For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

জানুন, জ্যাকি শ্রফের 'জগ্গু দাদা' হওয়ার নেপথ্যে অজানা কাহিনী

আমি তাকে ডুবতে দেখছিলাম। আমার তখন ১০ বছর বয়স। আমি ভয় পেয়েছিলাম, তাই সমুদ্রে ঝাঁপও দেইনি।
07:29 PM Feb 01, 2024 IST | Sushmitaa
জানুন  জ্যাকি শ্রফের  জগ্গু দাদা  হওয়ার নেপথ্যে অজানা কাহিনী
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: বলিউডের অন্যতম আইকনিক অভিনেতা জ্যাকি শ্রফ। বর্তমানে তিনি আবার অভিনয় ছেড়ে রান্নায় মন দিয়েছেন। মাঝে মধ্যেই নানারকম গ্রামীণ খাবার নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অবতরণ করেন জ্যাকি শ্রফ। তাঁর অতুলনীয় ব্যক্তিত্বের জন্য পরিচিত। বছরের পর বছর ধরে তিনি ভক্তদের বিনোদন দিচ্ছেন। কিন্তু অনেকেই জানেন না, তিনি একসময় লাজুক এবং অন্তর্মুখী ছেলে ছিলেন। দীর্ঘ সংগ্রাম করেছেন। জ্যাকি ছাড়াও তিনি জনপ্রিয়ভাবে 'জগ্গু দাদা' হিসেবে পরিচিত। মুম্বাইয়ের তিন বাট্টি চালে জন্ম নিয়েছিলেন জ্যাকি শ্রফ, তবে আজ আর তাঁর কোনও পরিচয়ের প্রয়োজন নেই। তাঁদের দারিদ্র্যের অবস্থা এমন ছিল যে, একসময় ১০/১০ রুমে চারজন একসঙ্গে বসবাস করতেন।

Advertisement

তাঁদের একমাত্র আয়ের উৎস ছিল চিনাবাদাম বিক্রি এবং রাস্তায় পোস্টার সাঁটানো। আজ, তাঁর ৬৭ তম জন্মবার্ষিকী, আসুন জেনে নেওয়া যাক কেন তিনি 'জগ্গু দাদা' নামে পরিচিত, তাঁর আসল রহস্য! এর পিছনে একটি সংক্ষিপ্ত অথচ মর্মস্পর্শী গল্প রয়েছে যা আপনাদের কাছে আকর্ষণীয় মনে হতেই পারে। একবার সিমি গারেওয়ালের সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে, জ্যাকি শ্রফ প্রকাশ করেছিলেন যে তিনি কীভাবে সবার দাদা হয়ে ওঠেন। ছোট বেলায়, জ্যাকি শ্রফ ব্যাপকভাবে জগ্গু দাদা নামে পরিচিত ছিলেন, কিন্তু তিনি বিশ্বাস করতেন যে তার বড় ভাই হল তাঁদের ​​প্রকৃত দাদা। তার ভাই, যিনি বস্তি সম্প্রদায়ের একজন তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন, তিনি সর্বদা অভাবীদের সহায়তা করতেন। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, তাঁর ভাই একদিন একটি জীবন বাঁচাতে গিয়ে সমুদ্রে ডুবে যায়, কারণ সে সাঁতার জানত না।

Advertisement

অন্যদের সাহায্য করার জন্য তার ভাইয়ের নিঃস্বার্থতা এবং উৎসর্গ দেখে, জ্যাকি শ্রফ পরবর্তীতে তাঁর পদাঙ্ক অনুসরণ করেন। এবং জগ্গু দাদা হয়ে ওঠেন। তিনি এরপর ঠিক করেন, তার ভাইয়ের মতো বস্তি সম্প্রদায়ের যত্ন নেবেন। শ্রফ আরও বলেন, “আমি তাকে ডুবতে দেখছিলাম। আমার তখন ১০ বছর বয়স। আমি ভয় পেয়েছিলাম, তাই সমুদ্রে ঝাঁপও দেইনি। নয়তো আমিও চলে যেতাম। জলের মধ্যে কিছুক্ষণ লড়াই করার পর তিনি মারা যান। আপনার নিজের ভাইকে হারানো, যিনি আপনার রক্ষকের মতো ছিলেন, আপনার চোখের সামনে সমুদ্রে মারা যাওয়া ভয়ঙ্কর।” এদিকে সুপারস্টার তাঁর অদ্ভুত শৈলীর জন্য পরিচিত, এবং বিশেষ করে তিনি প্রতিটি ইভেন্টে গাছের চারা নিয়ে আসেন এবং হোস্টদের উপহার দেন। কিন্তু মেগাস্টারের কাছে একসময় এই উপভোগ করার মতো এতো বিলাসিতা ছিল না।

Advertisement
Tags :
Advertisement