For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

সুপার ওভারে পাকিস্তানকে হারিয়ে ইতিহাস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের

01:26 AM Jun 07, 2024 IST | Sundeep
সুপার ওভারে পাকিস্তানকে হারিয়ে ইতিহাস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: রুদ্ধশ্বাসকর ম্যাচে সুপার ওভারে বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সুপার পাওয়ার পাকিস্তানকে ৫ রানে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল মার্কিন বৃহস্পতিবার টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করে সাত উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রান তোলে পাকিস্তান। জবাবে মোনাঙ্ক পটেল, আন্দ্রিজ গাউজ ও অ্যারন জোনসের চওড়া ব্যাটে ভর করে তিন উইকেট হারিয়ে সমসংখ্যক রান তোলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। আর সুপার ওভারেই বাজিমাত করেন মোনাঙ্ক পটেলরা।  

Advertisement

টসে জিতে এদিন প্রথমে পাকিস্তানকে ব্যাট করতে পাঠান আমেরিকার অধিনায়ক। শুরু থেকেই ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে পাকিস্তান। দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান মহম্মদ রিজওয়ান (৯)। এর পরে উসমান খান (৩) ও ফখর জামানও দ্রুত সাজঘরে ফেরেন। ২৬ রানে তিন উইকেট বিপাকে পড়ে যায় পাকরা। চতুর্থ উইকেটে সাদাব খানকে সঙ্গে নিয়ে দলকে বিপদ থেলে টেনে তোলার চেষ্টা চালান পাক অধিনায়ক বাবর আজম। ব্যক্তিগত ১৬ রান করার সঙ্গে সঙ্গে বিরাট কোহলিকে টপকে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের সিংহাসনে আসীন হন বাবর। চতুর্থ উইকেটে ৭২ রান যোগ হওযার পরে সাজঘরে ফেরেন সাদাব। আউট হওয়ার আগে ২৫ বলে ৪০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। শূন্য রানে ফেরেন আজম খান। ষষ্ঠ উইকেটে বাবর ও ইফতিখার আমেদ ২৭ রান যোগ করেন। ৪৪ রান করে আউট হন পাকিস্তান অধিনায়ক। শেষের দিকে নেমে ঝোড়ো ইনিংস খেলেন শাহিন আফ্রিদি। তিনি ১৬ বলে ২৩ রানে অপরাজিত থাকেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে সাত উইকেটের বিনিময়ে ১৫৯ রান তোলে পাকিস্তান।

Advertisement

জয়ের জন্য ১৬০ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে দেখেশুনে খেলতে থাকেন আমরিকার দুই গোড়াপত্তনকারী ব্যাটসম্যান স্টিভেন টেলর ও মোনাঙ্ক পটেল। ষষ্ঠ ওভারে টেলরকে (১২) ফিরিয়ে প্রথম আঘাত হানেন নাসিম শাহ। কিন্তু তাতে খুব একটা লাভ হয়নি। দ্বিতীয় উইকেটে জুটি বেঁধে মাথা ঠাণ্ডা করে খেলে দলকে জয়ের লক্ষ্যে এগিয়ে নিয়ে যান মোনাঙ্ক ও অ্যান্ড্রিজ গাউজ। দলকে শতরানের গণ্ডি পার করিয়ে দেন। জুটি ভাঙতে না পেরে চাপে পড়ে যায় পাক বোলাররা। অবশেষে ১৪তম ওভারে বল করতে এসে গাউজকে (৩৫) ফিরিয়ে দলকে ব্রেক থ্রু এনে দেন হ্যারিস রউফ। পরের ওভারে আমেরিকার অধিনায়ক মোনাঙ্ক পটেলকে (৫০) ফেরান আমির খান। পর পর দুই উইকেটের পতন হওয়ায় খানিকটা স্নায়ুর চাপে পড়ে যায় মার্কিন শিবির। কিন্তু চতুর্থ উইকেটে জুটি বেঁধে অ্যারন জোনস ও নীতীশ কুমার মাথা ঠাণ্ডা করে খেলেন। ২০ ওভারে তিন উইকেট খুঁইয়ে ১৫৯ রান তোলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। জোনস ২৬ বলে ৩৬ ও নীতীশ ১৪ বলে ১৪ রানে অপরাজিত থাকেন। ম্যাচ টাই হওয়ায় ফলাফল নির্ধারণে সুপার ওভারের সাহায্য নেওয়া হয়।

সুপার ওভারে প্রথমে ব্যাট করে এক উইকেট হারিয়ে ১৮ রান তোলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। জয়ের জন্য পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ১৯ রান। কিন্তু বাবর আজমরা এক উইকেট হারিয়ে মাত্র ১৩ রান তুলতে পেরেছেন। ফলে পাঁচ রানে হার স্বীকার করতে হয়েছে।  

Advertisement
Tags :
Advertisement