For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

বিজেপির জেলা সভাপতির সামনেই দলের কনভেনারকে মার

দলের জেলা সভাপতির সামনেই দলের কনভেনারকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে বিজেপিরই কিছু নেতাদের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার জেরে এখন কার্যত মুখ পুড়ছে বিজেপির।
05:30 PM Jan 13, 2024 IST | Koushik Dey Sarkar
বিজেপির জেলা সভাপতির সামনেই দলের কনভেনারকে মার
Courtesy - Google
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার ধুপগুড়ি বিধানসভা নির্বাচনের সময়ে প্রকাশ্যেই বিজেপির এক নেতাকে রাস্তার মধ্যে মারধর করার ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনার ভিডিও ও ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতে বেশি দিন সময় লাগেনি। সেই ঘটনায় চূড়ান্ত অস্বস্তিতে পড়েছিল পদ্ম শিবির। উপনির্বাচনের ফলও গিয়েছিল বিজেপির বিরুদ্ধে। একুশের ভোটে ওই আসনে বিজেপি জিতেছিল ৪ হাজার ৬৮৮টি ভোটে। অথচ ২৩’র উপনির্বাচনে সেই আসনেই তৃণমূল(TMC) জেতে ৪ হাজার ৩০৯ ভোটে। আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রটিও উনিশের ভোটে জিতেছিল বিজেপি, কিন্তু সেই আসনের উপনির্বাচনে জয়ী হয়েছে তৃণমূল। এই দুটি ঘটনা থেকেও যে বিজেপি(BJP) কোনও শিক্ষা নেয়নি সেটা আবারও সামনে এল সেই আসানসোলের(Asansol) বুকেই। সেখানে দলের জেলা সভাপতির(Party District President) সামনেই দলের কনভেনারকে(Convener) মারধর করার অভিযোগ উঠেছে বিজেপিরই কিছু নেতাদের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার জেরে এখন কার্যত মুখ পুড়ছে বিজেপির।

Advertisement

জানা গিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুর মহকুমার পাণ্ডবেশ্বর থানার ডালুরবাঁধ এলাকায় বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে গিয়েছিলেন দলের জেলা সভাপতি বাপ্পা চট্টোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার কনভেনার রূপক পাঁজাও। অভিযোগ সেখানেই বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তেওয়ারির অনুগামীদের হাতে মার খান রূপকবাবু। নেতারা। আক্রান্ত বিজেপি নেতাকে শুক্রবার দুপুরে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁকে দেখতে এসে জিতেন্দ্রকে ইঙ্গিত করে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন বিজেপি যুব মোর্চার জেলা সহ সভাপতি পলাশ রায়চৌধুরী। তাঁর দাবি, ‘যারাই বিজেপিতে পদ পাচ্ছেন না, তাঁদের সনাতনী সেনাতে যোগদান করানো হচ্ছে। এভাবে বিজেপিকে দুর্বল করছেন তিনি। ওরাই রূপকের ওপর হামলা চালিয়েছিল। এখানে ওর লোকজন তোলাবাজি করছে। রূপক তার প্রতিবাদ করছিলেন। সেই কারণেই এই হামলা।’ জিতেন্দ্র তেওয়ারির অনুগামীরা এলাকায় তোলাবাজি করছে বলেও অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন আদি বিজেপি নেতারা।

Advertisement

এই ঘটনায় বিজেপি রাজ্য সম্পাদিকা অগ্নিমিত্রা পাল আবার জানিয়েছেন, ‘যারা আমাদের বিজেপি কার্যকর্তাকে মেরেছে, তারা বিজেপি হতে পারে না, তারা দুষ্কৃতী। তারা অন্যদলের। সনাতনী সেনার সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগ নেই।’ বিজেপি নেতার ওপর হামলার ঘটনায় সরব হয়েছে তৃণমূলও। দলের আসানসোল জেলা কমিটির সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, ‘এটা আদি ও নব্য বিজেপির দ্বন্দ্ব। খারাপ লাগছে এভাবে একজন বিজেপি নেতা তাঁদের লোকের হাতেই মার খেলেন।’ স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এই ধরনের ঘটনার পরে ২৪’র ভোটে(General Election 2024) আসানসোলে কী পদ্মশিবির আদৌ কী ঐক্যবদ্ধ ভাবে লড়াই করতে পারবে! নাকি নিজের গৃহযুদ্ধের জেরে মুখ থুবড়ে পড়বে।  

Advertisement
Tags :
Advertisement