For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

বিজেপিকে হারাবার ডাক দিল বাংলা পক্ষের গর্গ, নেপথ্যে Delimitation

লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে হারাবার ডাক দিয়ে ট্যুইট ‘বাংলা পক্ষ’র সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায়ের। নেপথ্যে ২০২৬'র Delimitation।
05:54 PM Mar 18, 2024 IST | Koushik Dey Sarkar
বিজেপিকে হারাবার ডাক দিল বাংলা পক্ষের গর্গ  নেপথ্যে delimitation
Courtesy - Facebook and Twitter
Advertisement

কৌশিক দে সরকার: লোকসভা নির্বাচনে(General Election 2024) বিজেপিকে(BJP) হারাবার ডাক দিয়ে ট্যুইট করলেন এ রাজ্যের অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বাংলা পক্ষ’র(Bangla Pokkho) সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায়(Garga Chatterjee)। এদিন তিনি একটি সংক্ষিপ্ত ট্যুইট করে কার্যত জানিয়ে দেন, বিজেপি চেষ্টা করছে ২০২৬ সালের লোকসভার আসন সংখ্যার Delimitation এমন ভাবে করতে চাইছে যাতে আগামী দিনে জাতীয় স্তরের রাজনীতিতে অ-হিন্দি ভাষী রাজ্যগুলির প্রভাব খর্ব হয়। সেই লক্ষ্যে বিজেপি যদি সফল হয় তাহলে জাতীয় স্তরের রাজনীতিতে শুধু যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাই ভেঙে পড়বে তাই নয়, কার্যত হিন্দি ভাষীদের দাপট প্রতিষ্ঠিত হবে। আর তাই তিনি ২৪’র ভোটযুদ্ধে বিজেপিকে সরাসরি হারাবার আবেদন জানালেন আমজনতাকে। এদিন তিনি নিজের ট্যুইটে লেখেন, ‘দেশের যে সব অ-হিন্দি ভাষী রাজ্য জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে তাঁরা তাঁদের লোকসভার আসনের অনুপাত হারিয়ে ফেলবে যদি লোকসভায় আসন পুনর্নির্ধারণ পদ্ধতি বা Delimitation ২০২৬ সালে বাস্তবায়িত হয়। যা ১৯৭১ সাল থেকে ঘটেনি সেটাই হবে তখন। কেননা যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার তীব্র বিরোধী ও হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী বিজেপি এই Delimitation-কে সমর্থন করছে। তাই সকল অ-হিন্দি ভাষী রাজ্যের উচিত হবে বিজেপিকে হারানো।’

Advertisement

গর্গ তাঁর নিজের ট্যুইটে এই দাবির স্বপক্ষে দুটি ছবি তুলে ধরেন যা দেশের বিভিন্ন রাজ্যের বর্তমান লোকসভা আসন এবং Delimitation’র পরে সেই আসন কত হতে পারে তা তুলে ধরছে। সেখানেই দেখানো হয়েছে, বিজেপির পরিকল্পনা, জনসংখ্যার মোট অংশকে তুলে ধরে দেশের রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত এলাকাগুলির লোকসভার আসন কমানো বা বাড়নোর। সেক্ষেত্রে একধাক্কায় উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যে ৮০টি লোকসভা কেন্দ্রের জায়গায় আসন সংখ্যা দাঁড়াবে ১৪৩। ৪০টি লোকসভা কেন্দ্রের বিহার পাবে ৭৯টি লোকসভা কেন্দ্র। রাজস্থানের ২৫টি লোকসভা কেন্দ্র দ্বিগুণ হয়ে ৫০ হবে। গুজরাতের আসন সংখ্যা ২৬ থেকে বেড়ে হবে ৪৩। ঝাড়খন্ডের আসন সংখ্যা ১৪ থেকে বেড়ে হবে ২৪। মধ্যপ্রদেশের আসন সংখ্যা ২৯ থেকে বেড়ে হবে ৫২। ছত্তিশগড়ের আসন সংখ্যা বেড়ে ১১ থেকে হবে ১৯। অসমের আসন সংখ্যা ১৪ থেকে বেড়ে হবে ২১। কার্যত গর্গ আদতে বোঝাতে চেয়েছেন, এমন ভাবে আসন সংখ্যার পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে যাতে বিজেপি প্রভাবিত এবং উনিশের ভোটে বিজেপি লাভবান হয়েছে এমন রাজ্যগুলিতে আসন বেড়ে যাবে হু হু করে।

Advertisement

আবার একই সঙ্গে তিনি অপর একটি ছবির মাধ্যমে এটাও দেখিয়েছেন যে, বিজেপি যদি লোকসভার মোট আসন সংখ্যা এক রেখে রাজ্য ভিত্তিক আসন সংখ্যা পুনর্নির্ধারণ করে তাহলেও দেখা যাচ্ছে, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা ও ঝাড়খন্ডে আসন সংখ্যা বাড়নে এবং পঞ্জাব, পশ্চিমবঙ্গ, তেলেঙ্গানা, কর্ণাটক, ওরুণাচল প্রদেশ, গোয়া, মণিপুর, মেঘালয়, ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, কেরল ও তামিলনাড়ুর মতো অ-হিন্দি ভাষী রাজ্যগুলির আসন সংখ্যা কমে যাবে। এই ষড়যন্ত্র ঠেকানোর একটাই রাস্তা। আর তা হল দেশের এই সব অ-হিন্দি ভাষী রাজ্যগুলি যেন ২৪’র ভোটে বিজেপিকে হারিয়ে তাঁদের Delimitation’র ষড়যন্ত্রকে বানচাল করে দেয়।

Advertisement
Tags :
Advertisement