For the best experience, open
https://m.eimuhurte.com
on your mobile browser.
OthersWeb Stories খেলা ছবিঘরতৃণমূলে ফিরলেন অর্জুন সিংবাংলাদেশপ্রযুক্তি-বাণিজ্যদেশকলকাতাকৃষিকাজ বিনোদন শিক্ষা - কর্মসংস্থান শারদোৎসব লাইফস্টাইলরাশিফলরান্নাবান্না রাজ্য বিবিধ আন্তর্জাতিককরোনাএকুশে জুলাইআলোকপাতঅন্য খবর
Advertisement

পুজো কমিটির দখল নিয়ে বচসায় মৃত তৃণমূলকর্মী, কাঠগড়ায় দলেরই কাউন্সিলরের বাহিনী

পুজো কমিটির বৈঠকের সময় ঘরের দরজা বন্ধ করে পার্থবাবুকে মারধর করা হয়। যদিও কাউন্সিলর সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
09:59 AM Jul 08, 2024 IST | Koushik Dey Sarkar
পুজো কমিটির দখল নিয়ে বচসায় মৃত তৃণমূলকর্মী  কাঠগড়ায় দলেরই কাউন্সিলরের বাহিনী
Courtesy - Google
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি: মর্মান্তিক ঘটনা উত্তর ২৪ পরগনা(North 24 Pargana) জেলার ব্যারাকপুরে(Barrackpur)। একই সঙ্গে একুশে জুলাইয়ের আগে তৃণমূল কংগ্রেসের(TMC) কাছে নয়া অস্বস্তি হয়ে দাঁড়ালো ব্যারাকপুরের ঘটনা। কেননা সেখানে একটি পুজো কমিটির দখল কার হাতে থাকবে তা নিয়ে বচসার জেরে মৃত্যু হল এক তৃণমূল কর্মীর(Death of TMC Worker)। সেই ঘটনায় এখন কাঠগড়ায় এলাকারই তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলরের(TMC Councilor) দলবল। রবিবার রাতে সেই ঘটনা ঘটেছে ব্যারাকপুর পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডে। মৃত তৃণমূল কর্মীর নাম পার্থ চৌধুরী(৪৩)। পুজো কমিটির বৈঠকের সময় ঘরের দরজা বন্ধ করে পার্থবাবুকে মারধর করা হয়। যদিও কাউন্সিলর সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

Advertisement

জানা গিয়েছে, ব্যারাকপুরের ওল্ড ক্যালকাটা রোডের সুকান্তপল্লী এলাকার বাসিন্দা পার্থবাবুর স্ত্রী একটি ক্লাবের সদস্যা। সেই ক্লাবের দুর্গাপূজার কমিটি গঠন নিয়ে রবিবার সন্ধ্যায় বৈঠক হয়। অভিযোগ, পুজো কমিটির দখল নেওয়ার জন্য স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর মৌসুমী মুখোপাধ্যায়, তাঁর স্বামী-সহ দলবল নিয়ে বৈঠকে হাজির হয়। কমিটি গঠনের সময় জোর করে বৈঠক ঘরের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়, আর বাইরে থেকে ঘরের দখল নেয় কাউন্সিলরের দলবল। ফলে এলাকা উত্তপ্ত হতে শুরু করে। এদিকে স্ত্রীকে বৈঠকে আটকে রাখার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন তৃণমূল কর্মী পার্থ। তিনি গোটা ঘটনার প্রতিবাদ করলে কাউন্সিলরের অনুগামীদের সঙ্গে তার বচসা বাঁধে। সেই সময় তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।

Advertisement

আগের পুজো কমিটির সভাপতি সঞ্চিতা কুমার বলেন, ‘তৃণমূল কাউন্সিলর মৌসুমী মুখোপাধ্যায় প্রথমে বলেছিলেন, পুজোয় তিনি থাকবেন না। তারপর গতকাল যখন কমিটি গঠন নিয়ে বৈঠক শুরু হয়, সেসময় তাঁর স্বামী-সহ দলবল নিয়ে আসে। কমিটি গঠন নিয়ে যখন বৈঠক হচ্ছিল, তখন দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। বলে, যতক্ষণ না কমিটির তৈরি হবে কেউ বাইরে বেরতে পারবে না। সেই সময় বাইরে গণ্ডগোল বাঁধলে জানতে পারি, পার্থকে মারধর করা হচ্ছে। বেরতে চাইলে আমাকে, এমনকি পার্থর স্ত্রীকেও বেরতে দেয়নি। কমিটি দখল করবে বলেই কাউন্সিলর দলবল নিয়ে এসে এই ঘটনা ঘটিয়েছে।’  

জানা গিয়েছে, প্রচণ্ড মারধরের ফলে অচৈতন্য হয়ে পড়েন পার্থ। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে ব্যারাকপুরের বি এন বসু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকরা সেখানেই তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে হাসপাতালে যান ব্যারাকপুর পুরসভার চেয়ারম্যান উত্তম দাস। তাঁর কথায়, ‘পুজো কমিটি গঠন নিয়ে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। হাসপাতালে এসে শুনলাম, মৃত অবস্থায় আনা হয়েছিল দলের এক কর্মীকে। তবে তাঁর শরীরে বাহ্যিক কোনও আঘাত পাওয়া যায়নি। হয়ত মারামারিতেই হার্ট অ্যাটাকের কারণে মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পরেই সঠিক কারণ জানা যাবে। ঘটনাটি খুবই নিন্দনীয়। প্রশাসন তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।’

Advertisement
Tags :
Advertisement