For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

মহিলা গ্রাহকের ১৬ কোটি টাকা হাতানোর দায়ে সাসপেন্ড ICICI ব্যাঙ্কের ম্যানেজার

04:20 PM Feb 26, 2024 IST | Sundeep
মহিলা গ্রাহকের ১৬ কোটি টাকা হাতানোর দায়ে সাসপেন্ড icici ব্যাঙ্কের ম্যানেজার
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি, মুম্বই: উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা ভেবে দেশ ছেড়ে মার্কিন মুলুকে পাড়ি জমিয়েছিলেন মুম্বইয়ের বাসিন্দা শ্বেতা শর্মা। বেশ কয়েক বছর মার্কিন মুলুকে চাকরি করার পরে ২০১৬ সালে ফিরেছিলেন দেশে। জীবনের সব সঞ্চয় বিশ্বাস করে রেখেছিলেন বেসরকারি আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কে। কিন্তু ভাবতে পারেননি একদিন ব্যাঙ্কের আধিকারিকের লোভে সর্বস্বান্ত হবেন। প্রায় ১৬ কোটি টাকা খুঁইয়ে কার্যত পথে বসেছেন শ্বেতা দেবী। ইতিমধ্যেই অভিযোগ পেয়ে নড়েচড়ে বসেছে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অভিযুক্ত শাখা ম্যানেজারকে সাসপেন্ড করেছে। পাশাপাশি ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, গ্রাহকদের স্বার্থ সুরক্ষাকেই সবসময়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগকারিণীর অ্যাকাউন্টে  ৯ কোটি ২৭ লক্ষ টাকা জমা করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।'  

Advertisement

তাহলে ঘটনাটি খুলেই বলা যাক। ২০১৬ সালে দেশে ফেরার পরে দিল্লির গুরুগ্রামের আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কের শাখায় অনাবাসী ভারতীয় (এনআরই) অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন শ্বেতাদেবী। ওই এনআরআই অ্যাকাউন্টেই ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বেশ কয়েক দফায় প্রায় সাড়ে ১৩ কোটি টাকা জমা করেছিলেন। যা সুদে-আসলে বেড়ে ১৬ কোটি টাকা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গত মাসে চড়া সুদের আশায় ব্যাঙ্কে থাকা স্থায়ী আমানত তুলতে গিয়েই চোখে সর্ষে ফুল দেখেন শ্বেতা শর্মা। দেখেন পুরো অ্যাকাউন্টই ফাঁকা।

Advertisement

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘বিবিসি’র প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে শ্বেতা শর্মা বিস্মিত কণ্ঠে বলেন, ‘যে শাখায় ওই অ্যাকাউন্ট ছিল, সেখানকার ম্যানেজার আমাকে নিয়মিত টাকা জমা দেওয়ার রসিদ পাঠিয়েছেন। এমনকি নিয়মিত স্টেটমেন্টও ইমেল করেছেন। আমার মোবাইল নম্বর বদলে এবং অ্যাকাউন্টে নানা কারচুপি করে ওই টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। অন্য মোবাইল নম্বর অ্যাকাউন্টে সংযুক্ত থাকায় টাকা তোলার কোনও নোটিফিকেশন পাইনি।’ এক ধাক্কায় ব্যাঙ্ক থেকে ১৬ কোটি টাকা খোয়া যাওয়ার খবরে অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী হয়ে পড়েছিলেন শ্বেতা দেবী।

আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কের তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'অভিযোগকারিনী তাঁর অ্যাকাউন্টের মোবাইল নম্বর ও ইমেল বদলানোর বিষয়ে অবগত নন জানিয়েছেন। কিন্তু ব্যাঙ্কিং নথি বলছে দুই ক্ষেত্রেই তাঁর (অভিযোগকারিনী) কাছে নোটিফিকেশন পাঠানো হয়েছিল। তা কীভাবে তাঁর নজর এড়িয়ে গেল, তা পরিস্কার নয়। তাছাড়া অ্যাকাউন্টে যে নতুন মোবাইল নম্বর সংযুক্ত করা হয়েছে তা ওই অভিযোগকারিনীর মালিকাধীন একটি সংস্থার ওয়েবসাইটেই উল্লেখ রয়েছে।' ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে দিল্লি পুলিশ ও অর্থনৈতিক অপরাধ শাখার কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে। ওই অভিযোগের তদন্ত চলছে। পুলিশকে তদন্তের কাছে পূর্ণ সহযোগিতাও করা হচ্ছে। 

Advertisement
Tags :
Advertisement