For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

'কারার ওই লৌহ কপাট' গানের রহমান ভার্সন সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের

২০২৩ সালের ১৯ নভেম্বর এই গানের রহমান ভার্সন ফেসবুক, ইউটিউব, নেটফ্লিক্স, অ্যামাজন প্রাইম, ওটিটি প্ল্যার্টফর্ম, ওয়েবসাইট ও অন্যান্য নেটমাধ্যম থেকে অপসারণ করার জন্যে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল।
05:27 PM Jan 09, 2024 IST | Sushmitaa
 কারার ওই লৌহ কপাট  গানের রহমান ভার্সন সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি, বাংলাদেশ: গতবছর অক্টোবরে মুক্তি পায় ঈশান খট্টর এবং ম্রুণাল ঠাকুরের অভিনীত 'পিপ্পা'। ছবিটি বক্সঅফিসে তেমন সাফল্য অর্জন করতে না পারলেও ঈশান খট্টর এবং ম্রুণাল ঠাকুরের অভিনয়ের প্রশংসা এখনও সবার মুখে মুখে। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের কাহিনি অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে বলিউড সিনেমা ‘পিপ্পা’। যাই হোক, ছবিটি ২০২৩ সালের অন্যতম বিতর্কিত ছবি ছিল, তার কারণ একটাই! গানটিতে ব্যবহার করা হয়েছিল জাতির কবি নজরুল ইসলামের বিখ্যাত গান 'কারার ঐ লৌহ কপাট'। যেটি তিনি ১৯২২ সালের ২০ জুন লিখেছিলেন। পরে ১৯৪৯ সালের জুন মাসে গিরিন চক্রবর্তীর গলায় রেকর্ড করা হয় গানটি। তাই এমন একটি বিখ্যাত গানের রিমেকের বিকৃতি ঘটিয়ে দেশের সঙ্গীতমহলে রীতিমতো হৈচৈ ফেলে দিয়েছিলেন অস্কার এবং জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত এ আর রহমান।

Advertisement

গানটি ব্যবহারের জন্যে নজরুলের পরিবারের তরফ থেকে অনুমতি নেওয়া হইলেও গানের বিকৃতি ঘটানোর কোনও অনুমতি দেওয়া হয়নি। সুতরাং কীভাবে এই গানের বিকৃতি ঘটালেন এ আর রহমানের মতো সুরকার, সেটাই তখন বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন! এমনকী বিষয়টি ভাল চোখে দেখেননি পশ্চিমবঙ্গের একাধিক সঙ্গীতশিল্পী এবং বাংলাদেশে থাকা নজরুলেল পরিবারও। যা গড়ায় আইন পর্যন্তও। নজরুলের পরিবারও গানটিকে বিভিন্ন সোশ্যাল মাধ্যম এবং ছবি থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি তুলে আদালতে মামলা করেছিল। গানটির বিকৃতি ঘটানো নিয়ে প্রথম অভিযোগ তোলেন, নজরুলের নাতি অনির্বাণ কাজী। এবার সোশ্যাল মিডিয়া থেকে এ আর রহমানের সুরে গাঁথা ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ গানের রিমেক ভার্সনটি সরাতে নির্দেশ দিল বাংলাদেশ হাইকোর্ট। মঙ্গলবার (০৯ জানুয়ারি) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। গত ৬ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টের ১০ আইনজীবী এই মামলায় রিট দায়ের করেছিলেন।

Advertisement

২০২৩ সালের ১৯ নভেম্বর এই গানের রহমান ভার্সন ফেসবুক, ইউটিউব, নেটফ্লিক্স, অ্যামাজন প্রাইম, ওটিটি প্ল্যার্টফর্ম, ওয়েবসাইট ও অন্যান্য নেটমাধ্যম থেকে অপসারণ করার জন্যে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু এতে সাড়া না মেলায় রিট দায়ের করা হয়। এবার সেই রায়ের শুনানিতে সকল সোশ্যাল মিডিয়া সাইট থেকে এই গানটিকে অপসারণ করার নির্দেশ দিল হাইকোর্ট। গানটিকে বিকৃত করার অভিযোগ এনে কাজী নজরুল ইসলামের নাতি অনির্বাণ বলেন, রহমানকে সম্পূর্ণ শ্রদ্ধা জানিয়েই জানতে চাই, কে এই গানটির বিকৃত করার অনুমতি দিল রহমানকে? স্বত্ব দেওয়ার সময় তো সুর বদলের কথা বলা হয়নি। কী রকম একটা করে দিয়েছে গানটাকে! গানের ক্রেডিট থেকে তার পরিবারের নাম মুছে ফেলা হোক।

Advertisement
Tags :
Advertisement