For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

রাজ্যের D.El.Ed কলেজগুলিতে বাড়ছে না ভর্তির সময়সীমা, ৩১ মে শেষ দিন

রাজ্যের সব D.El.Ed কলেজগুলির ক্ষেত্রে ভর্তি হওয়ার শেষ দিন থাকছে ৩১ মে। নতুন করে ভর্তির দিনক্ষণ বাড়ানো হচ্ছে না।
01:18 PM May 26, 2024 IST | Koushik Dey Sarkar
রাজ্যের d el ed কলেজগুলিতে বাড়ছে না ভর্তির সময়সীমা  ৩১ মে শেষ দিন
Courtesy - Facebook and Google
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: সুপ্রিম কোর্টের(Supreme Court) নির্দেশে এখন থেকে প্রাথমিক শিক্ষকতার(Primary School Teaching) চাকরিতে Diploma in Elementary Education বা D.El.Ed থাকা আবশ্যক। এই রায়ের জন্যই এবার থেকে বিএড উত্তীর্ণরা আর প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষকতার জন্য আবেদন করতে পারবেন না। প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষকতার চাকরি করতে হলে প্রার্থীকে অবশ্যই D.El.Ed হতে হবে। কিন্তু সেই রায় কার্যকর হওয়া নিয়ে এই রাজ্যেই প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল বেসরকারি D.El.Ed কলেজগুলির(D.El.Ed College) অনুমোদন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সমস্যা দেখা দেওয়ায়। যদিও সেই সমস্যা আপাতত কেটে গিয়েছে। এই বেসরকারি কলেজগুলি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে ভর্তির দিন কিছুটা বাড়ানোর জন্য আবেদনও জানিয়েছিল। কিন্তু পর্ষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, সেই দিন বাড়ানো হচ্ছে না। অর্থাৎ চলতি মাসের ৩১ তারিখ অবধিই রাজ্যের সব D.El.Ed কলেজগুলির ক্ষেত্রে ভর্তি হওয়ার শেষ দিন(Last Date of Admission) থাকছে।

Advertisement

রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের(WBBPE) হিসেব অনুযায়ী, বাংলায় সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে D.El.Ed কলেজের সংখ্যা ৬৫৬। এর মধ্যে বেসরকারি কলেজ হচ্ছে ৫৫০টি। সরকারি ও বেসরকারি কলেজ মিলিয়ে মোট ৩৮ হাজারের কিছু বেশি পড়ুয়া সেখানে ভর্তি হতে পারে। দেশে শিক্ষক শিক্ষণে কেন্দ্রীয় নিয়ামক সংস্থা হল National Council for Teacher Education বা NCTE। তাঁরাই দেশের সব D.El.Ed কলেজগুলিকে স্বীকৃতি দিয়ে থাকে। তবে এ রাজ্যের কলেজগুলিকে অনুমোদন দেওয়ার জন্য সেই দায়িত্ব প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে দিয়েছে NCTE। এই আবহে গত মাসেই সামনে এসেছিল যে, রাজ্যের খুব কম করে ৪৫০টি বেসরকারি কলেজের অনুমোদনের সময়সীমা পেরিয়ে গিয়েছে। সেই সময় পর্ষদ জানিয়ে দিয়েছিল, ওই কলেজগুলিতে পরিদর্শনের পরই নতুন শিক্ষাবর্ষে পড়ুয়া ভর্তির জন্য অনুমতি দেওয়া হবে। পরিদর্শনের জন্য প্রতিটি কলেজ পর্ষদকে ২৫ হাজার টাকা দেবে। পরিকাঠামো ঠিকঠাক থাকলে ভর্তিতে ছাড় দেবে পর্ষদ। নাহলে ফলে পরিদর্শনের ক্ষমতা এবং অনুমোদন আটকে দেওয়ার ক্ষমতা ব্যবহার করে পর্ষদ ওই কলেজের অনুমোদনব আটকে দেবে। সেক্ষেত্রে ওই সব কলেজে আর কেউ ভর্তি হতে পারবেন না।

Advertisement

এই প্রসঙ্গে পর্ষদ সভাপতি গৌতম পাল জানিয়েছেন, ‘আমি যখন দায়িত্ব নিয়েছিলাম তখন দেখি বেসরকারি কলেজগুলির অনুমোদনের মেয়াদ আগেই পেরিয়ে গিয়েছে। আগে হয়ত এ বিষয়ে কড়াকড়ি ছিল না। তবে এনসিটিই’র গাইডলাইন অনুযায়ী পরিকাঠামো থাকা তো দূর, আমাদের কাছে অভিযোগ আসত, স্কুল, বিএড কলেজ প্রভৃতির পরিকাঠামোতেই চলছে ডিএলএড কলেজ। এমনকী বহু কলেজের শিক্ষকরাও বেতন না পাওয়ার অভিযোগ জানিয়ে চিঠি লিখতেন। তারপর এই পরিদর্শন শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।’ এখন জানা গিয়েছে অনুমোদন নবীকরণের জন্য বেসরকারি কলেজগুলির তরফে প্রথম দিকে আবেদনেত্র গতি কম থাকলেও পরে তাতে গতি এসেছে এবং সেই পরিদর্শনের প্রক্রিয়া শুরুও হহয়ে গিয়েছে। তবের পড়ুয়া ভর্তির দিন আর বাড়ানো হচ্ছে না। সেটা ৩১ মে অবধিই শেষ দিন থাকছে।

Advertisement
Tags :
Advertisement