For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

নির্বাচনের টাকা তছরূপের অভিযোগ তুলে জেলা দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর বিজেপি কর্মীদের

08:42 PM Jun 08, 2024 IST | Subrata Roy
নির্বাচনের টাকা তছরূপের অভিযোগ তুলে জেলা দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর বিজেপি কর্মীদের
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি,নদিয়া:নির্বাচনের টাকা তছরূপের অভিযোগ তুলে জেলা দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর বিজেপি কর্মীদের। টাকা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ নদিয়া উত্তর(Nadia Uttar) বিজেপির জেলা সভাপতি অর্জুন বিশ্বাস এবং জেলা পরিদর্শক তথা বিজেপি নেতা অমিতাভ চক্রবর্তী বিরুদ্ধে। এদিন এই দুই বিজেপি নেতার পোস্টারে জুতোর মারা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি কর্মীরা। পাশাপাশি ভাঙচুর করা হয় দলীয় কার্যালয়। উল্লেখ্য ,গত ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে এই কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হয়ে দাঁড়িয়েছিল কল্যান চৌবে। অন্যদিকে তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র(Mahua Moitra) কল্যাণ চৌবকে পরাজিত করেছিল। মহুয়া মৈত্র সাংসদ থাকাকালীন তার বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে লোকসভায় প্রশ্ন করার অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগে লোকপাল আদালত তার সাংসদ পদ খারিজ করে দেয়।

Advertisement

অন্যদিকে বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে তার বাড়িতে ইডি এবং সিবিআই তল্লাশি অভিযান চালায়। একাধিক দুর্নীতিকে উপেক্ষা করেও তৃণমূল সুপ্রিম ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চলতি লোকসভা নির্বাচনে আবারও মহুয়া মৈত্রকে কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে। অন্যদিকে, কৃষ্ণনগর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী কে হবেন এই জল্পনা চলছিল। নাম উঠে আসছিল ঝুলন গোস্বামী থেকে শুরু করে সোমা বিশ্বাস এর মত জাতীয় স্তরের ক্রীড়াবিদদের। ঠিক সেখানেই শুভেন্দুর হাত ধরে চমক দিয়ে বিজেপি কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী করেন রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের বংশবধূ অমৃতা রায়কে(Amrita Roy)। পার্টি হওয়ার পর খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজেই অমৃতা রায়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। রাজনীতির আঙিনায় আসার জন্য প্রথমেই নরেন্দ্র মোদী অমৃতা রায়কে সংবর্ধনা জানান। পাশাপাশি আগামী দিনে কিভাবে তিনি রাজনীতি করবেন এবং কোন কোন উন্নয়ন করবেন সে বিষয়ে সবিস্তার আলোচনা করেন ফোনের মাধ্যমে। পরবর্তীকালে সেই ফোনের অডিও সোশ্যাল মিডিয়ায়(Social Media) এবং বিভিন্ন খবরের চ্যানেলে শুনতে পাওয়া যায়। এরপরই প্রচার অভিযানে নেমে পড়েন বিজেপি জেলা নেতৃত্ব তথা প্রার্থী অমৃতা রায়।

Advertisement

পূর্ব পরিকল্পনা ভিত্তিক শিডিউল অনুযায়ী প্রতিদিন নিয়মিত প্রচার করেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের ধারণা ছিল এই কেন্দ্রে কঠিন লড়াই হতে চলেছে এমনকি এবার এই কৃষ্ণনগর কেন্দ্র বিজেপির দখলেও আসতে পারে। কিন্তু চলতি মাসের ৪ তারিখে ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর দেখা যায় প্রায় ৫৭ হাজার ভোটে পরাজিত হন বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায়। এরপরেই বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় কৃষ্ণনগর বিজেপির জেলা নেতৃত্ব দের বিরুদ্ধে একাধিক পোস্ট(Post) উঠে আসে। সেখানে দেখা যায় জালিয়ার নেতৃত্বের বিরুদ্ধে টাকা নিয়ে বিরোধীদের সহায়তা করার কথা। তবে নিজের পরাজয় স্বীকার করে নেন বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায়। সরাসরি দলের বেশকিছু জেলা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে মুখ না খুললেও তিনি বলেন, আমি রাজনীতিতে একদম নতুন। সেই কারণে জেলা নেতৃত্ব থেকে শুরু করে নিচু স্তরের কর্মীরা সম্পূর্ণ আমার অপরিচিত ছিল। আর সদ্য নির্বাচন এগিয়ে আসার কারণে দলের এবং জেলা নেতৃত্ব কথামতো আমি প্রচার অভিযান চালিয়ে গেছি। জেলা নেতৃত্ব যেভাবে বলেছে আমি তাদের কথাতেই গ্রাহ্য করেছি। কিন্তু যে ফলাফল আমি আশা করেছিলাম সেটা হয়নি।

অন্যদিকে ,ক্রমশ দলীয় কর্মীদের মধ্যেই ক্ষোভ বাড়ছিল দলের বিরুদ্ধে। জেলা সভাপতি অর্জুন বিশ্বাসের নাম করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয় পোস্ট। অভিযোগ ওঠে তিনি তৃণমূলের সঙ্গে আঁতাত করে দলকে টাকার বিনিময়ে হারানোর চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। এবার সেই অভিযোগ তুলেই অবিলম্বে অর্জুন বিশ্বাসকে পদত্যাগ এবং জেলা পরিদর্শক রাজ্য নেতা অমিতাভ চক্রবর্তী পদত্যাগ চেয়ে বিক্ষোভ নেমে পড়লেন তারা।এ বিষয়ে বিজেপির কৃষ্ণনগর(Krishnanagar) তিন নম্বর মন্ডলের প্রাক্তন জিএস মিলন বিশ্বাস বলেন, অবিলম্বে এই দুই নেতাকে পদত্যাগ করতে হবে। না হলে আগামী দিনে জেলা কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হবে। এদিন ওই দলীয় অফিসে ভাঙচুর চালায় বিজেপি কর্মীরা। তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয় সেখানে।

Advertisement
Tags :
Advertisement