For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

সিঙ্গুরের জমি ফেরত ও ক্ষতিপূরণ প্রদান নিয়ে রাজ্যের অবস্থান জানতে চাইল হাইকোর্ট

সিঙ্গুরের জমি কীভাবে আর কবে কৃষকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হবে এবং সেই জমির ক্ষতিপূরণ কী দেওয়া হবে সেটাই রাজ্যের কাছে জানতে চেয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।
12:40 PM Jan 04, 2024 IST | Koushik Dey Sarkar
সিঙ্গুরের জমি ফেরত ও ক্ষতিপূরণ প্রদান নিয়ে রাজ্যের অবস্থান জানতে চাইল হাইকোর্ট
Courtesy - Google
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: সিঙ্গুর(Singur) এখনও অতীত হয়ে যায়নি। বরঞ্চ তার প্রাসঙ্গিকতা ধরে রাখছে। এবার সেই সিঙ্গুর নিয়ে রাজ্যের(West Bengal State Government) অবস্থান কী তা জানতে চাইল কলকাতা হাইকোর্ট(Calcutta High Court)। মূলত সিঙ্গুরের অধিগৃহীত জমি কীভাবে আর কবে কৃষকদের(Farmers) কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হবে, নাকি তা ফেরানো হবে না এবং সেই জমির ক্ষতিপূরণ(Payment of Compensation) হিসাবে কৃষকদের কী দেওয়া হবে সেটাই রাজ্য সরকারের কাছ থেকে জানতে চেয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্ট(Supreme Court) আগেই জানিয়ে দিয়েছিল, সিঙ্গুরের জমি অধিগ্রহণ বেআইনি। সেই ঐতিহাসিক রায়ের পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) সরকার জানিয়েছিল জোর করে অধিগৃহীত কৃষকদের জমি ফেরত দেবে রাজ্য সরকার। কিন্তু যারা স্বেচ্ছায় জমি দিয়েছিলেন তাঁদের জমি আজও রাজ্যের হাতেই রয়ে গিয়েছে। সেই সব কৃষকেরাই কলকাতা হাইকোর্টে জমি ফেরত চেয়ে মামলা দায়ের করেন। সেই সঙ্গে দাবি জানান ক্ষতিপূরণেরও। সেই মামলাতেই রাজ্যের অবস্থান জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। 

Advertisement

এদিন যে মামলায় রাজ্যের অবস্থান জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট, সেই মামলাটি শুনানির জন্য হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবাজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চে উঠেছিল। সেখানেই মামলাকারীদের আবেদন শুনে বিচারপতি রাজ্য সরকারকে ৪ সপ্তাহের মধ্যে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করতে নির্দেশ দিয়েছেন। সেই মর্মে হলফনামা দাখিল করতেও বলেছেন। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের তরফে সেই হলফনামা আদালত থেকে ঠিক করে দেওয়া সময়ের মধ্যেই জমা দেওয়া হবে। সেখানে সিঙ্গুরের জমি নিয়ে রাজ্য সরকারের কী চিন্তাভাবনা রয়েছে তা জানিয়ে দেওয়া হবে। জোড়াফুল শিবির সূত্রে জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার জোর করে কৃষকদের কাছ থেকে জমি না অধিগ্রহণ করার যে পথ নিয়েছেন সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় থেকেই সেই রাস্তা থেকে দল বা সরকার সরে আসবে না। তাই কোন কোন কৃষক জমি ফেরত চান তা খতিয়ে দেখা হবে। কেননা রাজ্য সরকারের কাছে বা সিঙ্গুরের বিডিও’র কাছে এখনও পর্যন্ত জমি ফেরত চেয়ে কোনও কৃষক কোনও আবেদন জানাননি। এখনকার মামলার পিছনে রাজনীতি রয়েছে বলেও অভিমত বাংলার শাসক দলের।

Advertisement

Advertisement
Tags :
Advertisement