা মুখ্যমন্ত্রীর কানে যেতেই তিনি রাজ্যের সমবায়মন্ত্রীকে উত্তরবঙ্গে পাঠান। তার আগে সমবায়মন্ত্রী বৈঠক করেন National Bank of Agriculture and Rural Development বা NABARD’র সঙ্গে। সেই বৈঠকেই NABARD’র তরফে Re-finance’র ক্ষেত্রে সবুজ সঙ্কেত দেওয়া হয়। তার জেরেই ১০ জানুয়ারির পর থেকে কৃষকদের হাতে ঋণ তুলে দেওয়া যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement
Tags :
Advertisement