For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

দলে পদের লোভ দেখিয়ে দিনের পর দিন ধর্ষণ, আত্মঘাতী বিজেপি নেত্রী

সোনামুখীতে যে বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে দলেরই নেত্রীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে তিনি দলের বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার এক হেভিওয়েট নেতা।
10:21 AM Jan 28, 2024 IST | Koushik Dey Sarkar
দলে পদের লোভ দেখিয়ে দিনের পর দিন ধর্ষণ  আত্মঘাতী বিজেপি নেত্রী
Courtesy - Google
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: ন্যাকারজনক ঘটনা বঙ্গ বিজেপির(Bengal BJP) অন্দরে। দলেরই এক নেত্রীকে পদ প্রদানের লোভ দেখিয়ে দিনের পর দিন তাঁকে ধর্ষণ করে গিয়েছে এক বিজেপি নেতা। শেষে অপমানে আত্মঘাতী(Suiside) হয়েছেন সেই বিজেপি নেত্রী। এখন এই পদ্মশিবির এমনই এক দলে পরিণত হয়েছে যেখানে বিজেপির মহিলাকর্মীদের গায়ে সবান মাখিয়ে স্নান করানোর পাশাপাশি তাঁদের পদ প্রাপ্তির লোভ দেখিয়ে টানা দিনের পর দিন তাঁকে ধর্ষণ(Rape) করা হয়। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে বাঁকুড়া জেলার(Bankura District) সোনামুখীতে(Sonamukhi)। এর আগেও বঙ্গ বিজেপির একাধিক নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছেন দলেরই মহিলা কর্মী থেকে শুরু করে নেত্রীরা। এবার সেই সব অভিযোগের সঙ্গে আরও একটি অভিযোগ জুড়ে গেল।

Advertisement

জানা গিয়েছে, সোনামুখীতে যে বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে দলেরই নেত্রীকে পদ প্রদানের লোভ দেখিয়ে দিনের পর দিন ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে তিনি দলের বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার এক হেভিওয়েট নেতা। বাড়ি পাত্রসায়রের মজুরডাঙায়। তাঁর বিরুদ্ধে গত ২৪ জানুয়ারি আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ দায়ের করেছেন মৃতার স্বামী। খবর জানাজানি হতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। লোকসভা ভোটের আগে দলেরই এক নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় গেরুয়া শিবির চরম অস্বস্তিতে। দলের নেতারা কার্যত মুখ বাঁচিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। যদিও এখনও পলাতকই রয়েছেন অভিযুক্ত বিজেপি নেতা। মজার কথা এতবড় ঘটনা ঘটে গেলেও বিজেপির বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার নেতাদের দাবি, তাঁরা কেউ নাকি এই ব্যাপারে কিছুই জানেন না। মৃতার স্বামী জানিয়েছেন, ২০২২ সালের পুরভোটের সময় তাঁর স্ত্রী দলের প্রার্থীও হয়েছিলেন সোনামুখী পুরসভার একটি ওয়ার্ডে। তখনই ওই বিজেপি নেতার সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর পরিচয় হয়।

Advertisement

মৃতার স্বামী জানিয়েছেন, অভিযুক্ত বিজেপি নেতা দলের তরফে অন্যত্র পর্যবেক্ষকের দায়িত্বে রয়েছেন। তারপরও তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর জন্যই তিনি দলের শীর্ষ নেতাদের ম্যানেজ করে তাঁদের ওয়ার্ডের দায়িত্ব নেন। ওই সময় থেকেই তাঁর স্ত্রীকে দলের উঁচু পদে বসানোর লোভ দেখিয়ে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর চেষ্টা করেন অভিযুক্ত বিজেপি নেতা। তার জেরেই বিষ্ণুপুরে মিটিংয়ের নাম করে নিয়ে গিয়ে প্রায়শই ওই মহিলা বিজেপি নেত্রীকে ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত নেতা। মোবাইলে তোলা ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে দিনের পর দিন ধর্ষণ করা হয়। তখন গোটা বিষয়টি ওই নেত্রী তাঁর স্বামীকে জানানোর পাশাপাশি সোনামুখী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু তারপর ওই বিজেপি নেতা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। ফোনে ওই মহিলাকে কটূক্তিও করতে থাকেন। পুলিশের খাতায় পলাতক থাকলেও ফোনে ও মেসেজে লাগাতার কুৎসিত মন্তব্য করতে থাকায় ওই বিজেপি মনের দিক থেকে ভেঙে পড়েন। গত ২৩ জানুয়ারি তিনি বাড়িতেই আত্মঘাতী হন।

Advertisement
Tags :
Advertisement