For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

রিমল ঘূর্ণিঝড়ে লোডশেডিংয়ের সুযোগ নিয়ে কালীমন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি

সেই সুযোগেই মন্দিরের সাতটি তালা ভেঙে মায়ের গলার সোনার হার, কানের দুল, জিব সহ দুই ভরি সোনার গহনা ও ছয় ভরি রুপোর গহনা এবং প্রণামি বাক্সে থাকা প্রায় ত্রিশ হাজার টাকা নিয়ে চোরেরা পালিয়ে যায়।
04:02 PM May 27, 2024 IST | Susmita
রিমল ঘূর্ণিঝড়ে লোডশেডিংয়ের সুযোগ নিয়ে কালীমন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি হাওড়া: হাওড়া জেলার বালিটিকুরী কালীতলায় রবিবার গভীর রাতে কালীমন্দিরে চুরি হয়। রিমল ঝড়ের আতঙ্কে যখন সব মানুষই ঘরবন্দি সেই সুযোগে লোড সেটিংয়ের ফায়দা নিয়ে মন্দিরে মায়ের সমস্ত গয়না নিয়ে চম্পট দেয় চোর। মন্দিরের পুরোহিত জানান, মন্দিরে সিসি টিভি ক‍্যামেরা থাকলেও তা লোডশেডিং এর জন‍্য বন্ধ ছিল। আর সেই সুযোগেই মন্দিরের সাতটি তালা ভেঙে মায়ের গলার সোনার হার, কানের দুল, জিব সহ দুই ভরি সোনার গহনা ও ছয় ভরি রুপোর গহনা এবং প্রণামি বাক্সে থাকা প্রায় ত্রিশ হাজার টাকা নিয়ে চোরেরা পালিয়ে যায়।

Advertisement

কমিটির এক সদস‍্য জানান,১০০ বছরের এই মন্দিরে এই নিয়ে তিন বার চুরি হল। মন্দিরের পুরোহিত জানান, তিনি রবিবার রাত পৌনে ন টায় মন্দিরের সমস্ত তালা বন্ধ করে প্রতি দিনের মত চলে যান। সোমবার সকালে পুজো করতে এসে দেখেন মন্দিরের মেন গেটের তালা ভাঙা। তার পর ভিতরে ঢুকে দেখেন সব তালাই ভাঙা। তিনি সঙ্গে সঙ্গে কমিটিতে খবর দেন। তদন্ত করতে আসে দাস নগর থানার পুলিশ। পেশাদার দুষ্কৃতীরা এই কাণ্ড ঘটিয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তেh পুলিশের অনুমান। দুষ্কৃতীদের সন্ধানে শুরু হয়েছে পুলিশের তল্লাশি অভিযান। অন্যদিকে,প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে উড়ে গেল গৃহস্থ বাড়ির টিনের চাল, পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন পৌরসভার চেয়ারম্যান।

Advertisement

রবিবার মধ্যরাত থেকে শক্তি বাড়িয়ে আঁচড়ে পড়ে ঘূর্ণিঝড় রেমাল। যার প্রভাব পড়তে দেখা গেল রাজ্যের বিভিন্ন জেলার পাশাপাশি নদিয়াতেও। এবার প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে মধ্যরাতে উড়ে গেল বসতবাড়ির টিনের চাল, অল্পের জন্য বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেল পরিবারের শিশুসহ অন্যান্য সদস্যরা। সোমবার ঘটনার খবর পেতেই বসতবাড়িতে ত্রাণ সহ ত্রিপল নিয়ে ছুটে আসে পৌরসভার চেয়ারম্যান। ঘটনাটি নদীয়ার শান্তিপুর পৌরসভার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রামনগর চরের। বাড়ির গৃহবধূ অলকা মাহাতো জানান, গতকাল মধ্যরাতে শিশুসহ চার জন শুয়েছিলেন একই বিছানায়। হঠাৎই প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে উড়ে যায় টিনের চাল, আর চালের একটি অংশ বিছানার উপর এসে পড়ে। তবে অল্পের জন্য প্রাণ রক্ষা হয় প্রত্যেকের।

এদিকে, টিনের চাল উড়ে গিয়ে উঠোনে গিয়ে পড়ে, তছনছ হয়ে যায় রান্নাঘর। মধ্যরাত থেকে সোমবার দুপুর পর্যন্ত ঘরের মধ্যে জমে থাকা অথয় জলে দিন কাটাতে হয় পরিবারের সদস্যদের। নষ্ট হয়ে যায় তৈরি করা খাবার, ঔষধ সহ অন্যান্য আসবাবপত্র। এই ঘটনা জানাজানি হতেই শান্তিপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান সুব্রত ঘোষ সরাসরি ত্রাণ নিয়ে গৃহস্থ বাড়িতে হাজির হন, সাথে নিয়ে আসেন একাধিক ত্রিপল, এরপর পরিবারের পাশে দাঁড়ান। যদিও ঘূর্ণিঝড় রেমালের যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে গতকাল থেকেই পৌরসভার পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে একাধিক উদ্যোগ। এছাড়াও এলাকায় এলাকায় করা হয়েছিল মাইকিং প্রচার। তবে এক প্রকার বলা যেতেই পারে এই দুরবস্থার মধ্যে চেয়ারম্যানের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোই কুর্নিশ জানিয়েছে গোটা পরিবার।

Advertisement
Tags :
Advertisement