For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

কড়া নজরদারি এবার রাজ্যের পঞ্চায়েত প্রতিনিধিদের আয়-ব্যয় সম্পত্তিতে

রাজ্যে দুর্নীতির ক্ষেত্রে Zero Tolerance নীতি নিয়ে এগোবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। আর সেই সূত্রেই নজরদারির আওতায় পঞ্চায়েত সদস্যরা।
10:01 AM Jan 15, 2024 IST | Koushik Dey Sarkar
কড়া নজরদারি এবার রাজ্যের পঞ্চায়েত প্রতিনিধিদের আয় ব্যয় সম্পত্তিতে
Courtesy - Facebook and Google
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) একাধিকবার জানিয়ে দিয়েছেন তাঁর সরকার রাজ্যে দুর্নীতির(Corruption) ক্ষেত্রে Zero Tolerance নীতি নিয়ে এগোবে। আর তাই এবার রাজ্যের ত্রিস্তর পঞ্চায়েত(Three Tier Panchayat System) ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত নির্বাচিত প্রতিনিধিদের(Elected Representative) ওপর কড়া নজরদারি(Strict Vigilance) চালানো সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাঁর সরকার। গত বছর পঞ্চায়েত নির্বাচনের পরে রাজ্যের ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় নতুন করে দায়িত্বে এসেছেন প্রায় ৭৫ হাজার জনপ্রতিনিধি। এবার থেকে সেই সব জনপ্রতিনিধিদের প্রত্যেকের সম্পত্তির হিসেব থেকে শুরু করে পেশার বিবরণ, শিক্ষাগত যোগ্যতা মায় আয়-ব্যয়ের হিসাবও রাজ্যের কাছে রাখার প্রক্রিয়া শুরু করতে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। অর্থাৎ সরাসরি তাঁদের আর্থিক কার্যকলাপের ওপর নজরদারি চালাবে নবান্ন।

Advertisement

নবান্ন সূত্রের খবর, রাজ্যের ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত ব্যবস্থার একদম তৃণমূল স্তর বা গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রতিবছর বহু কোটি কোটি টাকার কাজ হয়। ওই খরচ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠছে গত কয়েক বছর ধরেই। আর সেই সব দুর্নীতির জেরে থমকে গিয়েছে রাজ্যে কেন্দ্রে সরকারের একাধিক প্রকল্পের টাকা আসার ঘটনা। পাশাপাশি এটাও দেখা গিয়েছে এই কয়েক বছরে যে, দুর্নীতির মিথ্যা অভিযোগ তুলে এবং অভিযোগের সত্য-মিথ্যা যাচাই না করেই তাতে নাম জড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে পঞ্চায়েত সদস্যদের। তাতে সবচেয়ে বেশি বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে শাসক দলের জনপ্রতিনিধিদেরই। এই বিড়ম্বনা থেকে রেহাই দিতে আগে থেকে রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতরের তরফে তাঁদের সম্পর্কিত তথ্যাদি নিয়ে রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে রাজ্যের তথ্যভাণ্ডারে থাকা জনপ্রতিনিধিদের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের খতিয়ান প্রমাণ হিসেবেও তুলে ধরা যেতে পারে। আবার এই তথ্য হাতে থাকলে কোনও সদস্যের আয়বহির্ভূত সম্পত্তি আছে কি না, তা বুঝতেও পরে সমস্যা হবে না।  

Advertisement

জানা গিয়েছে, রাজ্যের ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত সঙ্গে জড়িত নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের তথ্য পাঠানোর জন্য নির্দিষ্ট ফর্ম্যাট তৈরি করে দিয়েছে রাজ্য পঞ্চায়েত দফতর। সেটি পূরণ করে সম্প্রতি সরকারের কাছে জমা দিতে হয়েছে জেলা পরিষদের সভাধিপতি থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত সমিতি এবং গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রত্যেক সদস্যকে। আর এই ফর্মের ‘পেশা’ এবং ‘আয়-ব্যয়’ অংশে দু’টি তালিকা দেওয়া হয়েছে। একটি পেশার তালিকা এবং অপরটি বার্ষিক আয়ের তালিকা। পেশার তালিকায় রয়েছে কৃষিশ্রমিক থেকে শুরু করে স্কুলশিক্ষক এবং রাজনৈতিক কর্মীসহ মোট ১৩টি বিষয়। অন্যদিকে, বার্ষিক আয়ের ক্ষেত্রে ন্যূনতম অপশন রাখা হয়েছে ১০ হাজার টাকার নীচে এবং সর্বচ্চ ১ কোটি টাকা। অপশান বেছে নিয়ে ব্যক্তিগত ঘোষণা আকারেই জানাতে হবে নিজেদের বার্ষিক আয়। একই সঙ্গে শিক্ষাগত য্যেগ্যতা ছাড়াও ১৯৯৮ থেকে কোনও সময় তাঁরা নির্বাচিত হয়েছেন কি না এবং ২০২৩ সালে কোন রাজনৈতিক দলের হয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, সেটাও জানাতে হচ্ছে তাঁদের।

Advertisement
Tags :
Advertisement