For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

বিজেপি ছেড়ে একঝাঁক নেতার তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন অভিষেকের হাত ধরে

ভোটের আবহে ঘর গোছাচ্ছে জোড়াফুল। এদিন কুলপির সভাতে অভিষেকের হাত ধরে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরে আসেন এক ঝাঁক বিক্ষুব্ধ ঘাসফুল কর্মী।
04:55 PM Mar 30, 2024 IST | Koushik Dey Sarkar
বিজেপি ছেড়ে একঝাঁক নেতার তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন অভিষেকের হাত ধরে
Courtesy - Twitter
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: কেউ পঞ্চায়েত ভোটে টিকিট পাননি বলে জার্সি বদলেছিলেন, কেউ বা অভিমানে দল ছেড়েছিলেন। এদিন তাঁরা ফের ফেরত এলেন তৃণমূলে(TMC)। সেটাও আবার দলেরই সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Abhishek Banerjee) হাত ধরে। লোকসভা নির্বাচনের আবহে এদিন দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার মথুরাপুর লোকসভা(Mothurapur Constituency) কেন্দ্রের মধ্যে থাকা কুলপি(Kulpi) বিধানসভা কেন্দ্রের ঢোলায় ছিল তৃণমূল প্রার্থী বাপি হালদারের সমর্থনে দলীয় কর্মীসভা। নামে কর্মীসভা হলেও এদিন তা জনসভার রূপ নেয় লাখো মানুষের উপস্থিতিতে। সেই সভাতেই অভিষেকের হাত ধরে বিজেপি(BJP) ছেড়ে তৃণমূলে ফিরে আসেন এক ঝাঁক বিক্ষুব্ধ ঘাসফুল কর্মী। এদের মধ্যে আছেন, দিলীপ জাটুয়া, শান্তনু বাপুলি, মিন্টু ময়রা, রাহুল গায়েন, রাজারাম মন্ডল, অনীন্দ্র হালদার, রাজু হালদার, আটা গাজি, অঞ্জনা সরদার প্রমুখ। কার্যত ভোটের আগে নিজের ঘর যতটা সম্ভব গুছিয়ে নিচ্ছে তৃণমূল। আর তাই অভিষেকও এদিন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন দলেরই কর্মী সমর্থকদের, ডায়মন্ডহারবারে ৪ লক্ষ ভোটের ব্যবধানে হারাতে হবে বিরোধীদের। আর মথুরাপুরে জয়ের ব্যবধান আরও বাড়াতে হবে।

Advertisement

এদিনের সভা থেকে অভিষেক বলেন, ‘তৃণমূল কংগ্রেস তৈরির পরে ২০০১ সালে এই জেলার ১৪টি আসনে আপনারা তৃণমূলকে জিতিয়েছিলেন। তখন থেকে তৃণমূলের সঙ্গে আপনাদের আর আপনাদের সঙ্গে আমাদের একটা আত্মিক সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। ২০০৮ সালের পঞ্চায়েতে প্রথম পরিবর্তনের চাকা আপনারাই ঘুরিয়েছিলেন। ২০২১ সালে বিজেপির ফাঁদে পা না দিয়ে ৩১ আসনের মধ্যে ৩০ আসন এই জেলাই দিয়েছিল। ২০১৯ সালেও ৪টি লোকসভা আসনও আপনারা আমাদেরই দিয়েছেন। এবার শুধু আবেদন করব, আপনারা জয়ের মার্জিন বাড়ান। ২০১৯ সালে মথুরাপুর আড়াই লক্ষ ভোটে জিতিয়েছিলেন। এবার ৫০ হাজার হলেও আপনারা বাড়ান। মথুরাপুরের সার্বিক উন্নয়ন আমার দায়িত্ব। আমি কথা দিয়ে যাচ্ছি। উন্নয়নের নিরিখে আপনারা ডায়মন্ডহারবারের থেকে এক ইঞ্চিও পিছিয়ে পড়বেন না। ডায়মন্ডহারবারে চার লাখ মার্জিন হবে। এখানে তিন লাখ হবে।’ বস্তুত তৃণমূলের জন্মের পর থেকেই দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা ধীরে ধীরে তৃণমূলের দুর্গ হয়ে উঠেছে। এখন সেটা বিজেপিও হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে।

Advertisement

Advertisement
Tags :
Advertisement