For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

অন্নু কাপুরের 'হামারে বারাহ' মুক্তির উপরে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

ছবিটির ট্রেলার মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই আইনি ঝামেলায় আটকে রয়েছে। এমনকী একাধিকবার ছবি মুক্তি আটকানোর জন্যে হুমকিও দেওয়া হয়েছে ছবির নির্মাতাদের। কিন্তু বরাবরই অন্নু কাপুর বলে এসেছেন, ছবি দেখে বিচার করতে।
03:39 PM Jun 13, 2024 IST | Susmita
অন্নু কাপুরের  হামারে বারাহ  মুক্তির উপরে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: কালো মেঘের ছায়া কাটছেই না। অনির্দিষ্টকালের জন্যে অন্নু কাপুরের ছবি 'হামারে বারাহ' মুক্তির স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের। সপ্তাহ কয়েক আগেই রিলিজ করেছে আন্নু কাপুর, মনোজ যোশী এবং পরিতোষ ত্রিপাঠীর ফিল্ম 'হামারে বারাহ'-এর টিজার। আর টিজার প্রকাশের পরপরেই, ছবিটি নিয়ে বিতর্কের ঝড় উঠেছে। গত সপ্তাহেই ছবিটির মুক্তি স্থগিত করেছিল বোম্বে হাইকোর্ট। ছবিতে উত্তরপ্রদেশের জনজীবনকে নিয়ে নির্মিত ছবিটি উত্তরপ্রদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং মহিলাদের দুর্দশার কথা বলেছে। যা নিয়ে রীতিমতো তেতে উঠেছে অনেকেই। যার আঘাত গিয়ে পড়েছে সোজাসুজি নির্মাতাদের উপর। এমনকী মৃত্যু হুমকিও পেয়েছেন ছবির প্রধান অভিনেতা অন্নু কাপুর। তবে কাউকে আঘাত করা ছবিটির উদ্দেশ্য নয়, মুভিটির উদ্দেশ্য সামাজিক উদ্বেগের উপর আলোকপাত করা। যেটি উত্তরপ্রদেশের নারী নির্যাতনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে। ছবিটির ট্রেলার মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই আইনি ঝামেলায় আটকে রয়েছে। এমনকী একাধিকবার ছবি মুক্তি আটকানোর জন্যে হুমকিও দেওয়া হয়েছে ছবির নির্মাতাদের। কিন্তু বরাবরই অন্নু কাপুর বলে এসেছেন, ছবি দেখে বিচার করতে।

Advertisement

এই নিয়ে বোম্বে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। আইনি জটিলতার পর ছবির মুক্তির তারিখ পিছিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল বোম্বে হাইকোর্ট। ৭ জুনের জায়গায় ১৪ জুন পর্যন্ত এটির মুক্তি স্থগিত করেছিল। কিন্তু সর্বশেষ রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। বম্বে হাইকোর্ট এই মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ছবির মুক্তির ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। আদালত হাইকোর্টকে অনুরোধ করেছে যে আবেদনটি দ্রুত নিষ্পত্তি করা হোক। বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং সন্দীপ মেহতার সমন্বয়ে গঠিত একটি অবকাশকালীন বেঞ্চ, আইনজীবী ফৌজিয়া শাকিলের দাখিল নোটে বোম্বে হাইকোর্টকে আবেদনের বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে বলেছেন। বেঞ্চ ছবিটির মুক্তি স্থগিত রেখে পর্যবেক্ষণ করেছে এবং জানিয়েছে, "আমরা সকলে সিনেমার ট্রেলার দেখেছি এবং ট্রেলারে এখনও সমস্ত আপত্তিকর সংলাপ অব্যাহত রয়েছে।" তবে কেন্দ্রীয় সংস্থা সিবিএফসি নিজেই বোম্বে হাইকোর্টে দায়ের করা পিটিশনের পক্ষ নিয়ে নিজস্ব কমিটিতে চলচ্চিত্রটি প্রদর্শন করতে পারে।

Advertisement

একটি প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে, আবেদনকারী বলেছিলেন যে সিবিএফসি এই ছবিটির প্রদর্শনের জন্য একটি কমিটি গঠন করেছে। স্ক্রিনিংয়ের পরে, সিবিএফসি কমিটি সেই ছবির টিজার এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু অংশ সরানোর পরামর্শ দিয়েছিল, যা অবিলম্বে সরিয়েও দেওয়া হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতেই হাইকোর্ট ছবিটি মুক্তির অনুমতি দিয়েছিল। কিন্তু বোম্বে হাইকোর্টের এই আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আবেদনকারী মামলা দায়ের করেন। যে পিটিশনে বলা হয়েছিল যে, এই চলচ্চিত্রটির কাহিনী ইসলাম ধর্মের পরিপন্থী এবং ভারতের বিবাহিত মুসলিম মহিলাদের অপমান করেছে। এছাড়াও ছবিটি ইতিমধ্যেই কর্ণাটকে নিষিদ্ধ হয়ে গিয়েছে। বোম্বে হাইকোর্টও ছবির ট্রেলারে কিছু সংলাপের বিষয়ে আপত্তি তুলেছিল। প্রসঙ্গত, সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশন (সিবিএফসি) বেঞ্চকে বলেছে যে, এটি ছবিটিকে শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ইউটিউবে প্রকাশিত ছবির ট্রেলারের উপর তাঁদের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই ৷

সিবিএফসি-এর পক্ষ থেকে অনেক স্তরে তদন্ত করা হবে। আট সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি কিছু সংশোধনীর পরামর্শ দিয়েছিল, যা অনুসরণ করা হয়েছে। অদ্বৈত শেঠনা জানিয়েছেন যে, পরিবর্তনের পরেই ছবিটিকে U/A সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছিল। ছবির কিছু সংলাপে আপত্তির তোলার পর চলচ্চিত্র নির্মাতারা সেগুলো সরিয়ে দিয়েছেন। এই বিষয়ে বেঞ্চ জিজ্ঞাসা করেছে যে, সিবিএফসি যদি সংলাপগুলি সরিয়ে দেয় তবে আবেদনকারী কীভাবে সেগুলি দেখল? কিসের ভিত্তিতে আপনি বলছেন এই সংলাপগুলো সরানো হয়েছে? ইন্টারনেটে প্রকাশিত ট্রেলারগুলির উপর সিবিএফসির কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই। টিকিট বুকিং অ্যাপে প্রকাশিত পরবর্তী ট্রেলারে সেই সংলাপগুলি ছিল না।

Advertisement
Tags :
Advertisement