For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

রথযাত্রা উপলক্ষে ৫৬ ধরনের ভোগ নিয়ে জগন্নাথের সেবায় প্রস্তুত মায়াপুরের ইসকন

09:04 PM Jul 06, 2024 IST | Subrata Roy
রথযাত্রা উপলক্ষে ৫৬ ধরনের ভোগ নিয়ে জগন্নাথের সেবায় প্রস্তুত মায়াপুরের ইসকন
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি,মায়াপুর ও শান্তিপুর: আসন্ন রথ যাত্রা উৎসব উপলক্ষে নদিয়া মায়াপুর ইসকন মন্দিরে সাজো সাজো রব। রথ দেখতে বহু দূর দুরান্ত থেকে মানুষ ইতিমধ্যেই চলে এসেছেন । মায়াপুর ইসকন(Mayapur Iskcon) শাখা রাজাপুরে রয়েছে জগন্নাথ দেবের মন্দির। দীর্ঘ প্রায় পাঁচ কিলোমিটার রাজাপুর মন্দির থেকে মায়াপুর ইসকন মন্দিরে আসবেন জগন্নাথ ,সুভদ্রা ,বলদেব তিনটি রথে করে । তাই ইতিমধ্যেই ইসকন এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। জানা যায় ৭ই জুলাই রবিবার বেলা দুটো নাগাদ বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা নিয়ে রাজাপুর থেকে তিনটি সুসজ্জিত রথে মায়াপুর ইসকন মন্দিরে আসবেন জগন্নাথ বলরাম ও সুভদ্রা। সাত দিন থাকবেন মায়াপুর ইসকন মন্দিরে ,সেখানেই ৫৬ ভোগ সহ বিভিন্ন পূজার্চনা মধ্য দিয়ে পুজো দেওয়া হবে ।

Advertisement

৭ দিন পর পুনরায় মায়াপুর ইসকন মন্দির থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সুসজ্জিত তিনটি রথে করে আবার ফিরে যাবেন রাজাপুর(Rajpur)জগন্নাথ দেবের মন্দিরে।এদিকে,রথযাত্রার আগে রথের চাহিদা তুঙ্গে নদীয়ার শান্তিপুরে। রাত পোহালেই রবিবার রথযাত্রা। তার আগেই রথ বিক্রি বেড়েছে নদিয়ার শান্তিপুরে। আর এ বছর রথযাত্রার ছোট বড় মিলিয়ে অসংখ্য রথ শান্তিপুরের(Shantipur) রাজপথে নামবে। এমনটাই মত রথ বিক্রেতাদের।কোন দোকানে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি রথ তৈরীর। তবে শান্তিপুর অতি প্রাচীন শহর এবং বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বী মানুষের বসবাস।সেখানে রথ এক অন্য মাত্রা পায় প্রতিবারই।

Advertisement

তবে বিগত বছরের তুলনায় এ বছর রথের চাহিদা তুঙ্গে। ক্রেতারাও জানাচ্ছেন, ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের জন্য এবং জগন্নাথ দেবের আরাধনার জন্য এই রথ কিনতে আসা।দোকানে সর্বাধিক বারো হাজার টাকা মূল্যের কাঠের তৈরি রথ বিক্রি হচ্ছে নদিয়ার শান্তিপুরে।এখনো রথ তৈরির অর্ডার আসলেও শেষ মুহূর্তের কাজে আর অর্ডার নিতে পারছেন না রথ তৈরির শ্রমিকরা। তাই রথযাত্রার আগের দিন পসড়া সাজিয়ে বসে কিংবা রং করা এবং রথ বিক্রির দিকেই ঝোঁক দিয়েছেন বিক্রেতারা।

Advertisement
Tags :
Advertisement