For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

দিল্লি থেকে গ্রেফতার উত্তরাখণ্ডের হলদোয়ানি ঘটনার ‘মাস্টারমাইন্ড’

05:33 PM Feb 11, 2024 IST | Srijita Mallick
দিল্লি থেকে গ্রেফতার উত্তরাখণ্ডের হলদোয়ানি ঘটনার ‘মাস্টারমাইন্ড’
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ মসজিদ সংলগ্ন মাদ্রাসা বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে উত্তরাখণ্ডের হলদোয়ানি। রবিবার হিংসার 'মাস্টারমাইন্ড' আবদুল মালিককে গ্রেফতার করল উত্তরাখণ্ড পুলিশ। গত ৯ ই ফেব্রুয়ারি এই ঘটনার হলদোয়ানি ঘটনার পর থেকেই নিখোঁজ ছিল অভিযুক্ত। তাঁকে রবিবার দিল্লি থেকে গ্রেফতার করে উত্তরাখণ্ডের পুলিশ।

Advertisement

পুলিশ আধিকারিকরা জানিয়েছেন,’  শহরের মুসলিম অধ্যুষিত বানভুলপুরা এলাকায় হিংসার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৬০ জনকে আটক করা হয়েছে। চারদিন বন্ধ থাকার পর শহরে ইন্টারনেট পরিষেবা ফের চালু করা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ উস্কানিমূলক পোস্ট, ছবি, মন্তব্য বা ভিডিও পোস্ট করলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাজ্য পুলিশ। বর্তমানে হিংসার কেন্দ্রস্থল বনভুলপুরা এলাকা বাদে গোটা শহর থেকে কারফিউ তুলে নেওয়া হয়েছে।‘ তবে রবিবার শহরের কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি । যদিও বনভুলার পাশাপাশি অন্যান্য স্পর্শকাতর জায়গায় নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন রয়েছে।

Advertisement

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, হলদোয়ানির মালিকা বাগ এলাকার একটি মসজিদ সংলগ্ন চত্বরে অবৈধভাবে খোলা হয়েছিল মাদ্রাসা। বৃহস্পতিবার ওই অবৈধ মাদ্রাসা ভাঙতে বুলডোজার নিয়ে হাজির হয় স্থানীয় প্রশাসনিক আধিকারিকরা। মাদ্রাসা ভাঙার খবর পেয়েই ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মাদ্রাসা গুঁড়িয়ে দেওয়ার কাজে বাধা দেন তাঁরা। পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের বচসা শুরু হয়ে যায়। পুলিশ উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করলে পরিস্থিতি আরও বিগড়ে যায়। পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

 এমনকি পুলিশের গাড়িতেও ভাঙচুর চালান।পরিস্থিতি মোকাবিলায় আশেপাশের থানা থেকে প্রচুর পরিমাণ পুলিশ কর্মী নিয়ে আসা হয়। জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে প্রথমে কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়। তাতেও অবস্থা নিয়ন্ত্রণে না আসায় পুলিশ শূন্যে গুলিও চালায়। যদিও তাতে খুব একটা লাভ হয়নি। দফায় দফায় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষুব্ধ জনতার সংঘর্ষ হয়।

উল্লেখ্য, শনিবার হিংসার ঘটনায় ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। কমিশনার দীপক রাওয়াত এই হিংসার তদন্ত করবেন। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সরকারের কাছে এই ঘটনার রিপোর্ট পেশ করবেন কমিশনার।

Advertisement
Tags :
Advertisement