For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

Rath Yatra 2024: বন্দুকের গুলি ছোঁড়ার শব্দে থেমে যায় মাহেশের রথ

07:52 AM Jul 06, 2024 IST | Reshmi Khatun
rath yatra 2024  বন্দুকের গুলি ছোঁড়ার শব্দে থেমে যায় মাহেশের রথ
courtesy google
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি : ভারতের দ্বিতীয় এবং বাংলার প্রাচীনতম রথযাত্রা উৎসব হল মাহেশের রথযাত্রা। হুগলিতে বিখ্যাত উৎসব হল মাহেশ রথযাত্রা।আগামী ৭ই জুলাই বাংলায় পালিত হবে মাহেশ রথযাত্রা। কলকাতা ও মায়াপুরে ইসকনের রথযাত্রার পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় রথযাত্রার আয়োজন করা হয়। এইসময় বাংলার প্রতিটি রাস্তায় ও এলাকায় শিশুদের তিনতলার রথ বের করতে দেখা যায়। হুগলি জেলার মহেশ জগন্নাথের রথযাত্রা কিন্তু বেশ পুরনো। প্রায় ৬২৮ বছরের পুরনো এই মাহেশ রথযাত্রা। এইদিন রথযাত্রায় অংশ নেন প্রচুর সংখ্যক ভক্তরা।

Advertisement

জানা যায়, মাহেশে এসেছিলেন ‘চৈতন্যদেব’। যেহেতু পুরীকে বলা হয় ‘নীলাচল’ তাই তিনি মাহেশের নতুন নামও দিয়েছিলেন ‘নব নীলাচল’। শুধু ‘চৈতন্যদেব’ নয় মাহেশের মেলায় চাক্ষুস দর্শন করেছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণও। এমনকী বঙ্কিমচন্দ্রের ‘রাধারাণী’ উপন্যাসেও মাহেশের রথের মেলার উল্লেখ পাওয়া যায়।

Advertisement

মাহেশের রথযাত্রার ইতিহাস : মাহেশে রথযাত্রার প্রথম রথটি বানিয়েছিলেন এক মোদক (মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী)। ১৭৫৪ সালে রথযাত্রায় এসেছিলেন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হুগলি জেলার দেওয়ান শ্যামবাজারের বসু পরিবারের কৃষ্ণরাম বসু। পরের বছর তিনিই পাঁচটি চূড়াবিশিষ্ট কাঠের রথ তৈরি করে দিয়েছিলেন। রথের ব্যয়ভার বহনের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন। রথ চলাচলের জন্য মাহেশ থেকে বল্লভপুর পর্যন্ত দেড় মাইল রাস্তাও তৈরি করে দিয়েছিলেন।তখন থেকে ওই পরিবারই রথের দায়িত্ব নিয়ে আসছে।

পরবর্তীকালে এই রথটি জীর্ণ হয়ে পড়ে। তখন ১৭৯৮ সালে ন’টি চূড়াবিশিষ্ট নতুন রথ বানিয়ে দিয়েছিলেন কৃষ্ণরামের ছেলে গুরুপ্রসাদ। তবে ১৮৮৪ সালে রথযাত্রার দিন বল্লভপুরে গুন্ডিচাবাটীতে সেই রথটি পুড়ে গিয়েছিল। বসু পরিবারেরই কর্তা কৃষ্ণচন্দ্রবাবু পরের বছর বর্তমান লোহার রথটি নির্মান করেন।

এই রথটি বানিয়েছিলেন মার্টিন বার্ন কোম্পানি। তখন দাম ছিল ২০ লক্ষ টাকা। এই রথটি চারটি তলবিশিষ্ট রথ। যেটি লোহার কাঠামোর উপর কাঠ দিয়ে তৈরি। উচ্চতা ৫০ ফুট। ওজন প্রায় ১২৫ টন। ১২টি লোহার চাকা রয়েছে এই রথে।

মাহেশে রথ থামে গুলির শব্দে : সোজা রথের দিন রথে চাপিয়ে জগন্নাথ,বলরাম ও সুভদ্রাকে গুন্ডিচাবাটীতে নিয়ে যাওয়া হয়। মাহেশে গুণ্ডিচাবাটীকে বলা হয় কুঞ্জবাটী বা ‘মাসির বাড়ি’।অসংখ্য ভক্ত এসে উপস্থিত হয়। খালি পায়ে রশি টেনে রথকে জিটি রোড ধরে মাসির বাড়িতে পৌঁছে দেন। রথ চালানোর জন্য বিউগল, কাঁসর, ঘণ্টা বাজানো হয়। তবে থামানোর জন্য বন্দুক থেকে গুলি ছোড়া হয়। তারপেরই রথ থামে।

Advertisement
Tags :
Advertisement