For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

পোস্ট্যাল ব্যালটে জয় তৃণমূলের, মাঠে মারা গেল ডিএ আন্দোলন

এবার রাজ্যে ডিএ আন্দোলন কোন পথে যাবে? কেননা রাজ্যের বেশির ভাগ সরকারি কর্মচারীই তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের ওপরেই আস্থা রেখেছেন।
04:45 PM Jun 06, 2024 IST | Koushik Dey Sarkar
পোস্ট্যাল ব্যালটে জয় তৃণমূলের  মাঠে মারা গেল ডিএ আন্দোলন
Courtesy - Facebook and Google
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: হায় রে হায়, শেষে কিনা মাঠেই মারা গেল ডিএ আন্দোলন(DA Movement)। রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা(West Bengal State Government Employees) কেন্দ্রের হারে দীর্ঘদিন ধরে মহার্ঘ্য ভাতার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এমনকি তা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টেও মামলা ঝুলে রয়েছে। এই অবস্থায় লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল সামনে আসতেই দেখা গেল মহার্ঘ্য ভাতা নিয়ে বড়সড় আন্দোলনের পরেও রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা পোস্ট্যাল ব্যালটে(Postal Ballot) বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকেই(TMC) বেছে নিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলার ৪২টি লোকসভা কেন্দ্রে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে তৃণমূলের ঝুলিতে গিয়েছে ১০৮,৪০৫টি ভোট আর বিজেপি(BJP) পেয়েছে ১০৪,৩০১টি ভোট। অর্থাৎ পুরো রাজ্যে বিজেপির থেকে পোস্টাল ব্যালটে ৪,১০৪টি ভোট বেশি পেয়েছে। স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে, এবার রাজ্যে ডিএ আন্দোলন কোন পথে যাবে? কেননা রাজ্যের বেশির ভাগ সরকারি কর্মচারী যেহেতু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) সরকারের ওপরেই আস্থা রেখেছেন তাই এবার ডিএ আন্দোলন হয়তো তার গতি হারিয়ে ফেলতে পারে।

Advertisement

বাংলার রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা আপাতত ষষ্ঠ বেতন কমিশনের আওতায় ১৪ শতাংশ হারে ডিএ বা মহার্ঘ্য ভাতা পান। সেখানে সপ্তম বেতন কমিশনের আওতায় কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের প্রাপ্ত ডিএয়ের হার হল ৫০ শতাংশ। দুই সরকারের মধ্যে এই মহার্ঘ্য ভাতা নিয়ে বড়সড় ফারাক থাকলেও বেশ কিছু কর্মচারী থেকে আধিকারিকের দাবি, ডিএ নিয়ে অভিযোগ থাকলেও এ রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা অনেক বেশি ছুটি পান। তাছাড়া এখানে এখনও পেনশন নীতি বহাল আছে। অন্যান্য রাজ্যের মতো তা বন্ধ হয়ে যায়নি। তাছাড়া অনেক কাজ এখন অনলাইনে হয়ে যাওয়ায় তাঁদের কাজের বোঝাও অনেক কমে গিয়েছে। আর তাই পোস্টাল ব্যালটের ভোটে তৃণমূল এগিয়ে গিয়েছে বিজেপির থেকে। তবে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে এখন শুধুমাত্র সরকারি কর্মচারীরা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেন না, ৮৫ বছরে ঊর্ধ্বে থাকা ভোটাররাও সেভাবে ভোট দেন। ফলে সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে তাঁদের ভোটও যুক্ত হয় পোস্টাল ব্যালটে। সেই পরিস্থিতিতে ঠিক কতজন রাজ্য সরকারি কর্মচারী তৃণমূলকে ভোট দিয়েছেন, কতজন বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন, সেটা একেবারে নিখুঁতভাবে বলা যাবে না।

Advertisement

তবে এটা ঠিক যেভাবে অনুমান করা হয়েছিল যে ডিএ আন্দোলনের আঁচ পড়বে পোস্ট্যাল ব্যালটে সেভাবে কিন্তু কিছু দেখা গেল না বাংলার বুকে। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে ২৬টি লোকসভা কেন্দ্রেই পোস্টাল ব্যালটে জিতেছেন তৃণমূল প্রার্থীরা। বাকি ১৬টিতে জিতেছে বিজেপি। রাজ্যে প্রান্তিক রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হলেও এখনও সিপিএমের কো-অর্ডিনেশন কমিটির ‘দাপট’ রয়েছে সরকারি কর্মচারী মহলে। কিন্তু বাম-কংগ্রেস জোটের কেউই পোস্টাল ব্যালটে জিততে পারেননি। তৃণমূল প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন জঙ্গিপুর, ব্যারাকপুর, বারাসত, বসিরহাট, দমদম, কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, যাদবপুর, ডায়মন্ডহারবার, মথুরাপুর, জয়নগর, হাওড়া, উলুবেড়িয়া, শ্রীরামপুর, আরামবাগ, হুগলি, ঘাটাল, কাঁথি, ঝাড়গ্রাম, বিষ্ণুপুর, বাঁকুড়া, আসানসোল, বর্ধমান-দুর্গাপুর, বর্ধমান পূর্ব, বোলপুর ও বীরভূমে। অন্যদিকে বিজেপি জিতেছে কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, রায়গঞ্জ, বালুরঘাট, মালদা উত্তর, মালদা দক্ষিণ, মুর্শিদাবাদ, বহরমপুর, কৃষ্ণনগর, রানাঘাট, বনগাঁ, তমলুক, মেদিনীপুর ও পুরুলিয়ায়।

Advertisement
Tags :
Advertisement