For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

বাবাকে ঘরবন্দী করে প্রচারে ছেলে, ঈশাকে ঘিরে ক্ষোভ মালদার মাটিতে

খাস গণি খানের পরিবারের অন্দরের ঘটনাকে ঘিরে এখন শোরগোল পড়ে গিয়েছে মালদার রাজনীতিতে। ছেলের হাতে কলকাতায় ঘরববন্দী ডালু।
05:19 PM Mar 08, 2024 IST | Koushik Dey Sarkar
বাবাকে ঘরবন্দী করে প্রচারে ছেলে  ঈশাকে ঘিরে ক্ষোভ মালদার মাটিতে
Courtesy - Facebook and Google
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: সারা দেশে এখনও মালদার(Malda) পরিচিতি গণি খানের(A B A Gani Khan Chowdhury) জেলা হিসাবে। সেই জেলাতেই এখন মুখে মুখে ঘুরছে বড় অভিযোগ। এলাকাবাসীর দাবি, দক্ষিণ মালদা লোকসভা(South Malda Constituency) কেন্দ্রের কংগ্রেস সাংসদ(INC MP) আবু হাসেম খান চৌধুরী(Abu Hasem Khan Chowdhury) বা ডালুবাবুকে ঘরবন্দি করে তাঁর ছেলে ঈশা খান চৌধুরী(Isha Khan Chowdhury) নিজেকে ওই কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী হিসাবে তুলে ধরে প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। অথচ কংগ্রেস এখনও পর্যন্ত ওই কেন্দ্রের তো বটেই নিজেদের প্রথম দফার প্রার্থী তালিকাও প্রকাশ করেনি। স্বাভাবিক ভাবেই ঘটনাটি ভাল চোখে দেখছেন না মালদার বাসিন্দারা। একই সঙ্গে ক্ষোভ চড়ছে জেলা কংগ্রেসের অন্দরের পাশাপাশি ডালুর ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যেও। কেননা তাঁদের দাবি, ডালু নিজেই তাঁদের জানিয়েছেন যে, তিনিই দক্ষিণ মালদা কেন্দ্রে কংগ্রেসের প্রার্থী হতে চান। খাস গণি খানের পরিবারের অন্দরের এই ঘটনাকে ঘিরে এখন শোরগোল পড়ে গিয়েছে মালদার রাজনীতিতে।

Advertisement

ডালুর ঘনিষ্ঠজনদের অভিযোগ, কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা এখনও ঘোষণা হয়নি। কিন্তু প্রার্থী তালিকা প্রকাশের আগেই ঈশা প্রচার শুরু করে দিয়েছে দক্ষিণ মালদা লোকসভা কেন্দ্রে। ডালুবাবুকে ঘরবন্দি করে রেখে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। জোর করে প্রার্থী হচ্ছেন ঈশা। আর যদি সত্যি করেই ওই কেন্দ্রে ঈশা প্রার্থী হন তাহলে কোনওভাবেই কংগ্রেস এই কেন্দ্রে জিততে পারবে না। মালদার মাটিতে কংগ্রেস শেষ হয়ে যাবে। ডালুর ঘনিষ্ঠজনদের দাবি, ডালু তাঁদের আরও জানিয়েছেন, এটাই তাঁর শেষ নির্বাচন। ৫ বছর বাদে তিনি ঈশাকেই এগিয়ে দেবেন প্রার্থী হিসাবে। কিন্তু ঈশা সেই দাবি মানতে নারাজ। সেই কারণেই তাঁকে ঘরবন্দী করে রাখা হয়েছে। আর সেটাও মালদার মাটিতে নয়, কলকাতার বুকে। তাঁর সঙ্গে এখন আর কেউ কোনও ভাবেই যোগাযোগ করে উঠতে পারছেন না। ফোনে ডালুর সঙ্গে কাউকে দুটো কথা বলতেও দেওয়া হচ্ছে না।

Advertisement

ঈশা খান চৌধুরীর অবশ্য এই সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁদের দাবি, তাঁর ও ডালুর মধ্যে বিবাদ বাঁধিয়ে তৃতীয় কেউ কংগ্রেসের টিকিট পেতে চাইছে। সেই কারণেই এই সব কথা রটানো হচ্ছে। ঈশার বক্তব্য, ‘উনি শুধু আমার বাবা নন, উনি আমার লিডার, আমাদের জেলা সভাপতি, উনি যেভাবে গাইড করবেন সেভাবে আমরা চলব। উনি যদি বলেন, ঈশা তুমি দাঁড়াবে না আমি দাঁড়াব না। উনি দাঁড়াতে বললে দাঁড়াব। উনি আমার নাম প্রস্তাব দিয়েছেন। আমি তো প্রস্তাব দিইনি। বাবা ছেলে কিংবা লিডারের সঙ্গে ষড়যন্ত্র আবার কী থাকবে? মালদার যাঁরা রাজনীতি করেন সকলের নেতা ডালুবাবু।’ দেখার বিষয় কংগ্রেসের তরফে দক্ষিণ মালদা কেন্দ্রের জন্য কাকে প্রার্থী হিসাবে তুলে ধরা হয়।

Advertisement
Tags :
Advertisement