For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

বাংলার অযোধ্যায় হোক রামসীতার মন্দির, ডাক অখিল ভারত হিন্দু মহাসভার

পুরুলিয়ার বুকে অযোধ্যা পাহাড়ে সীতাকুণ্ডের পাশে রামসীতা মন্দির নির্মাণের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হতে চলেছে অখিল ভারত হিন্দু মহাসভা।
03:04 PM Jan 22, 2024 IST | Koushik Dey Sarkar
বাংলার অযোধ্যায় হোক রামসীতার মন্দির  ডাক অখিল ভারত হিন্দু মহাসভার
Courtesy - Google
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: অযোধ্যার বুকে অর্ধসমাপ্ত অর্ধনির্মীত মন্দিরে শাস্ত্রবিরোধীভাবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে রামলালার মূর্তি। সেই মূর্তি আবার প্রতিষ্ঠা করেছেন খোদ দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু অশাস্ত্রীয় ভাবে মূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠার অভিযোগ তুলে আগেই অযোধ্যার রামমন্দিরের উদ্বোধন এবং সেখানে রামলালার মূর্তির প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান বয়কট করার ডেক দেয় দেশের বেশ কিছু হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। সেই সব সংগঠনের মধ্যে সামিল আছে হিন্দু মহাসভাও। ঘটনাচক্রে এদিনই পুরুলিয়ার(Purulia District) বুকে অযোধ্যা পাহাড়ে(Ayodhya Hill) সীতাকুণ্ডের(Sitakundu) পাশে রামসীতা পুজোর আয়োজন করে অখিল ভারত হিন্দু মহাসভা(Akhil Bharat Hindu Maha Sabha) নামে অপর একটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। সেখান থেকেই এদিন তাঁরা দাবি তুলেছেন যে, সীতাকুণ্ডের পাশে রামসীতার মন্দির(Ramsita Temple) গড়ে তুলতে হবে, অযোধ্যা পাহাড় অঞ্চলকে হেরিটেজ সাইট ঘোষণা করতে হবে এবং তার যথোপযুক্ত উন্নয়ন ঘটিয়ে একটি উন্নত মানের পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তুলতে হবে। অখিল ভারত হিন্দু মহাসভার সমাসভার রাজ্য সভাপতি চন্দ্রচূড় গোস্বামীর(Chandrachur Goswami) নেতৃত্বে এদিনের কর্মসূচী পালিত হয়। 

Advertisement

চন্দ্রচূড় গোস্বামী এদিন জানিয়েছেন, ‘অযোধ্যা যেমন প্রভু রামচন্দ্রের জন্মস্থান, সে রকম বাংলার এই অযোধ্যা পাহাড় অঞ্চল প্রভু রামের কর্মভূমিরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই পথ দিয়েই ভাই লক্ষণ এবং পত্নী সীতা দেবীকে নিয়ে প্রভু রাম অযোধ্যা থেকে কিস্কিন্ধ্যা গিয়েছিলেন এবং বেশ কিছু দিন এই অঞ্চলের অরণ্যে বসবাস করেন। শুধু তাই নয় তৃষ্ণার্ত সীতা দেবীকে জল খেতে দেওয়ার জন্য তির নিক্ষেপ করে এই অঞ্চলে যে জলাশয় বা কূপ সৃষ্টি করেন ভগবান রামচন্দ্র সেই জলাশয়ই সীতাকুণ্ড নামে পরিচিত। প্রভু রামচন্দ্র কোন এক ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের মালিকানা হতেই পারে না। ভারতবর্ষের প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে মর্যাদা পুরুষোত্তম রামচন্দ্রের অবস্থান হওয়া উচিত। সনাতনী সমস্ত মানুষের আবেগের নাম রামচন্দ্র। তাই ভোট ব্যাঙ্কের স্বার্থে রাজনৈতিক রুটি স্যাঁকার জন্য যারা প্রভু রামকে হিন্দি বলয়ের ভগবান করে রাখতে চান তাদের জানা নেই রাবণকে যুদ্ধে হারানোর জন্য প্রভু রাম এই বাংলার ঘরের মেয়ে উমা বা দেবী দুর্গার আরাধনা করে ছিলেন। রামের সৃষ্ট পূজাই আজ অকালবোধন রূপে শরৎকালে সারা বাংলায় দেবী দুর্গার পুজো হয়। আগামী দিনে সীতাকুণ্ডের পাশে যাতে রামসীতা মন্দির নির্মাণ করা যায় তার জন্য আমরা জনমত গঠন করে এলাকার সাংসদ, বিধায়ক, রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী এবং অবশ্যই মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

Advertisement

Advertisement
Tags :
Advertisement