For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

সাগরে নেই ইলিশ, শূন্য গঙ্গার গর্ভও, ক্ষতির মুখে মৎস্যজীবীরা

বাংলার বুকে বর্ষার ধারাপাতে পরিবর্তন ঘটায় ইলিশের গতিপথেও পরিবর্তন চলে এসেছে। না গঙ্গায় মিলছে ইলিশ, না সাগরে মিলছে।
04:44 PM Jul 09, 2024 IST | Koushik Dey Sarkar
সাগরে নেই ইলিশ  শূন্য গঙ্গার গর্ভও  ক্ষতির মুখে মৎস্যজীবীরা
Courtesy - Google
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: দেখা মিলছে না ইলিশের(Elish Fish)। সেটাও আবার এই ভরা আষাঢ়ে। সাধারণত এই সময়ে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ওঠে জালে। কিন্তু এ বার ছবিটা আলাদা। ভীষণই আলদা। না গঙ্গায়(Ganges) মিলছে ইলিশ, না সাগরে(Bay of Bengal) মিলছে। ইলিশ ধরতে সমুদ্রে পাড়ি দেওয়া ট্রলারগুলি অধিকাংশই শূন্য হাতে ফিরছে তীরে। আর ইলিশ না মেলায় ক্ষতির মুখে পড়ছেন মৎস্যজীবীরা(Fishermen)। কেন এমনটা হচ্ছে, বুঝে উঠতে পারছেন না তাঁরাও। তাঁদের একমাত্র আশা আষাঢ় পেরিয়ে শ্রাবণে বৃষ্টি বাড়লে, হয় তো জালে ভাল ইলিশ ধরা পড়বে। ইলিশ নোনা জলের মাছ। কিন্তু ডিম ছাড়ার জন্য তার পছন্দ মিষ্টি জল। আর তাই দুই বাংলায় বর্ষা এলেই ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ছুটে আসে গঙ্গা-পদ্মা পানে। কিন্তু প্রকৃতির খামখেয়ালে বাংলার(Bengal) বুকে বর্ষার ধারাপাতে পরিবর্তন ঘটায় ইলিশের গতিপথেও পরিবর্তন চলে এসেছে।

Advertisement

বঙ্গোপসাগর আর গঙ্গায় ইলিশের দেখা না মেলার জন্য অনেকেই মনে করছেন, নদীর মোহানায় পলি জমতে শুরু করায় সাগর থেকে নদীতে ঢোকার সময়ে বাধা পাচ্ছে ইলিশের ঝাঁক। এ ছাড়াও, অতিরিক্ত মাছ ধরা এবং ছোট মাছ ধরে নেওয়া একটা বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এই ক্ষেত্রে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, ইলিশের আসা নির্ভর করে নদী ও সমুদ্রের লবণের পরিমাণের ওপর। নদী ও সমুদ্রে লবণের পরিমাণ যত কমবে, ততই মোহনার দিকে এগিয়ে আসবে ইলিশ। তবে এর জন্য সমুদ্রে পুবালি বাতাস থাকাও জরুরি। এ বছর দক্ষিণবঙ্গে তেমন বৃষ্টি না হওয়ায় সমুদ্রের নোনা ভাব পুরোপুরি কাটেনি। যার ফলে সমুদ্রের উপকূল সংলগ্ন এলাকায় ইলিশের ঝাঁকের দেখা মিলছে না। গঙ্গার বুকে ৫টি জায়গাকে ইলিশের প্রজনন ক্ষেত্র হিসাবে সরকারি ভাবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। তার মধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনার নিশ্চিন্তপুর, গোদাখালি আর সাগর স্যান্ড পয়েন্ট রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, এই চিহ্নিত এলাকাগুলিতে মাছ ধরা বন্ধ রাখা উচিত।

Advertisement

পাশাপাশি, সমুদ্র বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত মাছ ধরা কমাতে হবে। প্রতি মরসুমে ২৮ হাজার টনের বেশি ইলিশ ধরা চলবে না। ৩ হাজারের বেশি ট্রলার নামানো যাবে না সমুদ্রে। তবেই সাগর আর গঙ্গার মোহনায় আবার ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ মিলবে। অন্যদিকে সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া মৎস্যজীবীদের দাবি, সাগরে যে ইলিশ একেবারেই নেই, তা নয়। আসলে মাত্র ২০ দিন হল মাছ ধরা শুরু করেছে ট্রলারগুলি। পর্যাপ্ত বৃষ্টি হলে সমুদ্রে লবণের ভাগ কিছুটা কমবে। তখন ভাল ইলিশ পাওয়া যাবে। তবে সমুদ্রে ইলিশ বাঁচিয়ে রাখতে প্রজনন ক্ষেত্রগুলির ওপরে নজরদারি বাড়াতে হবে সেটা রাজ্যের মৎস্য দফতরের আধিকারিকেরাও মানছেন।

Advertisement
Tags :
Advertisement