For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

২৪’র ভোটের আগে চাঁচল পুরসভার দাবিতে সরব এলাকাবাসী

চাঁচলকে পুরসভা হিসাবে ঘোষণা করার দাবিতে এলাকাবাসী আন্দোলন শুরু করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় গ্রুপ খুলে চলছে প্রচার।
12:56 PM Dec 19, 2023 IST | Koushik Dey Sarkar
২৪’র ভোটের আগে চাঁচল পুরসভার দাবিতে সরব এলাকাবাসী
Courtesy - Facebook
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাম জমানায় ২০০১ সালে মালদা জেলার(Malda District) সদর মহকুমা ভেঙে ৬টি ব্লক এলাকা নিয়ে চাঁচল মহকুমা(Chanchal Sub Division) এলাকা গঠন করা হয়েছিল। অর্থাৎ ২২ বছর আগে চাঁচল মহকুমা সদর হয়ে গিয়েছে। রাজ্যের যে কটি সম্পূর্ণ গ্রামীণ মহকুমা রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হল চাঁচল। কেননা এই মহকুমায় নেই কোনও পুরসভা(Municipality)। যদিও উন্নত নাগরিক পরিষেবার জন্য চাঁচল পুরসভা গঠনের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই সরব রয়েছেন চাঁচলবাসী। একুশের ভোটের সময় চাঁচলকে পুরসভায় উন্নিত করার দাবি কার্যত নির্বাচনের প্রধান ইস্যু হয়ে উঠেছিল চাঁচল বিধানসভা কেন্দ্রে। এমনকি সেই সময় রাজ্যের শাসক দলের তরফেও জানানো হয়েছিল, ভোট মিটলেই চাঁচলকে পুরসভা হিসাবে ঘোষণা করা হবে। সেই ভোট পেরিয়ে আরও একটি ভোট(General Election 2024) যখন দরজায় কড়া নাড়ছে তখনও চাঁচলকে পুরসভা হিসাবে ঘোষণা করা হয়নি। আর তার জেরেই এখন নতুন করে চাঁচলকে পুরসভা হিসাবে ঘোষণা করার দাবিতে এলাকাবাসী আন্দোলন শুরু করেছেন।  

Advertisement

চাঁচল মহকুমা সদর হিসাবে স্বীকৃতি পায় ২০০১ সালে। হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ও ২, চাঁচল ১ ও ২ এবং রতুয়া ১ ও ২ ব্লক নিয়ে এই মহকুমা গড়ে উঠেছে। কিন্তু এই ৬টি ব্লকের একটিতেও নেই কোনও পুরসভা। আর সেটাই আক্ষেপ চাঁচলের বাসিন্দাদের। বারবার প্রতিশ্রুতি দেওয়া সত্ত্বেও পুরসভার দাবি পূরণ না হওয়ায় ধৈর্য্যের বাঁধ ভাঙছে বাসিন্দাদের। তাই এবার লোকসভা ভোটের আগে তাঁরা জোরদার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। উন্নত নাগরিক পরিষেবার জন্য চাঁচল পুরসভা গঠনের দাবিতে সরব হয়েছেন এলাকাবাসী। ‘চাঁচলে পুরসভা করতেই হবে’ - এই নামে সোশ্যাল মিডিয়ায় গ্রুপ খুলে চলছে প্রচার। আন্দোলনকারীদের দাবি, চাঁচলে জনবিস্ফোরণ ঘটেছে। অথচ নাগরিক পরিকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে না। বারবার প্রতিশ্রুতি দেওয়া সত্ত্বেও পুরসভা গঠিত হয়নি। উন্নত নাগরিক পরিষেবার জন্য পুরসভা খুবই দরকার। রাজনৈতিক মতপার্থক্যর ঊর্ধ্বে উঠে এবার পুরসভা বাস্তবে রূপ লাভ করুক।

Advertisement

চাঁচলবাসীর এই দাবি কার্যত আরও বেড়ে গিয়েছে উত্তরবঙ্গেরই অপর এক শহর ধূপগুড়ির মহকুমা হিসাবে উত্তরণ দেখে। জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ি বাম জমানাতেই পঞ্চায়েত থেকে পুরসভা হিসাবে উন্নিত হয়। তারপর থেকেই সেখানে জোরদার দাবি উঠেছিল, ধূপগুড়িকে মহকুমায় রূপান্তরিত করতে হবে। চলতি বছরেই যখন ধূপগুড়িতে বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন হয়েছিল, তখন সেখানে নির্বাচনের প্রধান ইস্যুই হয়ে উঠেছিল ধূপগুড়িকে মহকুমা হিসাবে ঘোষণা করার দাবিটি। সেই দাবিতে যে ভোট বৈতরণী পার করা সম্ভব সেটা বুঝেই ভোট প্রচারের মঞ্চ থেকেই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারন সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়(Abhishek Banerjee) ধূপগুড়িকে মহকুমা করা হবে বলে ঘোষণাও করে দেন। সেই ভোটে জিতেও যায় তৃণমূল। পরে সেই বিষয়টি রাজ্য মন্ত্রিসভাও অনুমোদন দেয়। এখন ধূপগুড়ি মহকুমা হিসাব আত্মপ্রকাশ করা শুধুই সময়ের অপেক্ষা। সেটিও যাতে তাড়াতাড়ি হয় তার জন্য সম্প্রতি উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে প্রশাসনকে তৎপর হতে বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। আর এই সব দেখেই এখন চাঁচলের বাসিন্দারাও তাঁদের পুরসভা গঠনের দাবিকে আন্দোলন হিসাবে গড়ে তুলতে চাইছেন যাতে তাঁদের দাবি দ্রুত পূরণ হয়।

Advertisement
Tags :
Advertisement