For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

'কৃষকদের জেলে ঢোকানো ভুল', কেন্দ্রের প্রস্তাব খারিজ আপ সরকারের

11:42 AM Feb 13, 2024 IST | Srijita Mallick
 কৃষকদের জেলে ঢোকানো ভুল   কেন্দ্রের প্রস্তাব খারিজ আপ সরকারের
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ হাজার হাজার কৃষকরা ‘দিল্লি চলো’ ডাক দিয়েছে। আর তাতেই চাপে পড়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেই কারণেই বিক্ষোভরত কৃষকদের আটক করার জন্য স্টেডিয়ামকে অস্থায়ী কারাগারে পরিণত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এবার কেন্দ্রের সেই সিদ্ধান্তকে বরখাস্ত করল আম আদমি পার্টি ( আপ ) সরকার।  

Advertisement

অরবিন্দ কেজরিওয়াল সরকার বলেছে যে,’ কৃষকদের দাবি ন্যায্য।  প্রতিটি নাগরিকের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করার অধিকার রয়েছে। তাই কৃষকদের গ্রেফতার করা ঠিক নয়।‘ অন্যদিকে দিল্লির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৈলাস গেহলট বলেছেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত কৃষকদের সঙ্গে  আলোচনার জন্য আমন্ত্রণ জানানো  । তাদের প্রকৃত সমস্যার সমাধান খোঁজার চেষ্টা করা। দেশের কৃষকরা আমাদের 'অন্নদাতা' এবং তাদের গ্রেপ্তার উচিত নয় ।‘

Advertisement

বিক্ষোভকারীরা যাতে অন্য জেলা থেকে হরিয়ানায় ঢুকতে না পারে, সেজন্য অতিরিক্ত ৫০ কোম্পানি পুলিশ মোতায়েন করেছে সেই দেশের সরকার। হরিয়ানা সরকার ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার কথা জানিয়ে ইতিমধ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। কৃষক অভিযানকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও অশান্তি না ছড়িয়ে পড়ে, সেজন্য কুরুক্ষেত্র, কইথাল, জিন্দ, হিসার, সিরসা জেলায় মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত মোবাইলের ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হরিয়ানা। পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশ সীমান্তে কৃষকরা যাতে জমায়েত করতে না পারে, সেজন্য কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। শুধু তাই নয় রাজধানী দিল্লি জুড়ে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা। আগামী ১২ মার্চ পর্যন্ত জারি থাকবে এই ১৪৪ ধারা।

ইতিমধ্যে কৃষক সংগঠনের প্রায় ২০০টি বেশি ইউনিয়ন দিল্লি অভিযান শুরু করেছে। শস্যের ওপর ন্যূনতম সহায়ক মূল্য সুনিশ্চিত করতে আইন আনার দাবি জানিয়েছে কৃযকরা। পাশাপাশি স্বামীনাথন কমিশন যে সব প্রস্তাব দিয়েছে, তা কার্যকর করারও দাবি জানিয়েছে তাঁরা। সেইসঙ্গে লখিমপুর খেরিতে যে মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছিল, তার সুবিচারও দাবি তুলেছে তাঁরা। কেন্দ্রীয় কৃষি প্রতিমন্ত্রী অর্জুন মুণ্ডা, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযুষ গোয়েল কৃষকদের সঙ্গে দেখা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। কৃষকদের সঙ্গে বৈঠক করে আদৌ কি সমাধানসূত্র বেরোবে, এখন সেটাই দেখার। উল্লেখ্য, এর আগেও কৃষকদের আন্দোলনের জেরে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল রাজধানী দিল্লি। কৃষকদের আন্দোলনের জেরে চাপে পডে যায় কেন্দ্রীয় সরকার। ফের আরও এক একবার কৃষক আন্দেলনের সূত্রপাত হতে চলেছে রাজধানীর বুকে।

Advertisement
Tags :
Advertisement