For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

শেষ মুহূর্তের গোলে ডাচদের স্বপ্ন ভেঙে ফাইনালে ইংল্যান্ড

02:24 AM Jul 11, 2024 IST | Sundeep
শেষ মুহূর্তের গোলে ডাচদের স্বপ্ন ভেঙে ফাইনালে ইংল্যান্ড
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: শেষ মিনিটের গোলে নেদারল্যান্ডসের স্বপ্ন ভেঙে হারিয়ে ইউরো কাপের ফাইনালে পৌঁছল ইংল্যান্ড। দলকে ফাইনালে তোলার নায়ক বদলি খেলোয়াড় হিসাবে নামা অলিভার ওয়াটকিন্স। বক্সের মধ্যে কোল পালমারের ডিফেন্স চেরা পাস ধরে অব্যর্থ লক্ষ্যভেদ করে ডর্টমুন্ড স্টেডিয়ামে হাজির হাজার-হাজার ইংলিশ সমর্থকদের মুখে হাসি ফিরিয়ে এনেছেন তিনি। সন্দেহ নেই যোগ্য দল হিসাবেই ফাইনালে উঠেছে গ্যারেথ সাউথগেটের শিষ্যরা। আগামী রবিবার বার্লিনে ফাইনালে স্পেনের মুখোমুখি হবে ইংলিশরা।

Advertisement

বুধবার রাতে ডর্টমুন্ডে ম্যাচের শুরু থেকেই সমালোচকদের মুখ বন্ধ করে দেন সাউথগেটের শিষ্যরা। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে ডাচ রক্ষণে। যদিও ডাচদের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। উল্টে সাত মিনিটে ডেকলাইন রাইসের কাছ থেকে বল ছিনিয়ে নিয়ে ডি বক্সের বাইরে থেকে দুরপাল্লার শট নেন জাভি সিমন্স। বুলেট গতির শট ইংল্যান্ডের জাল কাঁপায়। ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। গোল খেয়েই খোঁচা খাওযা বাঘের মতো ঝাঁপিয়ে পরে ইংল্যান্ড। ১৩ মিনিটে হ্যারি কেইনের দূরপাল্লার শট দারুণভাবে রুখে দেন ডাচ গোলরক্ষক। এর তিন মিনিট বাদে ডি বক্সের ভিতর থেকে হ্যারি কেইনের নেওয়া শট চলে যায় গোল পোস্টের উপর দিয়ে। কিন্তু ভিএআরে দেখা যায় ডাচ রক্ষণ ভাগের খেলোযাড় ডামফ্রিস ফাউল করেছেন কেইনকে। রেফারি ফেলিক্স জোয়ের পেনাল্টির সিদ্ধান্ত নেন। স্পট কিক থেকে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান কেইন।

Advertisement

ম্যাচে সমতা ফেরার পরে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে খেলা। অধিকাংশ সময় বলের দখল ইংল্যান্ডের দখলে থাকলেও মাঝে মধ্যে আক্রমণ শানিয়ে কাইল ওয়াকার-জর্ডান পিকফোর্ডদের পরীক্ষা নেন জাভি সিমোন্সরা। ২৩ মিনিটে দারুণভাবে ডাচ ডি–বক্সের ভেতর কোবি মাইনুর কাছ থেকে বল পেয়ে ডাচ গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে গোলের উদ্দেশে বল বাড়িয়েছিলেন ফিল ফোডেন। গোললাইন থেকে অবিশ্বাস্যভাবে সেই বল ফিরিয়ে নিশ্চিত পতন রোধ করেন ডামফ্রিস। ৩০ মিনিটে কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে হেড নিয়েছিলেন ডামফ্রিস। সেই হেড  গোলপোস্টে লেগে প্রতিহত হয়। ৩২ মিনিটে ইংল্যান্ডের ফিল ফোডেনের বুলেট গতির শটও গোল পোস্টে লেগে প্রতিহত হয়। ৪০ মিনিটে ফোডেনের শট গ্লাভসবন্দি করে দলের নিশ্চিত পতন রোধ করেন ডাচ গোলরক্ষক।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে ফের গোলের জন্য ঝাঁপায় দুই দলই। রক্ষণকে মজবুত করে আক্রমণে হাঁটে নেদারল্যান্ডস ও ইংল্যান্ড। ফলে খেলার গতি খানিকটা মন্থর হয়ে যায়। ৬৫ মিনিটে ফ্রি–কিক থেকে নেদারল্যান্ডসের  ভার্জিল ফন ডাইকের শট অবিশ্বাস্য দক্ষতায় ঠেকিয়ে ইংল্যান্ডকে রক্ষা করেন গোলরক্ষক। ৭৯ মিনিটে দারুণ এক আক্রমণে কাইল ওয়াকারের পাসে গোল করেন বুকায়ো সাকা। কিন্তু অফসাইডের কারণে ভিআরএ দেখে ওই গোল বাতিল করা হয়। এর পরে দুই দলই বেশ কয়েকটা হাফ চান্স পেয়েছিল। সবাই যখন দরেই নিয়েছিল ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়াচ্ছে, তখনই চমক। ৯০ মিনিটে কোল পালমারের কাছ থেকে বল পেয়ে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে ইংল্যান্ডকে ২–১ গোলে এগিয়ে দেন ওয়াটকিন্স। আর ওই গোলেই টানা দ্বিতীয়বার ইউরো ফাইনালে ওঠার ছাড়পত্র পেয়ে যায় ইংল্যান্ড।

Advertisement
Tags :
Advertisement