For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ মেটাতে সালিশি সভা সাঁকরাইলে, কাঠগড়ায় পঞ্চায়েতের উপপ্রধান

স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ মেটাতে সালিশি সভা ডেকে স্বামীকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে জুজুরসাহা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান শেখ খলিল আহমেদের বিরুদ্ধে।
01:30 PM Jul 09, 2024 IST | Koushik Dey Sarkar
স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ মেটাতে সালিশি সভা সাঁকরাইলে  কাঠগড়ায় পঞ্চায়েতের উপপ্রধান
Courtesy - Google
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: সালিশি সভা(Cangaroo Court) ডেকে মারধর করা হল এক ব্যক্তিকে। আর সেই ঘটনায় নাম জড়ালো রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের(TMC)। ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়া জেলার(Howrah District) সদর মহকুমার সাঁকরাইল থানার(Snakrail PS) জুজুরসাহা গ্রাম পঞ্চায়েতে। স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ মেটাতে সালিশি সভা ডেকে স্বামীকে মারধর এবং ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে জুজুরসাহা গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের উপপ্রধান শেখ খলিল আহমেদের বিরুদ্ধে। জুজুরসাহা গ্রাম পঞ্চায়েতের কান্দুয়া গ্রামের বাসিন্দা তথা পেশায় ব্যবসায়ী সাহাবুদ্দিন সেপাই। মেয়ের বিয়ে নিয়ে সম্প্রতি তাঁর সঙ্গে স্ত্রীর মনোমালিন্য হয়। কিছু দিন আগে স্ত্রী রাগ করে মেয়েকে নিয়ে সাহাবুদ্দিনের বাড়ি ছেড়ে বাপের বাড়ি চলে যান। সমস্যা মেটাতে সোমবার সন্ধ্যায় সাহাবুদ্দিনের বাড়িতে একটি সালিশি সভা ডাকা হয়। সাহাবুদ্দিনের অভিযোগ, সেই সময় উপপ্রধান খলিলের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জন যুবক আসে। তাঁরা আলোচনার পর সাহাবুদ্দিনকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ এবং মারধর করেন।  

Advertisement

তার পরেও নাকি সালিশি পর্ব চলতে থাকে। অভিযোগ, এর পর খলিল ফোন করে তাঁর দলবলকে ডেকে পাঠান। সেই সময় ঘটনাস্থলে দু’টি ম্যাটাডোর এবং ৫০টি বাইকে করে প্রায় ১৫০ জন সাহাবুদ্দিনের বাড়িতে উপস্থিত হন। তাঁদের অধিকাংশের হাতে লাঠি, রড, ছুরি এবং ভোজালি ছিল বলে অভিযোগ। তাঁরা ওই বাড়ি চড়াও হয়ে হামলা চালান। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন কান্দুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য আরিফ সেপাইও। তিনি পরে জানিয়েছেন, ‘মীমাংসা করার নামে যে খলিল আর তার দলবল এই রকম ঘটনা ঘটাবে, সেটা বোঝা যায়নি।’ সাহাবুদ্দিনকে মারধর খেতে দেখে আরিফও নাকি ভয়ে ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যান। পালিয়ে যান সাহাবুদ্দিনও। এর পর হামলাকারীরা কিছুটা দূরে তাঁর ভাইপোর বাড়িতে পৌঁছয়। সাহাবুদ্দিন সেই বাড়িতে লুকিয়ে আছেন, এই সন্দেহে সেই বাড়িতেও হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে উপপ্রধানের দলবলের বিরুদ্ধে।

Advertisement

শুধু তা-ই নয়, সেই বাড়ির আলমারি ভেঙে নগদ ৪০ হাজার টাকা, সোনার গয়না এবং দামি মোবাইল সেট-সহ যাবতীয় জিনিসপত্র নিয়ে চম্পট দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে হামলাকারীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে সাঁকরাইল থানার পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এর আগে একাধিক বার বিভিন্ন ঘটনায় খলিলের বিরুদ্ধে অসামাজিক কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছে। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন খলিল।

Advertisement
Tags :
Advertisement