For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

‘বৈশাখী রাজনীতির র-টাও বোঝেন না, আমার পক্ষে মানা সম্ভব নয়’ সাফ জানালেন রত্না

শোভন চট্টোপাধ্যায়ের তৃণমূলে প্রত্যাবর্তনের প্রহর গোনার পালা যখন শুরু হয়ে গিয়েছে, তখন মুখ খুলে কার্যত বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন রত্না।
04:12 PM Jul 06, 2024 IST | Koushik Dey Sarkar
‘বৈশাখী রাজনীতির র টাও বোঝেন না  আমার পক্ষে মানা সম্ভব নয়’ সাফ জানালেন রত্না
Courtesy - Facebook and Google
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: দুই নারী হাতে তরবারি। মাঝে শুধু এক পুরুষ। সেই পুরুষের হকদার কে হবেন তা নিয়েই লড়াই। ঠাণ্ডা মোটেও নয়, বেশ গরমাগরম। কেননা তাঁদের সেই লড়াইয়ের আঁচ পড়েছে রাজ্য রাজনীতির পাশাপাশি আদালত থেকে সংবাদমাধ্যমেও। মাঝে মধ্যেই সেই লড়াই তাই ভেসে ওঠে খবর হয়ে। জেগে ওঠে ‘তু তু ম্যায় ম্যায়’। পুরুষটি অবশ্য সব ঝড় ঝাপটা সামলে আবারও আগের মতোই সক্রিয় হয়ে উঠছেন ধীরে ধীরে। তবে ফিরে যাননি প্রাক্তনের কাছে। চুটিয়ে ঘর সংসার করছেন নবীনের সঙ্গে। ফিরছেন রাজনীতিতেও। আর তাঁর সেই প্রত্যাবর্তনের আভাস পেয়েই মুখ খুলেছেন প্রাক্তনী। প্রাক্তন স্বামীকে রাজনীতির ময়দানে স্বাগত জানালেও সাফ বুঝিয়ে দিয়েছেন সতীনকে কোনও মতেই মেনে নেবেন না। তিনি রত্না চট্টোপাধ্যায়(Ratna Chatterjee)। শোভন চট্টোপাধ্যায়ের(Sovon Chatterjee) তৃণমূলে(TMC) প্রত্যাবর্তনের প্রহর গোনার পালা যখন শুরু হয়ে গিয়েছে, তখন তিনি মুখ খুলে কার্যত বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন। সেই মুখ খোলা যতটা শোভনের বিরুদ্ধে, তার অনেক বেশি সতীন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Baishakhi Banerjee) বিরুদ্ধে।

Advertisement

ঠিক কী বলেছেন রত্না? জানিয়েছেন, ‘ওনাকে কেউ রাজনীতি ছেড়ে যেতে বাধ্য করেনি। উনি নিজের ইচ্ছায় গিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে(Mamata Banerjee) সৎমা বানিয়েছেন, অভিষেককে(Abhishek Banerjee) সোনার গোপাল বানিয়েছেন বিজেপিতে যাওয়ার পর। তারপর আবার যদি ওনার মনে হয় তৃণমূল ওনার নিজের পরিবার, সৎ মা আবার মা হয়ে গিয়েছে, সোনার গোপাল অভিষেক এখন আবার ম্যাচিওর হয়ে গিয়েছেন, তো ফিরবেন। রাজনীতি করবেন। এক সময় দুইজনই বলেছিলেন আমার সঙ্গে এক মঞ্চে রাজনীতি করবেন না। এখন যদি মনে হয় রত্না চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে এর মঞ্চ শেয়ার করা যায়, তাহলে আসবেন। রাজনীতি আমি তো ছাড়ছি না। বৈশাখীদেবীকে নিয়ে বিজেপিতে(BJP) গিয়ে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের কী হাল হয়েছিল, উনি খুব ভাল করে জানেন। তৃণমূল করতে শোভন যদি একা আসেন, তবেই শোভনের রাজনীতিটা করা হবে। যদিও শোভনবাবু যেখানে যাবেন বৈশাখীদেবী পিছনে গিয়ে বসে পড়বেন। আমি তো মানব না। আমার পক্ষে মানা সম্ভব নয়। উনি রাজনীতির র বোঝেন না। রাজনীতিতে ওনার কোনও অবদানও নেই।’

Advertisement

ঘটনা হচ্ছে, শোভন-রত্নার বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা এখনও চলছে। রত্না এখনও শোভনকে ডিভোর্স দেননি। তাই খাতায় কলমে এখনও তাঁরা স্বামী স্ত্রী। একই সঙ্গে রত্না বেহালা পূর্বের বিধায়ক ও কলকাতা পুনিগমের ১৩০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর। রত্না চট্টোপাধ্যায়ের কথায়, শোভনের ঘরওয়াপসি নিয়ে তাঁর কোনও সমস্যা নেই। শোভন চলে যাওয়াতেই তাঁকে সক্রিয় রাজনীতিতেও আসতে হয়। তবে বৈশাখীকে তিনি এক ইঞ্চিও জমি ছেড়ে কথা বলবেন না। এদিকে শোভনের তৃণমূলের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনায় রীতিমত উচ্ছ্বসিত বৈশাখী। তবে রত্নার ঝাঁঝালো আক্রমণ নিয়ে প্রতিক্রিয়া প্রদানেও বেশ সাবধানী। রত্নার বক্তব্য নিয়ে নিজ প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি বলেছেন, ‘ওনার কথা এতটা প্রাসঙ্গিক নয় যে কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে পারি। সুস্থ রুচি সম্পন্ন মানুষের কথা হলে প্রতিক্রিয়া দেওয়া যায়। ওনার কথার উত্তর দিতে যেখানে আমাকে নামতে হবে, আমি নামতে রাজি নই। উনি আমার সম্পর্কে যাই বলুন, আমি এটুকু বুঝতে পারছি শোভন রাজনীতিতে এলে উনি ওনার প্রাসঙ্গিকতা হারাতে পারেন ভেবে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে এসব বলছেন।’

Advertisement
Tags :
Advertisement