For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দৃষ্টিহীন ছাত্রীর মৃত্যুতে কাঠগড়ায় ২ ছাত্র

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দৃষ্টিহীন এক ছাত্রীর মৃত্যুতে কাঠগড়ায় বিশ্ববিদ্যালয়েরই ২ ছাত্র। তাদের একজন আবার গবেষক। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।
03:35 PM Jan 28, 2024 IST | Koushik Dey Sarkar
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দৃষ্টিহীন ছাত্রীর মৃত্যুতে কাঠগড়ায় ২ ছাত্র
Courtesy - Google
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার মালবাজার এলাকার এক দৃষ্টিহীন ছাত্রী(Blind Female Student) কলকাতার(Kolkata) যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে(Jadavpur University) পড়তে এসেছিল। কিন্তু মেয়েটির পরিবারের কানে পৌঁছেছিল যে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্র জোর করে তাকে মাদকের নেশায়(Drug Addiction) জড়ানোর চেষ্টা করেছিল। গত কয়েক মাস ধরে মেয়ের আচরণে অসঙ্গতি লক্ষ্য করছিলেন ছাত্রীর বাবা-মাও। এরই মধ্যে গত বছর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। তার ফলে তাঁরা আরও আতঙ্কিত হয়ে ওঠেন। মেয়ে মাদকের নেশায় জড়িয়ে পড়েছে সেই আশঙ্কায় তাঁরা তাকে বাড়ি নিয়ে যান। শিলিগুড়িতেই মনোবিদের পরামর্শ নেন। এমনকী পরীক্ষার সময় ছাত্রীর সঙ্গে যাদবপুরে যেতেন তার মা। কিন্তু গত ১৮ জানুয়ারি অস্বাভাবিক মৃত্যু হয় ওই দৃষ্টিহীন ছাত্রীর। মালবাজারে দাদুর বাড়িতে মৃত অবস্থায় ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। সেই ঘটনায় এবার অভিযোগের আঙুল উঠেছে ওই ২ ছাত্রের(Students) বিরুদ্ধে। মৃত ছাত্রীর নাম রেনেসাঁ দাস। অপরদিকে যে ২ ছাত্রের বিরুদ্ধে তাকে মাদকে নেশায় জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে তাদের একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র ছাত্র এবং অপরজন গবেষক(Researcher)।  

Advertisement

জানা গিয়েছে, ছোট থেকে রেনেসাঁ দাদুর বাড়িতে মানুষ হয়েছে। সেখান থেকেই মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে। শুধু তাই নয় গোটা রাজ্যে দৃষ্টিহীনদের মধ্যে উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম হয়েছিল রেনেসাঁ। তারপরে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিও হয়েছিল। সেখানে দৃষ্টিহীন ছাত্রীদের হস্টেলে থাকতো রেনেসাঁ। এখন রেনেসাঁর বাবা বিশ্বজিৎ দাসের বক্তব্য, ওই দুই ছাত্রের জন্যই তাঁর মেয়ে আত্মঘাতী হয়েছে। সেই মর্মে তিনি ওই দুইজনের বিরুদ্ধে মাল থানা এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এবং উপাচার্যের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, ওই দুই ছাত্র জোর করে রেনেসাঁকে মাদকের নেশায় জড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন। তা নিয়ে অবসাদে ছিলেন রেনেসাঁ। তার জেরেই পরে সে দাদুর বাড়িতে আত্মহত্যা করে। রেনেসাঁর মৃত্যুর আগেও এক অভিযুক্ত ফোন করেছিলে তাকে। মাল থানার পুলিশ জানিয়েছে, ইতিমধ্যে তাঁরা এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করে দিয়েছেন। যদিও এখনও গ্রেফতারির কোনও ঘটনা ঘটেনি। তবে ঘটনার জেরে আরও একবার বিতর্কে নাম জড়ালো যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়।

Advertisement

Advertisement
Tags :
Advertisement