For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

নিয়ম মানার পরেও কেন বরাদ্দ বন্ধ, শিবরাজের কাছে জানতে চাইবে রাজ্য

আবাস ও ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের পর্যালোচনায় জন্য প্রত্যেক রাজ্যের সঙ্গে বৈঠক শুরু করেছেন শিবরাজ সিং পাতিল। ডাক পড়বে বাংলারও।
11:44 AM Jul 07, 2024 IST | Koushik Dey Sarkar
নিয়ম মানার পরেও কেন বরাদ্দ বন্ধ  শিবরাজের কাছে জানতে চাইবে রাজ্য
Courtesy - Google
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: গত দুই বছর ধরে বাংলায়(Bengal) প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজানার(PMGAY) টাকা আসা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ২০২২ সালের নভেম্বর মাস থেকে এই প্রকল্পে আর টাকা পায়নি বাংলা। তারও আগে বন্ধ হয়েছে ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের(100 Days Work Project) বরাদ্দ। রাজ্য সরকারের তরফে কেন্দ্রের কাছে বার বার সেই তাকা চাওয়া হয়েছে, কেন্দ্রের তরফে রাজ্যে পাঠানো হয়েছে প্রতিনিধি দলও। উপভোক্তা তালিকার সংশোধন থেকে প্রকল্প কার্যকর হওয়ার প্রমাণ—সব তথ্যই রিপোর্ট আকারে কেন্দ্রকে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু টাকা আর আসেনি। কেন সব নিয়ম মানার পরেও টাকা আটকে রাখা হচ্ছে সেটাই এবার নতুন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী(Rural Development Minister) শিবরাজ সিং চৌহানের(Shivraj Singh Chouhan) কাছে জানতে চাইবেন রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতরের আধিকারিকেরা। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, খুব শীঘ্রই দিল্লিতে ডাক পড়তে চলেছে বাংলার পঞ্চায়েত দফতরের আধিকারিকদের। সেখানে আবাস ও ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের পর্যালোচনায় জন্য প্রত্যেক রাজ্যের সঙ্গে বৈঠক শুরু করেছেন শিবরাজ সিং পাতিল।

Advertisement

নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, একক সংখ্যাগরিষ্ঠনা না পাওয়া বিজেপি এখন কেন্দ্রে কিছুটা ধীর লয়ে খেলছে। আর তাই জোর দেওয়া হচ্ছে আলোচনায়। সেই সূত্রেই কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের নতুন মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েই বকেয়া সংক্রান্ত বিষয়ে নাকি রাজ্যগুলির সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছেন। তাই বাংলার পঞ্চায়েত দফতরের আধিকারিকদের কথাও তিনি শুনবেন এমনটাই আশা রাখছেন নবান্নের আধিকারিকেরা। কোন পরিস্থিতিতে বরাদ্দ বন্ধ হয়েছিল, কী কী ত্রুটি ছিল, তার সংশোধনে রাজ্য কী পদক্ষেপ করেছে এই সবই রিপোর্ট আকারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর হাতে তুলে দেবেন তাঁরা। কোন প্রকল্পে কত বকেয়া রয়েছে, তারও সবিস্তার তথ্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কাছে পেশ করার পরিকল্পনা রয়েছে। রাজ্যের বক্তব্য, বিপুল সংখ্যক অযোগ্যের নাম কেটে তালিকা সংশোধনের পরে প্রায় ১১.৩৬ লক্ষ আবাস-উপভোক্তাকে অনুমোদন দিয়েছিল কেন্দ্রই। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কেন্দ্রের প্রস্তাবিত সব নির্দেশগুলি পালন করেছে রাজ্য। তার পরেও কোন যুক্তিতে টাকা ছাড়া হয়নি সেটা শিবরাজের কাছ থেকে জানতে চাওয়া হবে।

Advertisement

এই প্রসঙ্গে রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারের দাবি, ‘সব রাজ্যের সঙ্গে নতুন মন্ত্রী পর্যালোচনা শুরু করেছেন। নামের প্রথম অক্ষর মেনে ডাকা হলে ডাক আসতে কিছুটা দেরি হবে। তবে মন্ত্রীকে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট করব। বকেয়ার সামগ্রিক তথ্য তুলে ধরে কেন্দ্রকে চিঠি পাঠাতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।’ ওয়াকিবহাল মহলের ধারনা, লোকসভা ভোটে গোটা দেশের সঙ্গে এ রাজ্যেও বিজেপির আসন কমেছে। আসন কম হওয়া ও গ্রামীণ এলাকার ভোটেও সেই প্রভাব থাকার নেপথ্যে বরাদ্দ আটকে রাখা অন্যতম কারণ হতে পারে। ফলে বরাদ্দের প্রশ্নে ইতিবাচক মনোভাব নিতে পারে কেন্দ্র। যদিও এখনও পরিষ্কার নয় বাংলাকে নিয়ে নরেন্দ্র মোদির(Narendra Modi) কী পরিকল্পনা। কেননা এখনও পর্যন্ত যে রকমসকম দেখা যাচ্ছে, তাতে এটা বুক ঠুকে বলা যাচ্ছে না যে তিনি বাংলাকে আগামী দিনে বঞ্চিত করে রাখবেন না।

Advertisement
Tags :
Advertisement