For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

অনলাইন জালিয়াতির খপ্পরে পড়ে ২.৩১ লক্ষ টাকা খোয়ালেন প্রবীণ ব্যবসায়ী

তাঁর সন্দেহ হয়েছিল যে, প্রতারণামূলক লেনদেন করার জন্য কেউ তার অননুমোদিত মোবাইল নম্বর ব্যবহার করছে। এরপরই তিনি তড়িঘড়ি ব্যাঙ্কে ছুটে যান।
12:26 PM Jun 10, 2024 IST | Susmita
অনলাইন জালিয়াতির খপ্পরে পড়ে ২ ৩১ লক্ষ টাকা খোয়ালেন প্রবীণ ব্যবসায়ী
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: অনলাইন প্রতারণার খপ্পরে পড়ে ২.৩১ লক্ষ টাকা খোয়ালেন একজন ৬৮ বছর বয়সী হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী। সন্দেহভাজন ফিশিং জালিয়াতিতে জড়িয়েছেন তিনি৷ জানা গিয়েছে, প্রথমে তিনি বিষয়টি আঁচ করতে পারেনি। এরপর তাঁর ফোনে একাধিক ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ড (OTP) এবং লেনদেনের সতর্কতা বার্তা পৌঁছনোর পর তাঁর টনক নড়ে। সেই বার্তার মাধ্যমেই তিনি অননুমোদিত লেনদেন সম্পর্কে জানতে পারেন। বাইকুল্লা পুলিশ জানিয়েছে, প্রতারিত প্রবীণ ব্যক্তিটি মুম্বইয়ের মাজগাঁওয়ের বাসিন্দা। তিনি হার্ডওয়্যার সরবরাহের ব্যবসা করেন।

Advertisement

গত ৩ জুন থেকে, তিনি তার ফোনে বিভিন্ন বার্তা এবং ওটিপি পেতে শুরু করেছিলেন। কিন্তু তিনি প্রথমে সেগুলিকে উপেক্ষা করেছিলেন। এবং নিশ্চিন্তে ছিলেন। কারণ তাঁর কোনও ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিংয়ের সুবিধা নেই৷ এর তিন দিন পরে আবারও তিনি লেনদেন সংক্রান্ত একইরকম বার্তা পেতে থাকেন। এরপর বিষয়টি নিয়ে ব্যাঙ্কে যান। তাঁর সন্দেহ হয়েছিল যে, প্রতারণামূলক লেনদেন করার জন্য কেউ তার অননুমোদিত মোবাইল নম্বর ব্যবহার করছে। এরপরই তিনি তড়িঘড়ি ব্যাঙ্কে ছুটে যান। এরপরেই ব্যাঙ্ক থেকে তিনি জানতে পারেন যে, একাধিক লেনদেনের মাধ্যমে তার অ্যাকাউন্ট থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার করা হয়েছে। যা জানার পর স্বাভাবিকভাবেই মাথায় হাত পড়ে যায়, ওই ব্যক্তির। এই প্রসঙ্গে একজন পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, "অনেক ক্ষেত্রে, আমরা লক্ষ্য করেছি যে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি অজান্তে কোনও লিঙ্কে ক্লিক করে ফেলে বা এমন একটি অ্যাপ ডাউনলোড করে যা তৃতীয় ব্যক্তির কাছে তার ডিভাইসের অননুমোদিত অ্যাক্সেস দিয়ে দেওয়া হয়। সম্ভবত ওই ব্যক্তিও এমনই জালিয়াতির শিকার হয়েছেন।"

Advertisement

তবে এই পদ্ধতিতে, প্রতারকরা প্রতারণামূলক জাল বেছোচ্ছে এবং অবৈধভাবে আর্থিক লেনদেন করছে। তবে এ ক্ষেত্রে, ওই প্রবীণ ব্যক্তির সঙ্গে কী ঘটেছিল তার তদন্ত করা হচ্ছে। এমনকী প্রতারকরা কীভাবে টাকা পাচার করতে পেরেছিল তা তদন্ত শুরু করছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় তথ্যপ্রযুক্তি আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। পুলিশ ভারতীয় দণ্ডবিধির ধারা ৪২০ (প্রতারণা এবং অসাধুভাবে সম্পত্তি সরবরাহের প্ররোচনা) পাশাপাশি তথ্য প্রযুক্তি আইনের 66C (পরিচয় চুরি), 66D (কম্পিউটার সংস্থান ব্যবহার করে ব্যক্তিত্ব দ্বারা প্রতারণা) এর অধীনে একটি মামলা দায়ের করেছে।

Advertisement
Tags :
Advertisement