For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

তারকেশ্বর-বিষ্ণুপুর রেলপথে জমিজট কাটল পশ্চিম অমরপুরে

রাজ্যের ভূমি দফতরের উদ্যোগে শেষে জমিজট কাটল পশ্চিম অমরপুর এলাকায়। সেখানে কাঠাপ্রতি ৯২ হাজার টাকা দাম পাবেন জমিদাতারা।
04:15 PM Jan 28, 2024 IST | Koushik Dey Sarkar
তারকেশ্বর বিষ্ণুপুর রেলপথে জমিজট কাটল পশ্চিম অমরপুরে
Courtesy - Google
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: রেলমন্ত্রী থাকাকালীন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) তারকেশ্বর বিষ্ণুপুর রেল প্রকল্পের(Tarakeshwar Bishnupur Rail Project) কথা ঘোষণা করেছিলেন। ৮২.৮৭ কিমি লম্বা এই রেলপথের অনেকটা কাজই ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছে এবং সেই পথে নিত্যদিন ট্রেনও চলছে। যেমন তারকেশ্বরের দিক থেকে গোঘাট পর্যন্ত ট্রেন চলছে, আবার বিষ্ণুপুরের দিক থেকে ময়নাপুর পর্যন্ত ট্রেন চলছে। কিন্তু এখনও নির্মাণ হয়নি ময়নাপুর থেকে গোঘাট পর্যন্ত অংশের রেলপথ। এর প্রধান কারণ যেমন ভবাদিঘীর জট, তেমনি অন্যত্রও থেকে যাওয়া জমিজট(Land Problem)। সেই সব জট ধীর গতিতে কাটানো হচ্ছে। এই কাজ না হওয়া অংশেই ছিল পশ্চিম অমরপুর(Paschim Amarpur) মৌজা। সেখানকার কৃষকেরা এই রেল প্রকল্পের জন্য জমি দিতে বেঁকে বসেছিলেন। তাঁদের আপত্তি ছিল মূলত জমির দর নিয়ে। একের পর এক বৈঠক করে অবশেষে সেই জমিজট কেটেছে। রাজ্যে ভূমি দফতরের তরফে শেষে উদ্যোগ নেওয়া হয় জট কাটানোর জন্য। শেষে রফা হয় কাঠাপিছু ৯২ হাজার টাকা দামে।

Advertisement

তারকেশ্বর-বিষ্ণুপুর রেলপথের মধ্যে হুগলির তারকেশ্বর থেকে আরামবাগ হয়ে গোঘাট পর্যন্ত ৩৩.৯৪ কিমি কাজ সম্পূর্ণ হয়ে ট্রেন চলছে। অন্যদিকে, বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর থেকে ময়নাপুর পর্যন্ত ২২.৪৮ কিমির কাজও শেষ হয়েছে। সেখানেও ট্রেন চলছে। গোঘাট থেকে ভাবাদিঘির ৯৫০ মিটার বাদ দিয়ে কামারপুকুর পর্যন্ত ৫.৫০ কিমি রেলপথের কাজ হয়ে গিয়েছে। হুগলি জেলার মধ্যে আর খালি কাজ বাকি আছে কামারপুকুর থেকে বাঁকুড়ার জয়রামবাটী পর্যন্ত ৩.৩০ কিমি। এর মধ্যে ০.৭৫৫ কিমি জমি রেলকে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি ২.৫৪৫ কিমির জমি অধিগ্রহণ করা হলেও ন্যায্য দাম না মেলায় ক্ষতিপূরণের চেক নিচ্ছিলেন না পশ্চিম অমরপুরের চাষিরা। পশ্চিম অমরপুরের আন্দোলন কমিটি ২০১০ সাল থেকে জমির ন্যায্য মূল্য এবং নিকাশি ব্যবস্থার দাবিতে আন্দোলন করে চলেছে। ২০১০ সালের শুনানিতে জমির দাম ধার্য হয়েছিল মাত্র কাঠাপিছু ১৪ হাজার ৬৫০ হাজার টাকা। আর তাতেই বেঁকে বসেন কৃষকেরা। তাঁরা কাঠাপিছু অন্তত ৭৫ হাজার টাকা দাম দেওয়ার দাবি জানান। শেষে রাজ্যের ভূমি দফতরের মধ্যস্থতায় এখন ঠিক হয়েছে কাঠা প্রতি জমির দর দেওয়া হবে ৯২ হাজার টাকা। তাতে রাজী হয়েছেন কৃষকেরা।

Advertisement

পশ্চিম অমরপুরে জমির দাম সংক্রান্ত সমস্যা মিতে যাওয়ায় রাজ্যের ভূমি দফতর গত বৃহস্পতিবার থেকে চাষিদের শুনানির নোটিস পাঠানো শুরু করেছে। আন্দোলনকারী চাষিদের সংগঠন ‘রেল চালাও, গ্রাম বাঁচাও’ কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, জমির দাম নিয়ে তাঁদের আর কোনও আপত্তি নেই। বাকি নিকাশি সমস্যা এবং কয়েকটি আন্ডারপাসের দাবি। তাঁরা আশা করছেন সেই দাবিও মিটবে। তবে তাঁরা এখনই শুনানিতে হাজিরা দিলেও জমির দাম বাবদ চেক নেবেন না। তাঁরা শুনানিতে যাবেন নিকাশি সমস্যা না মেটা পর্যন্ত এবং আন্ডারপাস তৈরি সংক্রান্ত আবেদন মান্যতা না পাওয়া পর্যন্ত তাঁরা ওই চেক নেবেন না। নিকাশি এবং আন্ডারপাস কতটা জরুরি, তা প্রশাসন সরেজমিনে খতিয়ে দেখে সমাধানের নিশ্চয়তা দিলেই তবেই তাঁরা চেক নেবেন। কেননা প্রস্তাবিত রেলপথের পুরো এলাকাটি সমতল থেকে অন্তত ৫ ফুট নিচু। উঁচু বাঁধ বেঁধে রেললাইন করলে পশ্চিম অমরপুর, তাজপুর, আনুড়-সহ ১০-১২টি গ্রাম বর্ষা ও বন্যায় প্লাবিত হবে। আর জমি থেকে ধান তোলার জন্য প্রয়োজনীয় আন্ডারপাসও জরুরি।

Advertisement
Tags :
Advertisement