For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

ঘুমন্ত পুত্রবধূকে খুন করে গ্রেফতার শ্বশুর, নেপথ্যে কী পরকিয়া, উঠছে প্রশ্ন

পুলিশের ধারনা ছেলের অগোচরে পুত্রবধূর পরকিয়া করে বেড়াচ্ছে। এই ঘটনা মেনে নিতে না পেরে ঘুমন্ত পুত্রবধূকে খুন করেছেন শ্বশুর।
03:24 PM Jul 06, 2024 IST | Koushik Dey Sarkar
ঘুমন্ত পুত্রবধূকে খুন করে গ্রেফতার শ্বশুর  নেপথ্যে কী পরকিয়া  উঠছে প্রশ্ন
Courtesy - Google
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: নিজের ছেলের বউকে কাটারি দিয়ে কুপিয়ে খুন করে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলেন শ্বশুর। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে হুগলি জেলার(Hooghly District) চন্দননগর মহকুমার ভদ্রেশ্বর(Bhadreshwar) পুরসভার পালপাড়া এলাকায়। প্রাথমিক ভাবে পুলিশের ধারনা ছেলের অগোচরে পুত্রবধূর(Daughter in Law) পরকিয়া করে বেড়াচ্ছে। এই ঘটনা মেনে নিতে পারেননি শ্বশুর(Father in Law)। সেই কারণেই ঘুমন্ত পুত্রবধূকে কাটারি দিয়ে কুপিয়ে কুপিয়ে খুন(Murder) করেছেন শ্বশুর। জানা গিয়েছে, মৃতার নাম মিঠু মিত্র(২৯)। অভিযোগ, মিঠুর স্বামী নীলাংশু মিত্র এদিন সকাল সকাল বাজারে বেরিয়েছিলেন। সেই সময় ঘরে ঢুকে বৌমাকে কুপিয়ে খুন করেন শ্বশুর হিমাংশু মিত্র। খুনের সময় পাশের ঘরে ঘুমিয়ে ছিল মিঠুর ১০ বছরের মেয়ে। আচমকা তার চিৎকারেই প্রতিবেশীরা ছুটে যান মিত্র-বাড়িতে। তাঁরা রক্তাক্ত অবস্থায় ওই বধূকে উদ্ধার করে চন্দননগর হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অন্য দিকে, অভিযুক্তকেও হাতেনাতে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

মৃতার মা নমিতা দাস এদিন জানিয়েছেন, ‘রাতেও মেয়ের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে। কিন্তু কী থেকে কী হল কিচ্ছু বুঝতে পারছি না। কিন্তু আমার মেয়েকে খুন করা হয়েছে। কেন মারা হল, জানি না।’ প্রতিবেশীদের দাবি, ‘আগে থেকে দরজা বন্ধ করে মেয়েটাকে কোপানো হয়। বাচ্চা মেয়ের কান্না শুনে আমরা ছুটে আসি। হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে জানায়। দোষীর কঠোরতম শাস্তি চাই।’ স্থানীয় বাসিন্দাদের অনুমান, পারিবারিক অশান্তির কারণে এমনটা করে থাকতে পারেন হিমাংশু। কেননা শ্বশুরের সঙ্গে বিশেষ সুসম্পর্ক ছিল না মিঠুর। তবে প্রতিবেশীরা এটাও জানিয়েছেন মিঠুর দাম্পত্য জীবনে কোনও অশান্তি দানা বেঁধেছে সেটা তাঁরা বুঝতে পারেননি। কেননা তাঁরা কখনও ঝগড়াঝাঁটি শোনেনি। তবে সাংসারিক অশান্তি থাকতে পারে। ঘটনার পরে পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ইমামবাড়া হাসপাতালে পাঠায়। সেই সঙ্গে অভিযুক্ত ও পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদও শুরু করেছে।

Advertisement

গ্রেফতার হওয়ার পরেও অবশ্য বেশ নিরুত্তাপ ছিলেন হিমাংশু মিত্র। তিনি খালি একটি কথা পুলিশ আসার আগে বার বার আউড়ে গিয়েছেন, ‘যা করেছি ছেলের ভালর জন্য করেছি।’ আর এখানেই তদন্তকারীদের ধারনা মৃতা সম্ভবত কোনও পরকিয়ায়া জড়িয়ে পড়েছিলেন যা জানতে পেরে গিয়েছিলেন হিমাংশু। সেই জায়গা থেকেই রাগের জেরে এই সিদ্ধান্ত। যদিও পাড়া প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, মিঠু খুব মিশুকে ছিলেন। তাই পরকিয়ায় জড়ালে তার আঁচও মিলতো। কিন্তু সেভাবে তাঁরা কিছু জানতে পারেননি। তবে হিমাংশু বরাবরই চুপচাপ স্বভাবের। তাই ঠিক কোন উদ্দেশ্য নিয়ে খুন করেছেন তা সহজগম্য নয়। পুলিশ ইতিমধ্যেই গ্রেফতার(Arrested) করেছে হিমাংশুকে। তাকে আগামিকাল চন্দননগর মহকুমা আদালতে তোলা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। 

Advertisement
Tags :
Advertisement