For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

মমতার প্রতি ‘অশালীন’ আচরণ শুভেন্দুর, ক্ষুব্ধ শোভন

রাজ্য বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি শুভেন্দু অধিকারীর অশালীন’ আচরণের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন শোভন।
01:20 PM Nov 30, 2023 IST | Koushik Dey Sarkar
মমতার প্রতি ‘অশালীন’ আচরণ শুভেন্দুর  ক্ষুব্ধ শোভন
Courtesy - Google
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) প্রতি রাজ্য বিধানসভায় ‘অশালীন’ আচরণের অভিযোগ উঠেছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর(Suvendu Adhikari) বিরুদ্ধে। আর তার জেরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়(Sovon Chattopadhay)। মমতার সঙ্গে শুভেন্দুর ওই ধরনের আচরণ মেনে নেওয়া যায় না বলেই এদিন স্পষ্ট ঙ্করে দিয়েছেন শোভন। গতকাল অর্থাৎ বুধবার রাজ্য বিধানসভায় রাজ্যের প্রতি বঞ্চনার প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণভাবে ধর্না কর্মসূচি পালন করছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। অমিত শাহের সভা শেষ হতেই শুভেন্দু-সহ বিজেপির(BJP) অন্য বিধায়করা সেসময় একপ্রকার জোর করে ঢুকে পড়েন বিধানসভা(West Bengal State Assembly) চত্বরে। বিনা অনুমতিতে তৃণমূলের(TMC) ধর্নাস্থল থেকে মাত্র কয়েক মিটার দূরে পালটা ধর্না শুরু করেন শুভেন্দুরা। তৃণমূল বিধায়কদের উদ্দেশে ‘চোর চোর’ স্লোগানও দেওয়া হয়। অভিযোগ, রীতিমতো অভব্য আচরণ করেছেন বিজেপি বিধায়করা। এমনকী জাতীয় সঙ্গীত চলাকালীনও ‘চোর চোর’ স্লোগান দেওয়া চলতে থাকে। মমতার প্রতি শুভেন্দুর এই আচরণেই ক্ষুব্ধ হয়েছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়।   

Advertisement

এদিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে একটি মামলায় হাজিরা দিতে গিয়ে শোভনবাবু জানান, ‘যেভাবে শুভেন্দু বিধানসভায় ঢুকে মমতাকে লক্ষ্য করে স্লোগান দিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যেভাবে অভব্য আচরণ করা হয়েছে, সেটা রাজনৈতিক শালীনতার বিরোধী। এটা রাজনীতি হতে পারে না। এর আগেও বিধানসভায় বহু মুখ্যমন্ত্রী এবং বিরোধী নেতার রাজনৈতিক তরজা হয়েছে। কিন্তু এতটা নিচে কেউ নেমে যাননি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো মানুষের সঙ্গে এই ধরনের আচরণ মেনে নেওয়া যায় না। এটা বুমেরাং হবে। , মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে দীর্ঘদিন বিরোধী রাজনীতি করেছেন। সিপিএমের হাতে মার খেয়েছেন। মেরে তাঁর মাথা ফাটা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনওদিন জ্যোতি বসুর প্রতি ব্যক্তিগত কোনও আক্রমণ মমতা করেননি। জ্যোতি বসুকে নিয়ে কোনও কুকথা মমতার মুখে শোনা যায়নি। কলকাতার প্রাক্তন মেয়রের সাফ কথা, মমতার প্রতি বিধানসভায় যে আচরণ হয়েছে সেটা অভাবনীয় এবং সম্পূর্ণরূপে নিন্দনীয়।’

Advertisement

উল্লেখ্য, চলতি মাসেরই ১৫ তারিখ ভাইফোঁটার দিন মমতার বাড়ি গিয়েছিলেন শোভন। সেদিন ‘দিদি’র কাছ থেকে ফোঁটা নেওয়ার পরে জানিয়েছিলেন, ‘মমতাদির আমার প্রতি যে অন্তরের ভালবাসা ও টান রয়েছে, তার কোনও বিকল্প হয় না। এটা আমি উপলব্ধি করি। পরিকল্পিতভাবে মানুষের কাছে পরিষেবা পৌঁছে দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুধুমাত্র রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে, নিজস্ব স্বার্থসিদ্ধির জন্য কেউ কেউ পরিকল্পিতভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আঘাত করছেন। মমতাদির বিরুদ্ধে চক্রান্ত হলে, আমার মতো বাংলার বহু মানুষ নিজেদের কলিজা দিয়ে সবকিছুকে রক্ষা করবে। পরিকল্পিতভাবে যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে দুর্বল করার চেষ্টা হয়, তাহলে বাংলার প্রভূত ক্ষতি হবে। কেউ সেই ক্ষতি পূরণ করতে পারবে না। মমতাদি পশ্চিমবঙ্গের ওপর বটবৃক্ষের মতো ছায়া দিয়ে রেখেছেন। এই ছায়া যাতে কেউ কোনওভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে না পারে, তার জন্য আমি সবসময় তৈরি ছিলাম, এখনও আছি। মমতাদি যখন সঙ্গে থাকেন, তখন বাকি কিছুর দরকার হয় না। আবার বাকি সব থাকল, কিন্তু মমতাদি যদি অভিমান করে থাকেন, সেগুলিরও কোনও মূল্য থাকে না।’ এদিনও কার্যত সেটাই নতুন করে বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি।

Advertisement
Tags :
Advertisement