For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

মর্মান্তিক! মেয়ের বিয়ের দিনেই কাফনবন্দী হয়ে বাড়িতে ফিরল বাবার মরদেহ

পঞ্জাব পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে প্রথমে ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়েছিল এবং ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর বুধবার সকালে নিহত আজিজুলের কফিনবন্দি দেহ মালদার গ্রামের বাড়িতে ফেরে।
06:00 PM May 29, 2024 IST | Susmita
মর্মান্তিক  মেয়ের বিয়ের দিনেই কাফনবন্দী হয়ে বাড়িতে ফিরল বাবার মরদেহ
courtesy: google
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: মর্মান্তিক! মেয়ের বিয়ের দিনই বাড়িতে ফিরল বাবার কাফনবন্দী মরদেহ। মেয়ের যেদিন বিয়ে ঠিক সেদিনই বাড়িতে ফিরল কর্মরত পরিযায়ী শ্রমিক বাবার দেহ। যিনি ভিন রাজ্যে কাজ করতেন। যা দেখে মেয়ের বিয়ের আনন্দ ভুলে কান্নায় ভেঙে পড়লেন গোটা পরিবার। সঙ্গে গোটা গ্রাম। নিহত পরিযায়ী শ্রমিকের বাড়ি মালদা, এবং তিনি কর্মসূত্রে পঞ্জাবে শ্রমিকের কাজ করতেন। মেয়ের বিয়ের আগেই বাবার ফেরার কথা ছিল, কন্যাদান করতে হবে যে! ফিরলেন বাবা মেয়ের বিয়ের দিনেই, কিন্তু সুস্থ শরীরে নয়। কাফনবন্দী লাশ হয়ে। এমনটা স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি তাঁর পরিবার। সূত্রের খবর, পঞ্জাবে কাজে গিয়েছিলেন মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর থানার কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের মুকুন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা আজিজুল হক, বয়স মাত্র ৪৫ বছর।

Advertisement

সেখানেই গত সোমবার কর্মস্থল থেকে মোটরবাইক নিয়ে নিজের অস্থায়ী বাসস্থানে ফেরার পথে পথ দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। পঞ্জাব পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে প্রথমে ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়েছিল এবং ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর বুধবার সকালে নিহত আজিজুলের কফিনবন্দি দেহ মালদার গ্রামের বাড়িতে ফেরে। অত্যন্ত নিম্ন মধ্যবিত্ত ছিলেন তিনি। অর্থের জন্যে বাড়িঘর ছেড়ে ভিন রাজ্যে পড়েছিলেন আজিজুল। বাড়িতে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন তিনি। মেয়ের বিয়ের সকল ব্যবস্থা ঠিকঠাক হচ্ছে কিনা, ফোনের মাধ্যমে প্রতিদিন জানতেন তিনি। বাড়িতে রোজগারের অর্ধেকের বেশি অংশই পাঠিয়ে দিতেন। কিন্তু মুহূর্তেই সব শেষ। মেয়ের বিয়ের দিনেই লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন বাবা। এমনকী তাঁর দেহ আনার অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া প্রতিবেশীরাই চাঁদা তুলে জোগাড় করেছিলেন।

Advertisement

আজিজুলের দুই মেয়ে এবং এক ছেলে। বড় মেয়ের বিয়ের কথা ছিল এদিন। তাই আজিজুলেরও বাড়িতে ফেরার কথা ছিল সেদিন। কিন্তু কাফনবন্দী হয়ে যে তাঁদের বাবা ফিরবেন তা কল্পনার বাইরে। ঘটনার খবর পেয়ে মালদার তৃণমূল জেলা পরিষদ সদস্য মর্জিনা খাতুন তাঁর বাড়িতে পৌঁছন। সরকারিভাবে তাঁর পরিবারকে দ্রুত ২ লক্ষ টাকা সাহায্য এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। এছাড়াও আজিজুলের পরিবারকে সমবেদনা জানাতে তাঁর বাড়িতে ছুটে যান বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকর্তারা।

Advertisement
Tags :
Advertisement