For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

২০১৬ সালে তৃণমূল নেতা খুনে অভিযুক্ত সিপিএম কর্মী গ্রেফতার

08:46 PM Jan 27, 2024 IST | Subrata Roy
২০১৬ সালে তৃণমূল নেতা খুনে অভিযুক্ত সিপিএম কর্মী গ্রেফতার
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি,কাকদ্বীপ:২০১৬ সালে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার কাকদ্বীপ বিধানসভার নেতাজি গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি ও সংখ্যালঘু সেলের সভাপতিকে কুপিয়ে খুন করার ঘটনা ঘটে। আর সেই ঘটনা তদন্ত শুরু করে ঢোলাহাট থানা(Dholahat P.S.)। এই ঘটনার ঘটার ৮ বছর পর এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল ঢোলাহাট থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে আবুজেল মোল্লা কে তার বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে কুপিয়ে খুন করা হয়। সেই সময় তদন্ত নেমে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করেছিল ঢোলাহাট থানার পুলিশ। এই ঘটনার অন্যতম অভিযুক্ত সালাম হালদার ফেরার ছিল। এই খুনের পিছনে হাত রয়েছিল সিপিএমের এমনটাই প্রাথমিক অনুমানে উঠে এসেছে।

Advertisement

অভিযুক্তকে শুক্রবার রাত্রে সন্তোষপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করেন ঢোলাহাট থানার পুলিশ । সালাম হালদার এলাকায় সিপিএম কর্মী সমর্থক হিসেবেই পরিচিত। বৃহস্পতিবার ওই অভিযুক্তকে কাকদ্বীপ মহকুমা আদালতে পেশ করে ঢোলাহাট থানার পুলিশ। ওই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধি ৩০৭,৩০২ আইপিসি, ধারায় মামলার রুজু করে ঢোলাহাট থানার পুলিশ। কিন্তু অভিযুক্তের পরিবারসহ অভিযুক্ত জানান রাজনীতির চক্রান্তে ওই অভিযুক্তকে মিথ্যে ফাঁসানো হয়েছে। এই বিষয়ে কাকদ্বীপ মহকুমা আদালতে আইনজীবী দেবাশিস মিদ্দে জানান, এই ঘটনায় মোট ২৩ জন অভিযুক্ত ছিল । চার্জশিটে ১৮জনের নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল । এই খুনের পিছনে অন্যতম অভিযুক্ত হিসাবে মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে ২৩ জনের নামে অভিযোগ দায়ের করলেও পরবর্তীকালে পুলিশে চার্জশিটে ১৮ জনের নাম বাদ যায়।

Advertisement

মূল অভিযুক্ত হিসাবে পুলিশের চার্জশিটে(ChargeSheet) ৫ জনের নাম রাখা হয়েছে। এই পাঁচজনের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে আগেই গ্রেফতার করেছে ঢোলাহাট থানার পুলিশ। অভিযুক্ত সালাম হালদারকে গ্রেফতার করে ঢোলাহাট থানার পুলিশ । অভিযুক্তকে কাকদ্বীপ মহকুমার আদালতে পেশ করলে মহামান্য বিচারক ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। এই ঘটনার সঙ্গে বাকি যারা যুক্ত রয়েছে তাদেরকেও অবিলম্বে গ্রেফতার করার জন্য মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে ঢোলাহাট থানার পুলিশ। যদিও এই বিষয় অভিযুক্তের দাদা আবুল কালাম হালদার বলেন, রাজনৈতিক চক্রান্তের শিকার আমরা। আমার ভাই নির্দোষ। এই খুনের সঙ্গে আমার ভাই যুক্ত নয়। রাজনৈতিকভাবে আমাদেরকে ফাঁসানো হয়েছে। ২০১৬ সালের খুনের ঘটনায় সঙ্গে আমার ভাই যুক্ত ছিল না। তৃণমূল নেতাদের মদতেই পুলিশি চার্জশিটে আমার ভাইয়ের নাম দেয়া হয়েছে। আমরা সিপিএম করি বলেই আমাদের ওপর এমনই রাজনৈতিক চক্রান্ত করেছে শাসক দল।

Advertisement
Tags :
Advertisement