For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

কল্যাণের পাশে মমতা, ‘যা করেছেন সেটা হালকা চালে’

জগদীপ ধনখড়কে নকল করে কল্যাণ যে বিতর্কে জড়িয়েছেন তাতে মমতা সাফ জানালেন, ‘কোনও অসম্মানের বিষয় নয়। কল্যাণ যা করেছেন সেটা হালকা চালে।’
01:11 PM Dec 20, 2023 IST | Koushik Dey Sarkar
কল্যাণের পাশে মমতা  ‘যা করেছেন সেটা হালকা চালে’
Courtesy - Facebook and Google
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: সংসদের(Parliament) প্রবেশদ্বারে বিক্ষোভ প্রদর্শনকালে তৃণমূলের সাংসদ(TMC MP) তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়(Kalyan Banerjee) রাজ্যসভার চেয়ারম্যান তথা দেশের উপরাষ্ট্রপতি(Vice President of India) জগদীপ ধনখড়কে(Jagdeep Dhankar) নকল করে বিতর্কে জড়িয়েছেন। সেই ঘটনার নিন্দা করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও। কিন্তু এদিন সেই সংসদ ভবন চত্বরেই প্রকাশ্যে কল্যাণের পাশেই দাঁড়ালেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী(Chief Minister of Bengal) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। সাফ জানালেন, ‘কোনও অসম্মানের বিষয় নয়। কল্যাণ যা করেছেন সেটা হালকা চালে।’ যদিও এটাও ঘটনা যে, এদিন সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে মমতার যে বৈঠক ছিল সেখানে দলের তরফে আরও ১১জন সাংসদ থাকার কথা ছিল। সেই তালিকায় নাম ছিল কল্যাণেরও। কিন্তু এদিন সেই দলে কল্যাণ ছিলেন না। পরিবর্তে ছিলেন তৃণমূলের অপর এক সাংসদ নাদিমুল হক। কেন কল্যাণ সেই দলে ছিলেন না তার কোনও ব্যাখা অবশ্য এদিন মমতা দেননি।   

Advertisement

বুধবার রাজ্যের দাবিদাওয়া নিয়ে মমতা-সহ তৃণমূলের ১১ জন সাংসদ দেখা করেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। কিন্তু সেই দলে ছিলেন না কল্যাণ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাতে সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাদ রেখেই গেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূলের প্রতিনিধিদল গিয়েছিল। অনেকের বক্তব্য ছিল, রাজ্যসভার চেয়ারম্যান তথা দেশের উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়কে নকল করে কল্যাণ যে বিতর্কে জড়িয়েছেন, সেই কারণেই তাঁকে বাদ রেখে মোদির কাছে গিয়েছিলেন মমতা। কিন্তু মমতা পরে সাংবাদিকদের যা জানা তা কার্যত বলে দিচ্ছে, তিনি বিষয়টিকে নিয়ে বেশি মাথা ঘামাতে চান না। বরঞ্চ প্রকাশ্যেই তিনি কল্যাণের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছেন। যদিও বিজয়চকে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে প্রথমে কল্যাণ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চাননি মমতা। তিনি বলেন, লোকসভার নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ লোকসভার সাংসদেরা এ বিষয়ে যা বলার বলবেন। যদিও পরে ফের তাঁকে প্রশ্ন করায় তিনি ওই মন্তব্য করেন।

Advertisement

কল্যাণ অবশ্য এই বিতর্কের মাঝে মুখ খুলে জানিয়েছেন, তিনি যা করেছেন তা আদতে একটি শিল্প। সেই শিল্প হল মিমিক্রি বা নকলনবিশি। তিনি জানিয়েছেন, ‘নকলনবিশি করা তো শিল্পের একটা ধরন। রাজনৈতিক প্রতিবাদের অনেক রকম ভাষা থাকে। প্রধানমন্ত্রীও সংসদের মধ্যে অতীতে মিমিক্রি করেছেন। তার জন্য কি তিনিও ক্ষমা চাইবেন? নকল সংসদ অধিবেশন চলছিল। আমি বলিনি যে সেটা লোকসভা না কি রাজ্যসভা। এটা যদি উনি নিজের গায়ে মেখে নেন, তা হলে আমি অসহায়। উনি কি সত্যিই রাজ্যসভায় এ রকম আচরণ করেন? এটাই আমার প্রশ্ন। কারও ভাবাবেগে আঘাত করার কোনও অভিপ্রায় ছিল না আমার। ধনখড় সাব আমার সিনিয়র। উনি আমার পেশাতেই ছিলেন। উনি আইনজীবী ছিলেন। আমিও আইনজীবী। আমাদের পেশায় আমরা কারও ভাবাবেগে আঘাত করি না। আমি ওঁকে শ্রদ্ধা করি।’

Advertisement
Tags :
Advertisement