For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

ভোটে জেতার পরেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে 'হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট' রচনার, কী কথা হল?

তাই প্রচারের ফাঁকে ফাঁকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে নানা ধরনের টিপস নিয়েছেন রচনা। মাঝেমধ্যেই ফোনে কথা হত। স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, দিদিও কনফিডেন্ট ছিলেন, তিনি জিতে আসবেন।
06:58 PM Jun 05, 2024 IST | Susmita
ভোটে জেতার পরেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে  হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট  রচনার  কী কথা হল
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: ফল প্রকাশের পরেই হুগলির হবু সাংসদ রচনা বন্দোপাধ্যায়ের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফোন করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বুধবার হুগলির একটি মন্দিরে পুজো দিয়েই কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন রচনা বন্দোপাধ্যায়। তার মাঝেই সাংবাদিকদের সঙ্গে কথাও বলেছেন তিনি। সেখানেই জানান, হুগলিতে ঘাসফুল ফোটানো মাত্রই দিদি এবং অভিষেকের সঙ্গে কথা হয়েছে তাঁর। রাজনীতির ময়দানে পা রেখেই হুগলিতে ঘাসফুল ফুটিয়েছেন তিনি। বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়কে এক্কেবারে বোল্ড-আউট করে দিয়েছে রচনার জনপ্রিয়তা। অভিনয় তো বটেই, কিন্তু দিদি নং ১-এর সুবাদে বাংলার ঘরের মানুষ হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। আর রাজনীতিতে পা রেখেই সাধারণত মানুষের একেবারে মণিকোঠায় পৌঁছে গেলেন রচনা। গত ভোটে জেতার পর লকেট চট্টোপাধ্যায়ের তেমন খোঁজ মেলেনি, এটাই ছিল হুগলিবাসীদের ক্ষোভের অন্য কারণ।

Advertisement

সেটাই উঠে এলো ভোটের ফলাফলে। হুগলিতে লকেট চট্টোপাধ্যায় এখন অতীত। বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন তৃণমূলের তারকা প্রার্থী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলপ্রকাশের পরই হোয়াটসঅ্যাপে ‘দিদি’র সঙ্গে কথা হয় রচনার, সেকথা বুধবার নিজেই জানিয়েছেন তৃণমূলের জয়ী তারকা প্রার্থী। একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রচনা জানিয়েছেন, "উনি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) বললেন, আমি তো তোমায় বলেছিলাম তুমি জিতবে।” এটাই কথা হয়েছে রচনার সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর। প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই হুগলির মাটি আঁকড়ে পড়েছিলেন রচনা। তারকা তকমা, তারকা রুটিন সবকিছু ভুলে হুগলিতে প্রচার সেরেছেন রচনা। কখনও জনসভা, রোড শো করেছেন, আবার কখনও বাড়ি বাড়ি ঘুরে জনসংযোগ সেরেছেন। আবার স্থানীয় বাসিন্দাদের আবদার তাঁদের বানানো ঘরের খাবারও খেয়েছেন। রাস্তায় দাঁড়িয়ে ঘুগনি খেয়েছেন, মুখে তুলেছেন হুগলির দইও। যদিও নিজের করা কিছু মন্তব্যের কারণে ট্রোলও হয়েছেন তিনি, কিন্তু তাতে কোনও পাত্তা দেননি অভিনেত্রী।

Advertisement

দেবের মতো তিনিও বরাবরই দাবি করেছেন, মানুষের ভালবাসা পাওয়াই তাঁর মূল লক্ষ্য। রাজনীতির ময়দানে একবারেই ‘নবগতা’ তিনি। তাই প্রচারের ফাঁকে ফাঁকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে নানা ধরনের টিপস নিয়েছেন রচনা। মাঝেমধ্যেই ফোনে কথা হত। স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, দিদিও কনফিডেন্ট ছিলেন, তিনি জিতে আসবেন। প্রচারের ফাঁকে ফোনে কথা বলতেন দিদির সঙ্গে। জিজ্ঞেস করেছিলেন, তিনি পারছেন তো ঠিকঠাক? দিদি বলতেন, "রচনা তুমি জিতছো। ব্যস! আর কিছু বলিনি।” অন্যদিকে দলের ‘সেনাপতি’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও বহুবার ফোনে কথা হয়েছে তাঁর। অভিষেক সবসময় তাঁর মনের জোর বাড়িয়ে বলতেন, "দিদি তুমি চিন্তা কোরো না। তুমি জিতছো।” সাংসদ হিসাবে দিল্লিতে যাওয়ার ব্যাপারে রচনা বলেন, “প্রথম দিন যে সংসদ কি হবে, তা নিয়ে উত্তেজিত।” প্রসঙ্গত, এবারের লোকসভার ফলে তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হয়েছেন মোট ১১ জন মহিলা প্রার্থী। যার মধ্যে আছেন, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সায়নী ঘোষ, রচনা বন্দোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়, মহুয়া মৈত্র, জুন মালিয়া, সাজদা আহমেদ, মিতালী বাগ, শর্মিলা সরকার, মালা রায়, প্রতিমা মণ্ডল। সুতরাং তৃণমূলে নারীশক্তির জয়জয়কার। সংসদে ৩৮ শতাংশ মহিলা প্রতিনিধি তৃণমূলের।

Advertisement
Tags :
Advertisement