For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

রাজনীতিতে সাম্প্রদায়িক বিভাজন চায় না বাংলা, বোঝেন মমতা

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাই ভোটের অনেক আগে থেকেই ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজনের রাজনীতির বিরোধিতা করে গিয়েছেন। বার বার এই মর্মে বার্তাও দিয়েছেন।
09:52 AM Jun 01, 2024 IST | Koushik Dey Sarkar
রাজনীতিতে সাম্প্রদায়িক বিভাজন চায় না বাংলা  বোঝেন মমতা
Courtesy - Google
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজনের রাজনীতিকে(The Politics of Division on the Basis of Religion) একেবারেই মেনে নিতে পারছেন না সম্প্রীতিতে বিশ্বাস রাখা বাংলার মানুষ(People of Bengal Believe in Harmony)। এমনটাই উঠে এসেছে রাজ্যজুড়ে চলা সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষার রিপোর্টে(Survey Report)। তাতে দেখা যাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গের(West Bengal) রাজনীতিতে ভোটের জন্য ধর্ম নিয়ে বিভাজন সৃষ্টি একেবারে অনুচিত বলে জানিয়েছেন ৮০ শতাংশ মানুষ। আর বাংলার এই পছন্দ-অপছন্দের সঙ্গে ঘর করা বাংলার অগ্নিকন্যা তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) তাই ভোটের অনেক আগে থেকেই ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজনের রাজনীতির বিরোধিতা করে গিয়েছেন। বার বার এই মর্মে বার্তাও দিয়েছেন। এমনকি ভোট প্রচারের মঞ্চ থেকে বার বার বিজেপিকে এই নিয়ে কড়া বার্তাও দিয়েছেন। ভোট সমীক্ষকদের এখন দাবি, মমতার এই বাংলা আর বাঙালিকে বোঝার ক্ষমতা সঠিক থাকায় এখনও বাংলার বুকে তাঁর সমকক্ষ কেউ হয়ে উঠতে পারেননি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও নন। তিনিও মমতার সমকক্ষ হয়ে উঠতে পারেননি বলেই একুশের ভোটে বিজেপিকে হারের মুখ দেখতে হয়েছে।

Advertisement

Model Resource Services নামে একটি সংস্থা রাজ্যজুড়ে সমীক্ষা চালিয়েছিল। সেখানেই উঠে এসেছে ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করার প্রসঙ্গে রাজ্যবাসীর তথা বাঙালির মনের কথা। সেই সমীক্ষায় অংশ নেওয়া অধিকাংশ মানুষই সরব হয়েছেন ধর্মের রাজনীতির বিরুদ্ধে। তবে এর পক্ষে সায় দিয়েছেন ১৮ শতাংশ মানুষ। আর কোনও মতামত দিতে অস্বীকার করেছেন বা এবিষয় কিছুই বলতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন ২ শতাংশ মানুষ। নির্বাচনের মধ্যে এই সমীক্ষার রিপোর্ট সামনে আসায়, এর ভিত্তিতে রাজ্যের ফলাফলও আন্দাজ করতে শুরু করেছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাঁদের মতে এই সমীক্ষা থেকেই স্পষ্ট, সংখ্যাগুরুদের ভোট নিজেদের পক্ষে একত্রিত করার লক্ষ্যে বিজেপি যে ধর্মের তাস খেলেছে, তা অন্তত এরাজ্যে সফল হবে না। 

Advertisement

এই সমীক্ষায় নির্বাচনী বন্ড নিয়েও সাধারণ মানুষের মতামত জানতে চাওয়া হয়েছিল। বিজেপি সরকারের চালু করা Electoral Bond-কে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে বাতিল করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এবার এই একই ইস্যুতে সমীক্ষা রিপোর্ট বলছে, ৩৬ শতাংশের মতে নির্বাচনী বন্ড পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া উচিত। বন্ড চালু করে কোনও অন্যায় হয়নি এমনটা মনে করেন মাত্র ১৫ শতাংশ। ৩২ শতাংশ মানুষ মনে করেন বন্ডের জন্য একটি নির্দিষ্ট সীমা থাকা উচিত। বাকি ১৭ শতাংশ মানুষ এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

Advertisement
Tags :
Advertisement