For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

সোনারপুরে বিজেপি কর্মীর ওপর হামলা, গুরুতর জখম স্ত্রী ও ছেলেও

শনিবার ভোররাতে সোনারপুরে আক্রান্ত এক বিজেপি কর্মী ও তাঁর পরিবার। পদ্মশিবিরের অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই কাণ্ড ঘটিয়েছে।
09:30 AM Jul 06, 2024 IST | Koushik Dey Sarkar
সোনারপুরে বিজেপি কর্মীর ওপর হামলা  গুরুতর জখম স্ত্রী ও ছেলেও
Courtesy - Google
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: কাকভোরে কলকাতা(Kolkata) থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরে আক্রান্ত এক বিজেপি(BJP) কর্মী ও তাঁর পরিবার। সোনারপুরের(Sonarpur) চৌহাটি এলাকার এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এদিন ভোররাতে ওই বিজেপি কর্মীর বাড়িতে হামলাবাজি(Attack) চালিয়ে তাঁকে, তাঁর স্ত্রীকে এবং ছেলেকে ধারালো অস্ত্রে কোপানো হয়েছে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁদের ৩জনকেই প্রথমে এম আর বাঙুর হাসপাতালে ও পরে সেখান থেকে স্থানান্তরিত করা হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। সেখানেই এখন গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁরা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পদ্মশিবিরের অভিযোগ তৃণমূল(TMC) আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই কাণ্ড ঘটিয়েছে। যদিও স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

Advertisement

জানা গিয়েছে, সোনারপুরের চৌহাটি এলাকার বাসিন্দা গোবিন্দ অধিকারী সক্রিয়া ভাবেই বিজেপি করেন। সদ্য হয়ে যাওয়া লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির পোলিং এজেন্টও হয়েছিলেন গোবিন্দ। শনিবার ভোর ৩টের পর তাঁর বাড়িতে দুষ্কৃতীরা চড়াও হয়। তাঁকে, তাঁর স্ত্রীকে এবং তাঁদের পুত্রকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়। বাড়িতে গোবিন্দের কন্যাও ছিলেন। তবে তাঁর ওপর হামলা হয়নি। তবে গোবিন্দের স্ত্রী নমিতা অধিকারী এবং পুত্র গৌরব অধিকারী গুরুতর জখম হয়েছেন। এই ঘটনায় তদন্ত করতে নেমে সোনারপুর থানার পুলিশ আক্রান্তদের প্রতিবেশী সুভাষ দেবনাথ এবং তাঁর পুত্র সুমিত দেবনাথকে আটক করেছে। প্রাথমিক ভাবে পুলিশের অনুমান, এটি দুই পারিবারের গোলমাল। কিছু দিন আগে কুকুর মারা নিয়ে এই দুই পরিবারের মধ্যে ঝামেলা হয়েছিল। তার পর থেকেই তাঁদের মধ্যে তিক্ততা বৃদ্ধি পায়। শনিবারের হামলার সঙ্গেও সেই ঝামেলার যোগ রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement

যদিও স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব পুলিশের এই তত্ত্ব মানতে নারাজ। এলাকার পদ্মনেতা দেবনাথ চক্রবর্তীর দাবি,  ‘লোকসভা ভোটে গোবিন্দ আমাদের দলের পোলিং এজেন্ট হয়েছিলেন। আমাদের ওয়ার্ডে বিজেপি এগিয়েও ছিল। যারা গোবিন্দদের মেরেছেন, তাঁরা তৃণমূল করেন। অশান্তির সময়ে তাঁরা হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, আমরা তৃণমূল করি, আমরা দেখে নেব। বাইরে থেকে কয়েক জন এসেও হুমকি দিয়েছিলেন।’ যদিও দেবনাথের এই অভিযোগ উড়িয়ে এলাকার তৃণমূল কাউন্সিলর রাজীব পুরোহিত পাল্টা দাবি করেছেন, ‘একটি কুকুর মারাকে কেন্দ্র করে ঝামেলা হয়েছিল। সুভাষ দেবনাথের নামে গোবিন্দ অধিকারী মামলা করেছিল। সোনারপুর থানা বিষয়টি দেখেছে। শনিবার ভোরে আমার কাছে ফোন আসে, গোবিন্দ এবং তাঁর পরিবারকে চপার দিয়ে কোপানো হয়েছে বলে শুনি। কিন্তু এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। আমাদের ওয়ার্ড শান্তিপূর্ণ। এখানে কোনও রাজনৈতিক ঝামেলা অতীতেও ছিল না, এখনও নেই। আমরা সকলে একসঙ্গে কাজ করি। এটি দু’টি পরিবারের মধ্যে গোলমাল। পুলিশ যাকে আটক করেছে, যার বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ, তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন।’

Advertisement
Tags :
Advertisement