For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

শনিতে ‘পরীক্ষা’ অভিষেক-সায়নীদের, গড় ধরে রাখা চ্যালেঞ্জ তৃণমূলের

07:38 PM May 31, 2024 IST | Sundeep
শনিতে ‘পরীক্ষা’ অভিষেক সায়নীদের  গড় ধরে রাখা চ্যালেঞ্জ তৃণমূলের
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাত পোহালে শনিবার লোকসভার শেষ দফার ভোট। রাজ্যের ৯ আসন বসিরহাট, বারাসত, দমদম, কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, যাদবপুর, ডায়মন্ড হারবার, জয়নগর ও মথুরাপুরে ভোটগ্রহণ হবে। যাদের ভাগ্য ইভিএম বন্দি হবে তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাছাড়া ভাগ্য পরীক্ষায় বসছেন সৌগত রায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুজন চক্রবর্তী, সায়নী ঘোষ, সৃজন ভট্টাচার্য তাপস রায়, প্রদীপ ভট্টাচার্যের মতো রাজ্য রাজনীতির হেভিওয়েট নেতা-নেত্রীরা।

Advertisement

অন্তিম দফায় রাজ্যের যে ৯ আসনে ভোট নেওয়া হবে তার সব গুলিতে গতবার জয়ী হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। ৯ লোকসভা আসনের অন্তর্গত ৬৩টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ৬২টি-ই রাজ্যের শাসকদলের দখলে। শুধু ভাঙড় আসনটিতে গতবার জিতেছিলেন বাম-কংগ্রেস সমর্থিত আইএসএফের নেতা নওশাদ সিদ্দিকী। পঞ্চায়েত ও পুরসভা নির্বাচনেও একাধিপত্য ছিল ঘাসফুল শিবিরের। যদিও গত বছর দুয়েক ধরে রাজ্য রাজনীতিতে অনেক জল গড়িয়েছে। শিক্ষক নিয়োগ ও রেশন বন্টন দুর্নীতি, গরু পাচার কাণ্ডে রাজ্য মন্ত্রিসভার দুই সদস্যের পাশাপাশি শাসকদলের বেশ কয়েকজন বিধায়ক ও দাপুটে নেতা জেলে গিয়েছেন।  ফলে অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছে ঘাসফুল শিবিরের শীর্ষ নেতৃত্বকে। উপরন্তু সন্দেশখালি কাণ্ডেও বড় ‘ষড়যন্ত্রের’ মোকাবিলা করতে হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসকে। ফলে খানিকটা কোণঠাসা অবস্থায় এবারের লোকসভা ভোটে লড়তে হচ্ছে রাজ্যের শাসকদলকে।

Advertisement

‘ইন্ডিয়া’ জোটে থাকলেও ‘বিজেপি বান্ধব’ হওয়ার অভিযোগ তুলে রাজ্যে কংগ্রেস ও বামেদের সঙ্গে সমঝোতায় যাননি তৃণমূল কংগ্রেস সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আবার কংগ্রেস-বামেদের সঙ্গে জোট ভেস্তে দিয়ে আলাদা প্রার্থী দিয়েছে নওশাদ সিদ্দিকীর আইএসএফ। ফলে ৯ আসনেই খাতায়-কলমে চতুর্মুখী লড়াই। তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন লড়াই ত্রিমুখী। যাদবপুর, দমদম, কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ-এই চার আসনে ত্রিমুখী লড়াই হবে। বাকি পাঁচ আসনে মূল লড়াই তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে বিজেপির।   

সপ্তম দফায় যে নয় লোকসভা আসনে ভোট নেওয়া হবে সেই আসনগুলিতে জয়-পরাজয়ের নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে বড়সড় ভূমিকা নিতে চলেছে সংখ্যালঘু ভোটাররা। বিশেষ করে বসিরহাট, বারাসত, যাদবপুর ও ডায়মন্ড হারবার আসনে মুসলিম ভোটাররা নির্ণায়কের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে চলেছেন। গত কয়েকটি নির্বাচনে সংখ্যালঘু ভোটাররা দু’হাত ভরিয়ে তৃণমূলকে ভোট দিয়েছেন। যদি এবার সেই ভোট ব্যাঙ্কে ফাটল ধরাতে পারে বাম-কংগ্রেস-আইএসএফ তাহলে অঘটন ঘটতেও পারে। সংখ্যালঘু ভোটাররা যেমন চার আসনে নির্ণায়ক ভূমিকা নিতে চলেছেন তেমনই দমদম, কলকাতা উত্তর ও কলকাতা দক্ষিণ আসনে বিশেষ ফ্যাক্টর হবেন অবাঙালি হিন্দু ভোটাররা। গত বিধানসভা ভোটে অবশ্য ঘাসফুল শিবিরের উপরেই আস্থা রেখেছিলেন তাঁরা। কিন্তু এবার হিন্দুত্বের ভাবাবেগে যদি পদ্মমুখী হন তাঁরা, তাহলে তৃণমূলকে খানিকটা হলেও বিপাকে পড়তে হবে। যদিও ঘাসফুল শিবিরের শীর্ষ নেতৃত্ব আশাবাদী, গত বারের মতো এবারেও ৯ আসনের ভোটাররা তৃণমূল প্রার্থীদের উপরে আস্থা রাখবেন।

Advertisement
Tags :
Advertisement