For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

জীবদ্দশায় ছেলে-মেয়ে দুজনেরই মৃত্যু দেখেও অটল ছিলেন জগজিৎ সিং

০১২ সালে জগজিতের মৃত্যুর এক বছর পর ফিল্মফেয়ারের একটি সাক্ষাৎকারে, চিত্রা বলেছিলেন যে, মনিকার মৃত্যুর পর জগজিৎ 'কেঁপে' উঠেছিলেন।
04:36 PM Feb 08, 2024 IST | Sushmitaa
জীবদ্দশায় ছেলে মেয়ে দুজনেরই মৃত্যু দেখেও অটল ছিলেন জগজিৎ সিং
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভারতীয় সঙ্গীতমহলের প্রথম সারির গায়ক জগজিৎ সিং। শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। গজল রাজা ছিলেন তিনি। তাঁর কন্ঠের একাধিক গান আজও সিনেপ্রেমীদের মনে দোলা দেয়। রোমান্টিক গান হোক বা যন্ত্রণার আবহ, সবটাই তিনি গজলের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতেন। 'চিট্টি না কোই সন্দেশ' গানটি তাঁর কন্ঠের। আজ তাঁর ৮৩ তম জন্মবার্ষিকী। ১৯৪১ সালে ৮ ফেব্রুয়ারি গঙ্গানগরে জন্মগ্রহণ করে ছিলেন তিনি। ধীরে ধীরে তাঁর কন্ঠই, সঙ্গীতের উপর ভালোবাসা তাঁকে পরিচয় দেয়, তিনি ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী।লোকসঙ্গীত থেকে ঠুমরি, ভক্তিমূলক সঙ্গীত, সঙ্গীতের এমন কোনও ক্ষেত্র ছিল না যেখানে তিনি পারদর্শী ছিলেন না।

Advertisement

সঙ্গীত দুনিয়ার একজন বিশিষ্ট নক্ষত্র ছিলেন। এমনকী শুধু গাওয়া বা গান রচনা নয়, অর্কেস্ট্রেশন থেকে শুরু করে সাউন্ড ব্যালেন্সিং, মিক্সিং এবং এডিটিং সবটাই তিনি নিজেই পরিচালনা করতেন। যাই হোক, পেশায় তিনি সফল হলেও ব্যক্তিগত জীবন কাহিনী ছিল অত্যন্ত করুন। জীবিতকালীন অবস্থাতেই তিনি তাঁর ছেলে ও মেয়ে উভয়ের মৃত্যুই দেখেছেন। ১৯৯০ সালে একটি গাড়ি দুর্ঘটনায় তিনি তাঁর একমাত্র ছেলেকে হারিয়েছিলেন। মহেশ ভাট সম্প্রতি প্রকাশ করেছেন যে, জগজিৎকে তাঁর ছেলে, বিবেক সিংয়ের মৃতদেহ পেতে ঘুষ দিতে হয়েছিল পুলিশকে। তখন তাঁর সঙ্গে হওয়া এই ট্র্যাজেডিটি রীতিমতো দেশকে নাড়া দিয়েছিল। শুধু তাই নয়, জীবদ্দশায় তিনি তাঁর সৎ-কন্যা মণিকাকেও হারিয়েছেন। যিনি ২০০৯ সালে আত্মহত্যা করে মারা গিয়েছিল। যদিও গায়ক প্রেসের সামনে তাঁর ক্ষতি সম্পর্কে কখনই কোনো কথা বলেননি। তাঁর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জানাই তাঁর একটি অজানা কাহিনী।গায়কের স্ত্রী, চিত্রা সিং একবার মনিকার মৃত্যু গায়কের উপর কী পরিমাণে প্রভাব ফেলেছিল, সেই সম্পর্কে মুখ খুলেছিলেন। চিত্রাও একজন গায়ক ছিলেন কিন্তু ছেলে বিবেকের মৃত্যুর পর লাইমলাইট থেকে দূরে সরে গিয়েছিলেন তিনি, তাঁর প্রথম বিবাহে একটি মেয়ে ছিল, যার নাম মনিকা।

Advertisement

২০১২ সালে জগজিতের মৃত্যুর এক বছর পর ফিল্মফেয়ারের একটি সাক্ষাৎকারে, চিত্রা বলেছিলেন যে, মনিকার মৃত্যুর পর জগজিৎ 'কেঁপে' উঠেছিলেন। তাঁর কথায়, “মনিকার মৃত্যুর পর বাবা কেঁপে উঠেছিলেন। তিনি তাঁকে পাঁচ বছর বয়স থেকে দেখেছিলেন। সে ছিল তাঁর মেয়ের মতো। তখন তিনি আমেরিকা সফরে ছিলেন। মেয়ের মৃত্যুর পর তিনি তাঁর শো বাতিল করে ফ্লাইট ধরে চলে আসেন। তিনি মেয়ের মৃত্যুতে একেবারে ভেঙে পড়েছিলেন। কিন্তু কখনই তা প্রকাশ করেনি। আমার মেয়ে খুব সুন্দর এবং শক্তিশালী ছিল।কিন্তু শেষ পর্যন্ত, সে হেরে গেল, সে আর মানিয়ে নিতে পারল না। তার একটি রুক্ষ জীবন ছিল, সে ব্যর্থ বিবাহ ছিল।" গায়কের জনপ্রিয় গান গুলির মধ্যে ছিল, চিঠি না কোই সন্দেশ, ওহ কাগজ কি কষ্টি আজ, তুম ইতনা জো মুশকুরা রহে হো এবং চারে ইশক জালানে কি রাত আয়ে হ্যায়। ২০১১ সালে মারা যান তিনি।

Advertisement
Tags :
Advertisement