For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

রেফারির সৌজন্যে জার্মানিকে হারিয়ে সেমিফাইনালে স্পেন

12:11 AM Jul 06, 2024 IST | Sundeep
রেফারির সৌজন্যে জার্মানিকে হারিয়ে সেমিফাইনালে স্পেন
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: বার বার বদলাল ম্যাচের রং। তবে শেষ লগ্নে মিখেল মেরিনোর গোলে শেষ হাসি হাসল স্প্যানিশরা। শুক্রবার রাতে স্টুটগার্ট অ্যারিনায় আয়োজক জার্মানিকে ২-১ গোলে হারিয়ে ইউরো কাপের শেষ চারের টিকিট জোগাড় করে নিলেন দানি ড্যানি ওলমোরা।

Advertisement

এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তোলে স্পেন। সেই ঝড় সামলাতে নিজেদের মধ্যে বেশি সংখ্যক পাস খেলে খেলার গতি খানিকটা মন্থর করে দেয় জার্মানি। তবে তা বেশিক্ষণের জন্য নয়। ম্যাচের আট মিনিটে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয় স্পেনের পেদ্রিকে। দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলায় জমে উঠেছিল ম্যাচ। প্রথম দিকে স্পেন বেশ কয়েকটি আক্রমণ শানিয়ে জার্মান রক্ষণের পরীক্ষা নিয়েছিল। ২০ মিনিটের পরে স্পেনের রক্ষণে পাল্টা হামলা চালাতে থাকে জার্মানিও। ২১ মিনিটে জসুয়া কিমিখের ক্রস থেকে স্পেনের গোল লক্ষ্য করে হেড করেছিলেন কাই হাভার্তজ। তবে তা বাঁচাতে বেশি বেগ পেতে হয়নি স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমোনকে।  ৪০ মিনিটের মাথায় ওলমোর শট বাঁচান জার্মানির গোলরক্ষক ম্যানুয়েল ন্যুয়ের। গোলশূন্য অবস্থায় প্রথমার্ধের খেলা শেষ হয়।

Advertisement

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোলের সহজ সুযোগ পেয়েছিলেন স্পেনের অধিনায়ক আলভারো মোরাতা। লামিনে ইয়ামালের বাড়ানো পাস থেকে ন্যুয়ারকে একা পেয়েও গোল করতে পারেননি। ৫১ মিনিটের মাথায় ডান প্রান্ত ধরে উঠে বক্সে পাস বাড়ান ইয়ামাল। ডান পায়ের শটে জার্মানির জাল কাঁপিয়ে স্পেনকে ১-০ গোলে এগিয়ে দেন ওলমো। গোল খাওযার পরেই খোঁচা খাওয়া বাঘের মতো আক্রমণ শুরু করে জার্মানরা। মুহুর্মুহু আক্রমণে স্পেনের ডি বক্সে ঝড় তুলতে থাকেন নিকোলাস ফুলক্রুগ-জামাল মুসিয়ালা-ফ্লোরিয়ান উইর্ৎজরা। ৬৪ মিনিটে বদলি হিসেবে নামা ফুলক্রুগের হেড গোল পোস্টের সামান্য উপর দিয়ে চলে যায়। ৭০ মিনিটে জার্মানির আনদ্রিখের দারুণ শট উনাই সিমোন রুখে দেন। ৭৭ মিনিটে ফুলগ্রুগের ডান পায়ের শট পোস্টে লেগে প্রতিহত হয়। ৮১ মিনিটে জামাল মুসিয়ালা ডি বক্সে বল নিয়ে ঢুকলেও পোস্টের বাইরে শট মারেন। ৮৯ মিনিটে লাগাতার আক্রমণের ফল পায় জার্মানি। লাগাতার আক্রমণের ফল পায় জার্মানি। মিটেলস্টাডের ক্রস হেডে নামিয়ে দেন হাভার্ৎজ। চলতি বলে ডান পায়ের শটে গোল করেন উইর্ৎজ। পোস্টে লেগে বল জালে জড়িয়ে যায়। খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।

দুই দলই অতিরিক্ত সময়ে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। তবে স্পেনের চেয়ে জার্মানির আক্রমণ ছিল বেশি। ১০৪ মিনিটে স্পেনের ওয়ারজাবালের বাঁ পায়ের বাঁকানো শট অল্টপের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ১০৫ মিনিটে উইর্ৎজের ডিবক্সের ভিতর থেকে নেওয়া শট গোল পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়।অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধেও চলে আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণ। ১০৬ মিনিটে জামাল মুসিয়ালার শট কুকুরেল্লার হাতে লাগলেও রেফারি পেনাল্টি দেননি। ১১৫ মিনিটের মাথায় কিমিকের শট ভাল বাঁচান সিমোন। ১১৮ মিনিটের মাথায় ওলমোর ক্রস থেকে দারুণ হেডে গোল করে দলকে ২-১ ব্যবধানের অবিস্মরণীয় এক জয় এনে দেন তিনি মিখেল মেরিনো।

Advertisement
Tags :
Advertisement