For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

Cyber Crime’র শিকার নয়াগ্রামের Joint BDO, খোয়ালেন লক্ষাধিক টাকা

Cyber Crime’র শিকার হয়ে লক্ষাধিক টাকা খোয়ালেন ঝাড়গ্রাম জেলার নয়াগ্রাম ব্লকের যুগ্ম বিডিও বা Joint BDO। নেপথ্যে শেয়ার কেনাবেচা।
12:52 PM May 30, 2024 IST | Koushik Dey Sarkar
cyber crime’র শিকার নয়াগ্রামের joint bdo  খোয়ালেন লক্ষাধিক টাকা
Courtesy - Google
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: শেয়ারে লগ্নি করতে গিয়ে Cyber Crime’র জেরে লক্ষাধিক টাকা খোয়ালেন ঝাড়গ্রাম জেলার(Jhargram District) নয়াগ্রাম ব্লকের(Nayagram Block) যুগ্ম বিডিও বা Joint BDO। একটি অ্যাপের মাধ্যমে শেয়ারে বিনিয়োগ করেন তিনি। পরে ওই টাকা ফেরত না পাওয়ায় তিনি বুঝতে পারেন যে প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এরপরেই পুলিশের দ্বারস্থ হন তিনি। পুলিশি তদন্তে এখনও পর্যন্ত অর্ধেকের বেশি খোয়া যাওয়া অর্থ ফেরত পেয়েছেন তিনি। তবে এখনও তাঁর লক্ষাধিক টাকা সেখানে ফেঁসে আছে। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি। তবে প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, এই ঘটনার নেপথ্যে একটি চক্র কাজ করছে। কেরালা, উত্তরপ্রদেশের মতো জায়গা থেকে তারা কাজ করছে।

Advertisement

প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, নয়াগ্রামের যুগ্ম বিডিও শেয়ারে বিনিয়োগ করতেন। সেই সূত্রেই তিনি Whatsapp’র একটি Group-এ যুক্ত হয়েছিলেন। যদিও এখন এই সরকারি আধিকারিকের দাবি, তিনি স্বেচ্ছায় ওই Group-এ যুক্ত হননি, বরঞ্চ তাঁকে যোগ করে নেওয়া হয়েছিল। সেই Group-এ বিভিন্ন ধরনের Message আসত। অন্যতম ছিল কোনদিন, কোন শেয়ার, কত লাভ করবে। সেগুলির ওপর ভরসা করে লাভও পেয়েছিলেন এই সরকারি আধিকারিক। এরপর সেই Group-এই একটি অ্যাপের লিঙ্ক দেওয়া হয়। সেই অ্যাপে ট্রেডিং করার সময় একটি টাকা সেভিংস অ্যাকাউন্টে পাঠাতে হত। পরে তার ওপর ভিত্তি করে কত শেয়ার কেনা হয়েছে তা দেখানো হত। সেই সূত্রেই তিনি প্রায় ৩ লাখ ১৭ হাজার ২৭১ টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। এরপর তা তোলার চেষ্টা করার পর থেকেই বিপত্তি শুরু হয়। সেই টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করে অ্যাপ কর্তৃপক্ষ। সেই সময় সরকারি আধিকারিক বুঝতে পারেন তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন এবং পুলিশের দ্বারস্থ হন।

Advertisement

এরপর পুলিশি তদন্তে এখনও পর্যন্ত অর্ধেকের বেশি খোয়া যাওয়া অর্থ ফেরত পেয়েছেন তিনি। এখনও পর্যন্ত তিনি ২ লাখ ৭ হাজার টাকা ফেরত পেয়েছেন। সাইবার প্রতারণার শিকার হলে টাকা ফেরত পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন থাকে। কিন্তু এক্ষেত্রে দ্রুত পুলিশি পদক্ষেপের দরুণ সেই টাকার কিছুটা হলেও উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, কোন কোন অ্যাকাউন্টে ওই সরকারি আধিকারিকের টাকা কা ঢোকে তা খতিয়ে দেখা হয়েছিল। এরপর সেই অ্যাকাউন্টগুলিকে বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেখান থেকে টাকা ওই সরকারি আধিকারিকের অ্যাকাউন্টে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। সাইবার প্রতারণা নিয়ে সাধারণ মানুষকে অনবরত সচেতন করে চলেছে পুলিশ। কিন্তু, এবার তারপরও সাধারণ মানুষ এইসব প্রতারণার শিকার হয়ে চলেছেন নিজেদের দোষেই।

Advertisement
Tags :
Advertisement