For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

উত্তরবঙ্গ জুড়ে অতি ভারী বৃষ্টি হলেও দক্ষিণবঙ্গের কপালে জুটবে ছিঁটে ফোটা বর্ষণ, বাড়বে গরম

08:36 PM Jul 10, 2024 IST | Subrata Roy
উত্তরবঙ্গ জুড়ে অতি ভারী বৃষ্টি হলেও দক্ষিণবঙ্গের কপালে জুটবে ছিঁটে ফোটা বর্ষণ  বাড়বে গরম
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: উত্তরবঙ্গে ওপরের পাঁচটি জেলায় কখনো ভারী বৃষ্টি, কখনো অতি ভারী বৃষ্টি হবে আগামী সাতদিন। এমনকি জলপাইগুড়ি কোচবিহার কালিম্পং দার্জিলিং আলিপুরদুয়ার এর পাশাপাশি উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরেও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু দক্ষিণবঙ্গে ভারী কোন বৃষ্টিপাতের সেভাবে সম্ভাবনা তৈরি হয়নি। বুধবার আলিপুর আবহাওয়া দফতরের(Alipur Weather Office) পূর্বাঞ্চলের অধিকর্তা সোমনাথ দত্ত এই খবর জানান। তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগর(Bay Of Bengal) থেকে যে হাওয়া বইছে তাতে বৃষ্টি হওয়ার অনুকূলে কোন পরিস্থিতি নেই। ফলে বৃষ্টি হওয়ার মেঘ তৈরি হচ্ছে না দক্ষিণবঙ্গের আকাশে। উপরন্ত বর্ষাকালে তাপমাত্রা গড়ে ৩৫ থেকে ৩৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস এর আশেপাশে ঘোরাঘুরি করবে।

Advertisement

পশ্চিমের জেলা বাঁকুড়া ও পুরুলিয়াতেও তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রির কাছাকাছি থাকবে। উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কবার্তা যখন দেওয়া হচ্ছে সেই সময় দক্ষিণবঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বঙ্গের দু প্রান্তে দু'রকম আবহাওয়া চিত্র বদলায় কিনা সেদিকে নজর রয়েছে আবহাওয়াবিদদের। কিন্তু আপাতত তারা কলকাতা(Kolkata) সহ দক্ষিণবঙ্গের জন্য কোন বর্ষার ঝমঝমিয়ে বৃষ্টির বার্তা দিতে পারছেন না। এদিকে উত্তরবঙ্গে বিশেষত জলপাইগুড়ি কোচবিহার এইসব জেলায় লাগাতার বৃষ্টির দরুন সেখানকার নদীর জল রীতিমতো ফুঁসছে। ধুপগুড়ি আলিপুরদুয়ার জলপাইগুড়ির একাধিক ওয়ার্ড জলমগ্ন হয়ে গিয়েছে।

Advertisement

তিস্তা , তোর্শার জলস্তর স্বাভাবিক হলেও বুধবার থেকে নতুন করে একটানা বৃষ্টি শুরু হয় ফের বিপদ সীমার কাছাকাছি এইসব নদীর জল চলে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। প্রতিদিনই ভোরবেলা জলাধার থেকে এই একটানা বৃষ্টির দরুন জল ছাড়তে হচ্ছে বাঁধ কর্তৃপক্ষকে। সিকিম কালিম্পং - এ একাধিকবার পাহাড়ি রাস্তায় ধ্বস নেমেছে। পাহাড়ি নদীগুলিতে যখন তখন হড়পা বানের দরুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। উত্তরবঙ্গের নদীগুলি নিজেদের পরিচিত গতি মুখ পরিবর্তন করছে। বঙ্গের দু প্রান্তে দুরকম প্রকৃতির এই খামখেয়ালিপনায় প্রাকৃতিক ভারসাম্যহীনতা এবং দূষণকে দায়ী করছেন ভূ- বিজ্ঞানীরা।

Advertisement
Tags :
Advertisement