For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

‘ধর্ম যার যার, দেবতা সবার’, কোচবিহার থেকে বার্তা মমতার

দেশের মধ্যে হিন্দু ধর্মের মানুষদের মধ্যেও বিভেদের বীজ বুনে দিচ্ছে পদ্মশিবির। সেই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়েই নয়া শ্লোগান দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
02:43 PM Jan 29, 2024 IST | Koushik Dey Sarkar
‘ধর্ম যার যার  দেবতা সবার’  কোচবিহার থেকে বার্তা মমতার
Courtesy - Facebook
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন নরেন্দ্র মোদির(Narendra Modi) সরকার ও তাঁর দল বিজেপি(BJP) বিরুদ্ধে বার বার অভিযোগ উঠেছে তাঁরা দেশকে ধর্মীয় মেরুকরণে ভাঙতে চাইছেন। দেশের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র(Secular Character) বিলুপ্ত করে তাকে হিন্দুত্বের(Hindutva) মোড়কে বাঁধতে চাইছেন। ধর্মের সঙ্গে ধর্মের বিভেদ এনে দেশজুড়ে অশান্তি তৈরি করতে চাইছেন। এমনকি হিন্দু ধর্মের মানুষদের মধ্যেও বিভেদের বীজ বুনে দিচ্ছে। এই সব অভিযোগ একা বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস(TMC) করছে না। করছে দেশের প্রতিটি বিজেপি বিরোধী দল। সেই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়েই এদিন নয়া শ্লোগান তৈরি করে দিলেন বাংলার অগ্নিকন্যা, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী, তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। তিনি আগেই আমাদের দিয়েছেন একটি শ্লোগান, ‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’। আর এদিন তিনি দিলেন নয়া শ্লোগান, ‘ধর্ম যার যার, দেবতা সবার’। 

Advertisement

এদিন অর্থাৎ সোমবার উত্তরবঙ্গের কোচবিহার শহরের রাসমেলার মাঠে ছিল মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি অনুষ্ঠান। সেখান থেকে তিনি এদিন বেশ কিছু মানুষকে সরকারি পরিষেবা প্রদান করেন। সেই সভা থেকেই তিনি ধর্ম নিয়ে নিশানা বানান গেরুয়া শিবিরকে। বলেন, ‘মদন মোহনের কথা মনে আসে না, দুর্গা, লক্ষ্মী, কারোর কথা মনে আসে না। ওরা যে চাপিয়ে দেবে, সেটাই আমাদের দেবতা! আমি তো কিছু বলি নি। ধর্ম যার যার, দেবতা সবার। রামকে পুজো করছে, সীতাকে ভুলে গিয়েছে। সীতাকে বাদ দিলে রামায়ণই হয় না। আমাকে এসেছে ধর্ম শেখাতে। আমাকে ধর্ম শেখাতে হয় না। আমাদের শেখানো হয়েছে সবাইকে নিয়ে চলতে হবে। আমাদের বাবা-মা শিখিয়েছে সবাইকে নিয়ে চলতে হবে। আমি তপসিলি মেয়েদের সঙ্গে নেচেছি। ওদের সঙ্গে মিশেছি। দুটো তফসিলি মেয়ে রয়েছে আমার বাড়িতে। আমার বিছানায় শোয়। আমি ইচ্ছা করে ভোটের সময়ে রাস্তা থেকে খাবার কিনে এনে তফসিলির বাড়িতে বসে খাচ্ছি বলে নাটক করি না। আমাদের হাতে পাঁচটা আঙুল রয়েছে, কোনটা ছোট, কোনটা বড়। ওরা মনিপুরে ২০০ চার্চ পুড়িয়ে দিয়েছেন। মহিলাকে নগ্ন করে অত্যাচার করেছে। বড়দিনের ছুটি বাতিল। নেতাজির জন্মদিনে নেতাজির জাতীয় দিবসে ছুটি দিল না। ওরা কিছু করবে বলে ঢাক ঢোল পিটিয়ে ছুটি দিল। আমি সেটা মানতে পারব না। আমি রামায়ণ, মহাভারত মানি, কোরান মানি।’

Advertisement

তিনি আরও বলেন, ‘সম্প্রীতি করতে চায় না। আমি করব। যে জাতিই হোক, ভাষা হোক, আমরা করব। সীতার নাম ভুলে গিয়েছে। কৌশল্যা মায়ের নাম ভুলে গিয়েছে। মা ছাড়া সন্তানের জন্ম দেয় কে, বউ ছাড়া স্বামীকে এগিয়ে দেয় কে? আমার মা-বোনেরা সন্তানের গর্ব। আমরা জন্মে নাম পাই, সারনেম পাই। ১০০ ভাগ লোকের মধ্যে এক ভাগ খারাপ কাজ করলে, তার দায়িত্ব দল নেবে না, সরকার আইন আইনের পথে চলবে। আমি রাস্তা দিয়ে যাচ্ছি, আমাকে বলছে চোর। ওরা তো ডাকাত। সার্কিট হাউজে থাকলে ভাড়াটাও দিয়ে দিই। এক পয়সার চাও কারোর কাছ থেকে খাই না। মিথ্যা কথা বললে, জিভ খসে পড়বে। বলছে চোর চোর। এতবড় সাহস! ডাকাতের ডাকাত ওরা। ভারতকে লুট করেছে, বাংলাকে লুট করেছে।’

Advertisement
Tags :
Advertisement