For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

'বাবা পিয়ানো বাজিয়ে গান গাইতেন, আর তা শুনে তুলে নিত অনুপ': সত্যজিৎ-পুত্র

আমাদের তো পারিবারিক সম্পর্ক। ছোট থেকে আমাদের বাড়িতে আসা যাওয়া ছিল তাঁর। বাবা (সত্যজিৎ রায়) যখন ‘গুপি গাইন বাঘা বাইন’ তৈরি করছেন, সে সময় নতুন কণ্ঠ খুঁজছিলেন। তখন আমার মা-ই বলেছিলেন, বাড়ির ছেলে থাকতে অন্য কাউকে নেবে কেন? ওঁর মেয়েরাও আমাদের বাড়িতে যাতায়াত করত।
07:57 PM Dec 15, 2023 IST | Sushmitaa
 বাবা পিয়ানো বাজিয়ে গান গাইতেন  আর তা শুনে তুলে নিত অনুপ   সত্যজিৎ পুত্র
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: থেমে গেল সুর! আর কেউ গাইবে না 'ভূতের রাজা দিল বর', 'আহা কী আনন্দ আকাশে বাতাসে'। মারা গেলেন বাংলার বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী অনুপ ঘোষাল। তাঁর মৃত্যুতে কাঁদছে গোটা বাংলা। তাঁর অমূল্য স্মৃতিগুলি যেন কখনই যাবে না হারিয়ে। যতদিন মানুষের মনে যতদিন 'গুপি গাইন বাঘা বাঈন'-এর কদর্য থাকবে ততদিন অনুপ ঘোষালও আমাদের মধ্যে রয়ে যাবেন। তবে যার মগজ থেকে বেরিয়েছে এই সমস্ত ইউনিক প্রতিভাগুলি, তাঁকে কোনও মূল্যই দেয়নি ইন্ডাস্ট্রির লোকজন। মাঝে কয়েক বছর তিনি রাজনীতির সঙ্গেও জুড়ে গিয়েছিলেন। শেষ বয়সে উত্তরপাড়ার বিধায়ক হয়েছিলেন। তবে ইন্ডাস্ট্রিতে তিনি তেমন মর্যাদা না পেলেও রায় বাড়িতে নিত্য যাতায়াত ছিল অনুপ ঘোষালের।

Advertisement

ছোট থেকেই কিংবদন্তি পরিচালক সত্যজিৎ রায় এবং তাঁর স্ত্রী বিজয়া রায়ের প্রিয় পাত্র ছিলেন তিনি। আজ রায় পরিবার হারাল তাঁদের প্রিয় পাত্রকে। এ দিন দুপুর ১.৩০টা নাগাদ দক্ষিণ কলকাতার একটি হাসপাতালে মারা যান গায়ক। তাঁর মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ রায় পরিবার। সত্যজিৎ-পুত্র পরিচালক সন্দীপ রায় ছোট থেকেই অনুপ ঘোষালকে তাঁদের বাড়িতে দেখেছেন। তাই তাঁর বিষয়ে একটু বেশিই জ্ঞানী সন্দীপ রায়। এদিন একটি বেসরকারি সংবাদ মাধ্যমেকে সন্দীপ শিল্পীর বিষয়ে একাধিক তথ্য তুলে ধরলেন পরিচালক।

Advertisement

তাঁর কথায়, “আমাদের তো পারিবারিক সম্পর্ক। ছোট থেকে আমাদের বাড়িতে আসা যাওয়া ছিল তাঁর। বাবা (সত্যজিৎ রায়) যখন ‘গুপি গাইন বাঘা বাইন’ তৈরি করছেন, সে সময় নতুন কণ্ঠ খুঁজছিলেন। তখন আমার মা-ই বলেছিলেন, বাড়ির ছেলে থাকতে অন্য কাউকে নেবে কেন? ওঁর মেয়েরাও আমাদের বাড়িতে যাতায়াত করত। ‘হীরক রাজার দেশে’র জন্যে পিয়ানো বাজিয়ে গান গাইতেন বাবা। সেই গান সঙ্গে সঙ্গে তুলে নিতেন অনুপ।" না থেমে তিনি আরও বলেন, “উনি নজরুল বিশেষজ্ঞ ছিলেন। খুব আড্ডাবাজ মানুষ ছিলেন। নিজেই সব সময় যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করতেন। আমার সঙ্গে অনেক সময় কথা না হলেও পরিবারের সকলের সঙ্গে কথা হত। ওঁকে গান রেকর্ড করতেও দেখেছি। আর সে সময় গানের রেকর্ডিং মানে একেবারে অন্য রকম। ওঁর গান বাবার প্রিয় ছিল বলেই তো বার বার সেই কণ্ঠ শোনা গিয়েছে বাবার ছবিতে।” গায়কের শেষকৃত্যের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। শুধু সময়ের অপেক্ষা।

Advertisement
Tags :
Advertisement