For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

বাংলায় জোটের স্বার্থে অসমে আর মেঘালয়ে তৃণমূলকে আসন ছাড়তে রাজী কংগ্রেস

কংগ্রেসের তরফে ইঙ্গিত, অসমে ও মেঘালয়ে একটি করে লোকসভা কেন্দ্র তৃণমূলকে ছেড়ে দেওয়া হবে। যদিও তাতে মমতা রাজী হবেন কিনা তা নিয়েই থাকছে প্রশ্ন।
04:53 PM Feb 03, 2024 IST | Koushik Dey Sarkar
বাংলায় জোটের স্বার্থে অসমে আর মেঘালয়ে তৃণমূলকে আসন ছাড়তে রাজী কংগ্রেস
Courtesy - Twitter and Google
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: বঙ্গের বামেরা যতই চেষ্টা করুন না কেন, প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি যতই ব্যাগড়া দিন না কেন, বাংলার(Bengal) মাটিতে মমতার হাত ছাড়তে নারাজ কংগ্রেস(INC) হাইকম্যান্ড। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) যতই জানিয়ে দিন না কেন, ২৪’র ভোটে(General Election 2024) বাংলার মাটিতে তৃণমূল(TMC) একাই লড়বে, তবুও হাল ছাড়তে নারাজ সোনিয়া গান্ধি(Sonia Gandhi)-রাহুল গান্ধিরা(Rahul Gandhi)। বাংলায় যাতে তৃণমূলের সঙ্গে জোট হয় তার জন্য তাঁদের তরফে এবার ইঙ্গিত দেওয়া হল অসমে(Assam) ও মেঘালয়ে(Meghalaya) একটি করে লোকসভা কেন্দ্র তৃণমূলকে ছেড়ে দেওয়ার। যদিও তাতে চিঁড়ে ভিজবে কিনা তা নিয়ে বিস্তর প্রশ্ন আছে। তবে এটাও ঘটনা, গতকাল কলকাতার রেড রোডের ধর্না মঞ্চ থেকে মমতা কংগ্রেসকে যেভাবে নিশানা বানিয়েছেন, এদিন কিন্তু ততটা আক্রমণ করেননি। 

Advertisement

অসমে তৃণমূল আগে তাঁদের রাজনৈতিক কার্যকলাপ শুরু করেছে। সে রাজ্যের প্রয়াত বিশিষ্ট কংগ্রেস নেতা ও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সন্তোষমোহন দেবের মেয়ে সুস্নিতা দেব আগেই তৃণমূলে যোগদান করেছিলেন। মমতা তাঁকে দলের রাজ্যসভার সাংসদ করেও পাঠিয়েছেন। খুব সম্ভবত ২৪’র ভোটে মমতা তাঁকে শিলচর লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থীও করতে পারেন। তৃণমূল সেখানে প্রার্থী দিলে কংগ্রেসের পরাজয় যে নিশ্চিত সেটা বুঝেই এবার সেই কেন্দ্রটি তৃণমূলকে ছেড়ে দিতে চাইছে কংগ্রেস। পরিবর্তে তাঁদের দাবি বাংলার রায়গঞ্জ আসনটি। অসমে তৃণমূল এখনও সেভাবে কোনও বড় রাজনৈতিক সাফল্য পায়নি। সেই জায়গায় কংগ্রেসের সমর্থনে যদি সুস্মিতা বা তৃণমূল জেতে তাহলে লাভ জোড়াফুল শিবিরেরও। কেননা সেক্ষেত্রে তৃণমূল ফের সর্বভারতীয় দলের স্বীকৃতির জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানাতে পারবে।

Advertisement

অন্যদিকে মেঘালয়ে তৃণমূলের উপস্থিতি প্রধান বিরোধী দল হিসাবে। ১২জন বিধায়ক সেখানে রয়েছে তৃণমূলের। সেই হিসাবে তৃণমূল সে রাজ্যে প্রার্থীও দেবে। যদিও জয় অনিশ্চিত। আবার তৃণমূল সে রাজ্যের ২টি লোকসভা কেন্দ্রে প্রার্থী দিলে কংগ্রেসকেও মুখ থুবড়ে পড়তে হবে। মাঝখান থেকে লাভ হবে বিজেপির। তাই কংগ্রেস মেঘালয়েও একটি আসন তৃণমূলকে ছেড়ে দিতে চাইছে। তাতে লাভ দুই দলেরই। পরিবর্তে এ রাজ্যের বসিরহাট আসনটি চাইছে কংগ্রেস। যদিও এই প্রস্তাবে মমতা রাজী হবেন কিনা তা নিয়েও ঘোর সন্দেহ আছে।

এদিন মমতা রেড রোডের ধর্নামঞ্চ থেকে জানান, ‘বাংলা অন্য রাজ্যকে পথ দেখাবে। আমি অল আউট খেলব। সমস্ত রিজিওনাল পার্টি যদি এগিয়ে যায়, সব জাতীয় দল যদি এগিয়ে যায় তাহলে তাহলে বিজেপির সমস্যা। চিরকাল কেউ থাকে না। ওরা অনেক অত্যাচার করেছে। বিজেপি আর না। লড়াই তো হবেই। লড়াই তো চলবেই। খেলা তো হবেই।’ ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, মমতা এখানে ‘জাতীয় দল’ হিসাবে বাম ও কংগ্রেসকেই কার্যত বার্তা দিয়েছেন একগুঁয়ে মনোভাব ছেড়ে বাস্তবের মাটিতে দাঁড়িয়ে জোট গঠন করার জন্য। মমতা আগে থেকেই ঠিক করেছিলেন এ রাজ্যে কংগ্রেসকে তিনি ২টি আসন ছেড়ে দেবেন।

কিন্তু এতকম আসনে এ রাজ্যে তৃণমূলের সঙ্গে জোটে আপত্তি রয়েছে খোদ রাহুল গান্ধিরও। সেই জায়গা থেকে দাঁড়িয়ে কংগ্রেসের তরফে তৃণমূলকে যদি অসম ও মেঘালয়ে আসন ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয় তাহলে তৃণমূলনেত্রী নরম হলেও হতে পারেন বলে অনেকে মনে করছেন। যদিও তৃণমূলের অন্দরে দাবি, বসিরহাট তৃণমূলের জেতা আসন। কংগ্রেসের এ রাজ্যে একজনও বিধায়ক নেই। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে তাঁরা বসিরহাটের দাবি জানায় কীভাবে? আর রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে থাকা ৭টি বিধানসভার মধ্যে তৃণমূল একাই একুশের ভোটে ৫টা আসন জিতেছিল। তাই সেই আসনও বা তৃণমূল কেন কংগ্রেসকে ছাড়বে!

Advertisement
Tags :
Advertisement