For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

দুর্ঘটনায় নিহত ছেলেকে থানা থেকে আনতে পুলিশকে ঘুষ দিতে বাধ্য হন জগজিৎ সিং

চলচ্চিত্র নির্মাতা অনুপম খেরের সঙ্গে একটি কথোপকথনে চলচ্চিত্রটির নির্মাণের পুনর্বিবেচনা করেন, ছবিটি ছিল ভাটের অন্যতম বিখ্যাত কাজের মধ্যে একটি।
05:51 PM Feb 07, 2024 IST | Sushmitaa
দুর্ঘটনায় নিহত ছেলেকে থানা থেকে আনতে পুলিশকে ঘুষ দিতে বাধ্য হন জগজিৎ সিং
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: গোটা দেশ দুর্নীতিতে ভরে গিয়েছে! সাধারণ মানুষ তো বটেই সেলিব্রিটিরাও এই দুর্নীতি থেকে পান না রেহাই। বর্তমানে সবার একটাই টাকা রোজগার। তা যেভাবেই হোক, নৈতিক উপায়ে হোক বা অনৈতিক উপায়ে। পুলিশকে সর্বসাধারণের জন্যে দেশের রক্ষক নামেই অভিহিত, কিন্তু কিছু কিছু সময়ে পুলিশের নাম বদলে হয়ে যায় দেশের ভক্ষক। হ্যাঁ, দেশের প্রতি মুহূর্তে এমন এমন ঘটনা ঘটছে যে, যেখানে পুলিশই হয়ে যাচ্ছে তখন জনগণের একমাত্র শত্রু। যাই হোক, সম্প্রতি এই পুলিশের একটি ভয়ানক কাণ্ডের কথা প্রকাশ্যে আনলেন বিখ্যাত গজল গায়ক তথা শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের কিংবদন্তি জগজিৎ সিং। লোকসঙ্গীত থেকে ঠুমরি, ভক্তি মূলক সঙ্গীত, সঙ্গীতের এমন কোনও ক্ষেত্র ছিল না যেখানে তিনি পারদর্শী ছিলেন না।

Advertisement

সঙ্গীত দুনিয়ার একজন বিশিষ্ট নক্ষত্র ছিলেন। এমনকী শুধু গাওয়া বা গান রচনা নয়, অর্কেস্ট্রেশন থেকে শুরু করে সাউন্ড ব্যালেন্সিং, মিক্সিং এবং এডিটিং সবটা তিনি নিজেই পরিচালনা করতেন। ২০১১ সালের ১০ অক্টোবর মারা যান সঙ্গীত দুনিয়ার এই নক্ষত্র। সম্প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের একটি অজানা তথ্য খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে। অনুপম খেরের ডেবিউ চলচ্চিত্র ছিল 'সারাংশ'। যার পরিচালক ছিল মহেশ ভাট। ছবিটি জগজিৎ সিংয়ের ব্যক্তিগত জীবনের একটি অংশের সঙ্গে মিল রয়েছে। গজল রাজা জগজিৎ সিংয়ের সঙ্গেও অনর্থ ঘটেছিল। অনুপম খের এবং রোহিনী হাত্তাঙ্গাদি অভিনীত, 'সারাংশ' চলচ্চিত্রে একজন বয়স্ক মহারাষ্ট্রীয় দম্পতির জীবন অনুসরণ করা হয়েছিল। যারা তাদের একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে কীভাবে জীবনধারন করছিল, তা দেখানো হয়। যেখানে পঙ্গু বার্ধক্যের উদ্বেগ, একাকীত্ব, শোক ঘিরে ধরেছিল। চলচ্চিত্রের ৪০ বছর উদযাপন করার জন্য একটি বিশেষ অনুষ্ঠান চলাকালীন, চলচ্চিত্র নির্মাতা অনুপম খেরের সঙ্গে একটি কথোপকথনে চলচ্চিত্রটির নির্মাণের পুনর্বিবেচনা করেন, ছবিটি ছিল ভাটের অন্যতম বিখ্যাত কাজের মধ্যে একটি।

Advertisement

তখনই মহেশ ভাট জগজিৎ সিংয়ের সঙ্গে তাঁর ছবির মিশেল নিয়ে অনুষ্ঠানে নির্মাতা বলেন, “১৯৯০ সালে মাত্র ২০ বছর বয়সে একটি বাস দুর্ঘটনায় মারা যান জগজিৎ সিংয়ের ছেলে। মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছিল সে। তখন জগজিৎ আমাকে বলেছিল যে, তাঁর ছেলের মরদেহ পেতে তখন জুনিয়র পুলিশ অফিসারদের ঘুষ দিতে হয়েছিল।" সেখান থেকে উদ্বুদ্ধ হয়েই তিনি সারাংশ ছবিটি নির্মিত করেন। তিনি সেখানে সম্পর্ক স্থাপন করেন যে, মুম্বইয়ের মতো একটি জায়গায় একজন সাধারণ মানুষ কতটা সংগ্রাম করে, পরিবারের কারুর লাশ পুলিশ স্টেশন থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করতে। ঠিক যেমনটা জগজিৎ সিংয়ের ক্ষেত্রেও হয়েছিল। তাঁর স্ত্রী চিত্রার একমাত্র পুত্র বিবেক ১৯৯০ সালে একটি গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা যান যখন তার বয়স ছিল মাত্র ২০। ট্র্যাজেডির পরে গায়কের সঙ্গীতে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটলেও, তার স্ত্রী সঙ্গীতকে পুরোপুরি ছেড়ে দিয়েছিলেন।সারাংশে অনুপম খেরের ৬০-এর দশকে পুরুষের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন, যখন অভিনেতার বয়স ছিল মাত্র ২৮। তিনি ড্যাডি এবং দিল হ্যায় কি মানতা না-এর মতো ছবিতে ভাটের সঙ্গে কাজ করেছিলেন।

Advertisement
Tags :
Advertisement