For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

শুভেন্দুর জন্যই দিলীপের দুর্দশা, দাবি তৃণমূল সাংসদ অরূপ চক্রবর্তীর

শুভেন্দুর জন্যই দিলীপের এই দুর্দশা। শুভেন্দু যতদিন বিজেপিতে থাকবেন, ততদিন বঙ্গ বিজেপির এই হাল চলবে বলেই দাবি অরূপের।
05:56 PM Jul 05, 2024 IST | Koushik Dey Sarkar
শুভেন্দুর জন্যই দিলীপের দুর্দশা  দাবি তৃণমূল সাংসদ অরূপ চক্রবর্তীর
Courtesy- Facebook and Google
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: শুক্র সকালেই মুখ খুলেছেন দিলীপ ঘোষ(Dilip Ghosh)। নিজের ক্ষোভ অনেকটাই তিনি উগরে দিয়েছেন সেখানে। এমনকি প্রয়োজনে তিনি যে এবার রাজনীতিকেও ‘টা টা বাই বাই’ করে দিতে পারেন সেটাও জানিয়ে দিয়েছেন। তাঁর অনুগামীদেরও মধ্যে তীব্র জল্পনা ছড়িয়েছে হয়তো খুব শীঘ্রই বিজেপি(BJP) ছাড়তে চলেছেন দিলীপ। হয়তো তিনি নিজে কোনও হিন্দুত্ববাদী সংগঠন গড়ে তুলবেন বাংলায় যারা আগামী দিনে রাজ্য রাজনীতিতে অবতীর্ণ হবে এবং ভোট যুদ্ধেও লড়াই করবে। সেই আবহেই এবার দিলীপের এই পরিস্থিতির জন্য রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে(Suvendu Adhikari) কাঠগড়ায় তুললেন বাঁকুড়া লোকসভা থেকে নির্বাচিত তৃণমূল সাংসদ(TMC MP) অরূপ চক্রবর্তী(Arup Chakrabarty)। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দুর জন্যই দিলীপের এই দুর্দশা। শুভেন্দু যতদিন বিজেপিতে থাকবেন, ততদিন বঙ্গ বিজেপির এই হাল চলবে বলেই দাবি অরূপের।

Advertisement

এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে দিলীপ বঙ্গ বিজেপির সফলতম সভাপতি। তাঁর আমলেই বঙ্গ বিজেপি বাংলার মাটিতে সর্বোচ্চ সাংসদ সংখ্যার মুখ দেখেছে। ১৮জন, সেই জয় এসেছিল ২০১৯’র লোকসভা নির্বাচনে। দিলীপের হাত ধরেই বাংলার বিধানসভায় সব থেকে বেশি সংখ্যক বিধায়ক পা রাখতে পেরেছেন। ৭৭জন, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে সেই সাফল্য এসেছে। কিন্তু তারপরে পরেই দিলীপকে সরিয়ে দেওয়া হয় বঙ্গ বিজেপির সভাপতি পদ থেকে। কিন্তু এটাও সত্য, দিলীপের সাফল্যকে আর কোনও বিজেপি নেতাই ছাপিয়ে যেতে পারেননি। সেই দিলীপকেই কিনা চূড়ান্ত হেনস্থা ও অপমান করে চলেছে পদ্মশিবির। দীর্ঘদিন তাঁকে পদহীন করে রাখা হয়েছে। লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে তাঁর জেতা কেন্দ্র থেকেই লড়তে দেওয়া হয়নি। মধ্য কলকাতায় বিজেপির পুরাতন রাজ্য কার্যালয়ে তাঁর ঘরটিও ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁকে ডাকা হয়না দলের সব বৈঠকেও। আর তাই প্রশ্ন উঠেছে, আর কত অপমান সহ্য করবেন বঙ্গ বিজেপির সফলতম প্রাক্তন সভাপতি।

Advertisement

এদিন সেই দিলীপ সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের কাছে কিছুটা অভিমানের সুরেই জানিয়েছেন, ‘পার্টি থেকে তো কেউ খোঁজই নেয় না। কী পরিচয় বোঝা যাচ্ছে না। সব কার্যকর্তা আমাকে জিজ্ঞেস করছে কী করব, আমি বলতে পারছি না। কেউ দেখা করে না, কেউ কথা শোনে না। কারও কাছে সময় নেই কথা বলার। নিজেরা দেখা করবেন না, আমি দেখা করলেও কষ্ট, নেতৃত্বের সমস্যা! কী আর করা যাবে! কর্মীদের কাছে তো আমি নিজেই যাচ্ছি। এই অবস্থায় দিলীপের হয়ে কিছুটা হলেও ব্যাট ধরলেন বাঁকুড়ার তৃণমূল সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী। তিনি জানিয়েছেন, ‘বাংলায় একটা প্রবাদ আছে পরের ছেলে পরমানন্দ, যত উচ্ছন্নে যায় তত আনন্দ। বিজেপির অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে আমাদের বিশেষ কিছু বলার নেই। তবে দিলীপ ঘোষ একজন লড়াকু নেতা। তাঁর নেতৃত্বেই ৭৭ বিধায়কের দল হয়েছিল বিজেপি। ২ সাংসদ থেকে ১৮ সাংসদ হয়েছিল বাংলায়। সেই দিলীপ ঘোষকেই এখন জেতা সিট থেকে সরিয়ে অন্য জায়গায় পাঠিয়ে দিয়েছিল। এটা পুরোটাই ওদের দলীয় কোন্দল। আর তাঁর জন্য যদি কেউ দায়ী হয়ে থাকে সেটা শুভেন্দু অধিকারী। ও যতদিন সংগঠনের দায়িত্বে থাকবেন ততদিন দিলীপ ঘোষের মতো মানুষেরা সংগঠন থেকে আরও দূরে চলে যাবে।’

Advertisement
Tags :
Advertisement